Ajker Patrika

বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: শ্রমমন্ত্রী

সিলেট প্রতিনিধি
বন্ধ শিল্পকারখানা চালুর দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হবে: শ্রমমন্ত্রী
সিলেটে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শ্রমমন্ত্রী। ছবি: আজকের পত্রিকা

বন্ধ শিল্পকারখানা দ্রুতই চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শ্রম ও কর্মসংস্থান এবং প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।

আজ শুক্রবার দুপুরে সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) মসজিদে জুমার নামাজ আদায়, কবর জিয়ারত ও দোয়া মাহফিল শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির উপস্থিত ছিলেন।

আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বন্ধ থাকা শিল্পকারখানা দ্রুতই চালু করার পদক্ষেপ নেওয়া হবে। সিলেটের উন্নয়ন পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘সিলেটের জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের সঙ্গে বসে পরিকল্পনা করব। কাজের মধ্য দিয়ে আমরা আমাদের সক্ষমতা প্রমাণ করব।’

অন্যদিকে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, ‘গত দেড় দশকে দেশের বাণিজ্যিক অবকাঠামো ও ইকোসিস্টেম ধ্বংস করা হয়েছে। অর্থনীতির মধ্যে গতি সঞ্চারের উদ্দীপনা থাকে, তা ছিল না। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে সেই উদ্দীপনা ছিল অনুপস্থিত।’

খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত অর্থনীতির দেশ নয়, এটি বিকাশমান অর্থনীতির দেশ। এখানে প্রতিবছর ২০-২২ লাখ লোক কাজের বয়সে প্রবেশ করে। তাদের কর্মসংস্থানের জন্য যে বিনিয়োগের দরকার, তা হয়নি। ১২-১৩ বছর সেই বিনিয়োগ স্থবিরতা ছিল। গত তিন বছর সেই স্থবিরতা প্রকট আকার ধারণ করে, বিনিয়োগ ছিল শূন্যের কোঠায়।’

আব্দুল মুক্তাদির বলেন, ‘রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে আমাদের পর্বতসমান অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ আছে। এ ছাড়া যে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছি, সেগুলো সম্পর্কিতও বড় চ্যালেঞ্জ রয়েছে। ইতিমধ্যে আমরা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কাজ শুরু করেছি। আগামী দিনে কাজের মধ্য দিয়েই আমাদের চেষ্টার প্রতিফলন দেখবেন।’

এক প্রশ্নের জবাবে বাণিজ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া, একটি গণতান্ত্রিক উত্তরণের মাধ্যমে মানুষ তাদের নেতৃত্ব নির্বাচিত করতে পেরেছে। সেই সঙ্গে মন্ত্রিপরিষদে দুজন মন্ত্রী আছে সিলেটের। আমাদের কাঁধে গুরুদায়িত্ব পড়েছে, এটি প্রতি মুহূর্তে অনুভব করি, সে কারণে দায়িত্ব পেয়ে আনন্দ উপভোগের কোনো সুযোগ নেই।’

বাণিজ্যমন্ত্রী আরও বলেন, ‘পৃথিবীর অন্যান্য দেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে টিকে থাকা আমাদের জন্য চ্যালেঞ্জ। আমরা ইতিমধ্যে এলডিসি ডেফারের জন্য চিঠি দিয়েছি। ট্যারিফ স্ট্রাকচার পরিবর্তনের কারণে আমাদের অনেক প্রতিষ্ঠান চাপে আছে। বিগত সময়ে নানা কারণে শিল্পের যথাযথ বিকাশ হয়নি।’ এ সময় বিনিয়োগ-সহায়ক পরিবেশ তৈরি করতে কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বাণিজ্যমন্ত্রী।

পরে মন্ত্রীদ্বয় হজরত শাহপরান (রহ.) ও গাজী বুরহান উদ্দিন (রহ.)-এর কবর জিয়ারত করেন এবং দক্ষিণ সুরমা উপজেলা বিএনপি আয়োজিত ইফতার মাহফিলে অংশ নেন।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত