ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনার পর আজ শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে বন্ধ রয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক। এতে ভোগান্তিতে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটির ব্যবহারকারীরা। এদের মধ্যে অনেকেই আবার বিকল্প উপায়ে ফেসবুকে ঢোকার চেষ্টাও করছেন ।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী নাজির হোসেন বলেন, সন্ধ্যা থেকেই ফেসবুকে ঢুকতে পারছিলাম না। পরে বিকল্প উপায়ে ফেসবুকে ঢুকে দেখি অনেকেই জানতে চেষ্টা করছেন আসলে কী হচ্ছে?
একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বিপ্লব মল্লিক বলেন, বিকেলের পর থেকেই ফেসবুকে ধীরগতি ছিল। তবে সন্ধ্যা থেকে আর ঢুকতেই পারছি না।
এদিকে ফেসবুক বন্ধের বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিটিআরসির এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান , আমরা নির্দিষ্টভাবে কিছুই জানিনা। তবে ধীরগতির অভিযোগ পেয়েছি।
জানতে চাইলে আজকের পত্রিকাকে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার বলেন, দেশজুড়ে যে অনকাঙ্খিত ঘটনা ঘটেছে তা অনেকেই লাইভ করেছেন। এটি বন্ধ করার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে ফেসবুক বন্ধ করে দিয়ে থাকতে পারে। এছাড়া ফেসবুকের কারিগরি সমস্যা থাকতে পারে। তবে আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে এটি বন্ধ করা হয়নি।
এই বিষয়ে বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এর আগে ২০১৫ এবং ২০১৭ সালে সরকারি নির্দেশে বাংলাদেশে বন্ধ ছিল ফেসবুক। তখনও সরকারের ঐ সিদ্ধান্তের তীব্র সমালোচনা হয়েছিল।