পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
আজকের পত্রিকা: ভোটাররা কেন আপনাকে ভোট দেবেন?
হাসান জাফির তুহিন: আমি বাংলাদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় মার্কা ধানের শীষের প্রার্থী। আমি মনে করি, পাবনা-৩ এলাকা দেশের অন্যতম পিছিয়ে পড়া একটি। এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে, স্থিতিশীলতার স্বার্থে, এলাকার সুশাসনের স্বার্থে আমাকে সবাই ভোট দেবেন বলে আশা করি।
আজকের পত্রিকা: প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের বিষয়ে আপনার মূল্যায়ন কী?
হাসান জাফির তুহিন: এই আসনে যাঁরা প্রার্থী হয়েছেন, কমবেশি সবাই যোগ্য। ভোটাররা যাঁকে পছন্দ করে নির্বাচিত করবেন, তিনিই নির্বাচিত হবেন।
আজকের পত্রিকা: ভোটে হেরে গেলে মেনে নেবেন কি?
হাসান জাফির তুহিন: যদি সুষ্ঠু নির্বাচন হয়, আর আমি যদি হেরে যাই, তাহলে মেনে নেব।
আজকের পত্রিকা: জয়ী হলে এলাকার জন্য কোন বিষয়গুলোকে আপনি অগ্রাধিকার দেবেন?
হাসান জাফির তুহিন: সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, এলাকার অধিকাংশ রাস্তাঘাট ভাঙাচোরা। এলাকায় উন্নয়নের কোনো ছোঁয়া লাগেনি। কোনো শিল্প-কলকারখানা নেই, যেখানে আমাদের সন্তানেরা লেখাপড়া শেষ করে চাকরি করবে। আমি এ বিষয়গুলোকে প্রাধান্য দিয়ে কাজ করব।
আজকের পত্রিকা: আপনি যদি নির্বাচিত হন, তাহলে বিরোধী রাজনীতিক ও তাঁদের কর্মী-সমর্থকদের কতটা নিরাপত্তা দেবেন?
হাসান জাফির তুহিন: অবশ্যই তাঁরা নিরাপদে থাকবেন। কারণ (২০২৪ সালের) ৫ আগস্টের পর বিএনপি প্রমাণ করেছে, বিএনপির কাছেই সাধারণ মানুষ নিরাপদে থাকতে পারবেন। আমার এলাকায়ও শুধু পরাজিত প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা নন, সব শ্রেণি-পেশার মানুষ নিরাপদে থাকবেন। সবাইকে সঙ্গে নিয়েই নিরাপদ একটি এলাকা গড়ে তুলব।
আজকের পত্রিকা: সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে সম্মানী ও বরাদ্দের হিসাব জনসমক্ষে প্রকাশ করবেন কি?
হাসান জাফির তুহিন: সরকারের যে গোপনীয় কাজগুলো আছে, সেগুলো বাদ দিয়ে বাকি যা প্রকাশ করা সম্ভব নিয়মমাফিক সেগুলো প্রকাশ করা হবে। স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হবে। এলাকার মানুষ যেন জনপ্রতিধিদের ভুল বুঝতে না পারেন সে জন্য আমার ইচ্ছা আছে, সেগুলো প্রকাশ করার।