যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপকে সামনে রেখে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের উদ্দেশে এক ব্যতিক্রমী বার্তা দিয়েছে নরওয়ে। দেশটির দূতাবাস থেকে বলা হয়েছে, যেহেতু বাংলাদেশ বিশ্বকাপে খেলছে না, তাই ২৮ বছর পর ফুটবলের সবচেয়ে বড় মঞ্চে ফেরা নরওয়েকেই সমর্থন করতে পারেন বাংলাদেশের সমর্থকেরা।
দূতাবাস থেকে দেওয়া ওই বার্তায় নরওয়ে ও বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা তুলে ধরা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথমদিকের দেশগুলোর একটি ছিল নরওয়ে। পাশাপাশি শান্তি প্রতিষ্ঠা, মধ্যস্থতা এবং জলবায়ু ইস্যুতে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দুই দেশই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা, ইতিহাস ও বন্ধুত্বের ভিত্তিতেই গড়ে উঠেছে এই সম্পর্ক।
ওই বার্তায় দুই দেশের মধ্যে বেশ কিছু মিলও তুলে ধরা হয়েছে। নরওয়ে দূতাবাসের ভাষ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও নরওয়ে উভয়ই নদী ও সমুদ্রঘেরা উপকূলীয় দেশ। মাছের প্রতি মানুষের ভালোবাসাও দুই দেশেই সমানভাবে বিদ্যমান। এ ছাড়া আন্তর্জাতিক সহযোগিতা, উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে ন্যায্যতা ও সমতার মূল্যবোধেও মিল রয়েছে দুই দেশের।
বার্তায় আরও বলা হয়, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে তুলনামূলক ছোট। অন্যদিকে নরওয়ে জনসংখ্যার বিচারে ছোট। তবে একটি দিক থেকে দুই দেশের মিল রয়েছে। বৈশ্বিক মঞ্চে বাংলাদেশ-নরওয়ে উভয় দেশই বড় স্বপ্ন দেখে। এ ছাড়া বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা তারকা আর্লিং হালান্ডের উপস্থিতিকেও নরওয়েকে সমর্থনের একটি বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
নরওয়ে দূতাবাস থেকে দেওয়া ওই বার্তার শেষে লেখা হয়েছে, ‘কী বলো, বাংলাদেশ? আন্ডারডগদের পাশে দাঁড়ানোর সময় এসেছে। একসঙ্গে বড় স্বপ্ন দেখার সময় হয়েছে।’