হোম > সারা দেশ > বরিশাল

প্রতিষ্ঠাতা নিয়ে বিরোধ, বিদ্যালয়ে তালা

মুলাদী(বরিশাল) প্রতিনিধি

মুলাদীর জয়ন্তী আইডিয়াল ল্যাবরেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

বরিশালের মুলাদীতে প্রতিষ্ঠাতা নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘাতের শঙ্কায় একটি বিদ্যালয়ে তালা দেওয়া হয়েছে। এতে করে বিপাকে পড়েছে ২ শতাধিক শিক্ষার্থী।

আজ বৃহস্পতিবার পূর্ব নাজিরপুর গ্রামের জয়ন্তী আইডিয়াল ল্যাবরেটরি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে তালা দিয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কাছে চাবি জমা দেন প্রধান শিক্ষক মো. সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ২০০১ সালে প্রতিষ্ঠিত বিদ্যালয়টি এমপিওভুক্ত নয়। শুরু থেকে এর যাবতীয় খরচ বহন করছিলেন আওয়ামী লীগ নেতা আবু হানিফ। তাঁকে প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে এলাকার সবাই জানেন। এখন উপজেলা বিএনপির সদস্য মো. কুতুব উদ্দীন নিজেকে প্রতিষ্ঠাতা দাবি করে বিদ্যালয়ে হানিফের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দেন।

শিক্ষার্থীদের অভিভাবকেরা জানান, দুজন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা দাবি করায় স্থানীয়দের মধ্যে দুটি পক্ষের সৃষ্টি হয়েছে। এতে সংঘাতের শঙ্কা দেখা দিয়েছে। তাই শিক্ষকেরা বিদ্যালয় বন্ধ করে প্রশাসনের কাছে চাবি হস্তান্তর করেছেন।

এ ব্যাপারে কুতুব বলেন, ‘বরিশাল শিক্ষা বোর্ড যাচাই-বাছাই করে আমাকে প্রতিষ্ঠাতার স্বীকৃতি দিয়েছে। বিষয়টি প্রধান শিক্ষককে জানিয়ে আবু হানিফের পরিবর্তে আমাকে নিয়ে কাজ করতে বলেছি। তিনি বিদ্যালয় বন্ধ করেছেন কি না, জানা নেই।’

এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয় বন্ধ করে আবেদনসহ চাবি জমা দিয়েছেন। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে দ্রুত বিদ্যালয় খুলে দেওয়ার চেষ্টা চলছে।’

রাঙ্গুনিয়ায় যৌথ বাহিনীর অভিযানে অপহৃত ব্যক্তি উদ্ধার, মাদক ও দেশীয় অস্ত্রসহ আটক ৩

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মোসাব্বির হত্যায় শুটার জিনাতসহ গ্রেপ্তার ৩

শ্রীপুরে ভাঙারি ব্যবসার আড়ালে অস্ত্র ব্যবসা, যৌথ অভিযানে অস্ত্র-গুলিসহ যুবক গ্রেপ্তার

আজও দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা পঞ্চগড়ে

এবার মিরপুর রোডে তিতাসের ভালভ ফেটেছে, ভোগান্তি দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কা

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা: ঠাকুরগাঁওয়ে পাঁচ পরীক্ষার্থীর কারাদণ্ড, একজনকে জরিমানা

গ্রামে নেই গণভোটের প্রচার, জানে না সাধারণ মানুষ

বিয়েবাড়িতে গান বাজানো নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ২

ফেসবুক পোস্টকে কেন্দ্র করে হাতিয়ায় বিএনপি-এনসিপি সংঘর্ষ, আহত ৯

সিরাজগঞ্জের ৬ আসন: কেউ কোটিপতি, কারও বার্ষিক আয় লাখ টাকা