বর্তমানে দেশে ডাকঘর, মোবাইল কোম্পানি ও নিবন্ধিত সিমকার্ডের বিষয়ে পৃথক প্রশ্নের জবাবে জাতীয় সংসদে সেগুলোর সংখ্যা তুলে ধরেছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। আজ মঙ্গলবার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চলমান দ্বিতীয় অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্যের প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য নিলোফার চৌধুরী মনির প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম জানান, বর্তমানে দেশে মোবাইল কোম্পানির সংখ্যা চারটি। কোম্পানিগুলো হলো টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড, রবি আজিয়াটা পিএলসি ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস লিমিটেড।
আর এসব মোবাইল কোম্পানির বৈধ নিবন্ধিত সিমের সংখ্যা ৩২ কোটি ৮২ লাখ বলে জানান টেলিযোগাযোগমন্ত্রী।
নওগাঁ-৫ আসনের সংসদ সদস্য জাহিদুল ইসলামের এক প্রশ্নের জবাবে ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী জানান, বর্তমানে সারা দেশে ফোর-জি প্রযুক্তির প্রবর্তন করা হয়েছে। বাংলাদেশে ফাইভ-জি প্রযুক্তির বাণিজ্যিক সম্প্রসারণের লক্ষ্যে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। বর্তমানে ঢাকা শহরের বিমানবন্দর, রেলস্টেশন এবং গুরুত্বপূর্ণ আবাসিক ও বাণিজ্যিক এলাকাসহ প্রায় ৪০টি পয়েন্টে এবং ঢাকার বাইরে চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, রাজশাহী, রংপুর, বরিশাল, খুলনা, সিলেটসহ বিভাগীয় পর্যায়ে দেশের প্রায় ৪০০টির বেশি স্থানে সীমিত পরিসরে ফাইভ-জি সেবা চালু রয়েছে।
সরকারদলীয় এমপি খায়রুল কবির খোকনের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে বর্তমানে ৯ হাজার ৮৪৮টি ডাকঘর রয়েছে। তার মধ্যে জেনারেল পোস্ট অফিস ৪ টি, এ গ্রেড ডাকঘর ২৩টি, বি গ্রেড প্রধান ডাকঘর ৪৫, উপজেলা ডাকঘর ৪০৮, সাব পোস্ট অফিস ৯৩০, শাখা পোস্ট অফিস ১০, ইডি সাব পোস্ট অফিস (ইডিএসও) ৩১৯ এবং ইডি শাখা পোস্ট অফিস (ইডিবিও) রয়েছে ৮ হাজার ১০৯টি।
এ ছাড়াও সরকারের ভেঞ্চার ক্যাপিটাল প্রতিষ্ঠান ‘স্টার্টআপ বাংলাদেশ’-এর মাধ্যমে এই পর্যন্ত ৩৬টি প্রযুক্তিনির্ভর ও উদ্ভাবনী স্টার্টআপ চূড়ান্ত হয়েছে এবং সেখানে প্রায় ১০৯ কোটি টাকা বিনিয়োগ করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আশরাফ উদ্দিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান তিনি।