মুন্সিগঞ্জের লৌহজং উপজেলার শিমুলিয়া ঘাটে পণ্যবাহী পাঁচ শতাধিক ট্রাক পার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছে। মাত্র ২টি ফেরী চালু থাকায় পর্যাপ্ত ট্রাক পার হতে না পারায় এ সারি আরও দীর্ঘ হচ্ছে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ট্রাকগুলোর চালক ও সহকারীরা।
করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে হঠাৎ সংক্রমণ ও মৃত্যু বেড়ে যাওয়ায় সরকার দেশে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করেছে। শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে ফেরি, লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ রয়েছে। তবে জরুরি সেবার জন্য দু’টি ফেরি চালু রয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন বিআইডব্লিউটিসি শিমুলিয়াঘাটে ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) সাফায়েত আহমেদ। এ হিসেবে পণ্যবাহী ট্রাকও পারাপারের সুযোগ পাচ্ছে।
জনাব শাফায়েত জানান, মাত্র ২টি ফেরী চলছে। রোগী ও লাশবাহী অ্যাম্বুলেন্সের পাশাপাশি পর্যাপ্ত ট্রাক পারাপার করা যাচ্ছে না। তবে, রাত ১২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে ট্রাকগুলো পার করা যাবে।
মাধারীপুরগামী একটি পণ্যবাহী ট্রাকের চালক মো. রুবেল বলেন, লকডাউন আমরাও মানি। কিন্তু ট্রাক পার করার জন্য অন্তত একটি ফেরীর ব্যবস্থা করলেও এমন ভোগান্তিতে পড়তে হত না।
আরেক ট্রাকচালক বলেন, রাতের বেলা পার করার বলা হয়েছে। কিন্তু রাতের আগে পার করে দিলে আমরা তাড়াতাড়ি মালগুলো নিয়ে পৌঁছাতে পারতাম। ঘাটে বেশি সময় থাকলে মালের পিছনে খরচ অনেক বেড়ে যায়।
উল্লেখ্য, গত সোমবার ভোর ৬টায় শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে লঞ্চ ও স্পিডবোট চলাচল বন্ধ করা হয়। তবে এদিন সতেরোটি ফেরির মধ্যে চারটি ফেরি দিয়ে যানবাহন পার করা হয়। তবে মঙ্গলবার আরও দু’টি ফেরি কমিয়ে জরুরি সেবার জন্য দু’টি ফেরি চালু রাখা হয়।