ময়মনসিংহ সদরে নিখোঁজের দুই দিন পর একটি পুকুর থেকে বিজন বর্মণ (২৫) নামে এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। তিনি মুক্তাগাছা উপজেলার একটি ওষুধের দোকানে চাকরি করতেন। মাদক সেবনকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড বলে দাবি পরিবারের।
আজ রোববার বেলা ১২টার দিকে উপজেলার বেগুনবাড়ি এলাকার একটি পুকুর থেকে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
বিজন বর্মণ ওই এলাকা মাছ ব্যবসায়ী হরিপদ বর্মণের ছেলে। দুই ভাই ও এক বোনের সংসারে তিনি ছোট। তাঁর এক বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। অপর ভাই ধীরেন্দ্র বর্মণ ওষুধ ব্যবসায়ী।
বিজন বর্মণের জ্যাঠাতো ভাই সুব্রত বর্মণ জানান, গত শুক্রবার রাতে মুক্তাগাছা থেকে ফিরে মাদকাসক্ত বন্ধুদের সঙ্গে ময়মনসিংহ শহরে যান বিজন। সেখান থেকে মাদকাসক্ত অবস্থায় বাড়িতে আসেন। রাত ১২টার দিকে আবার এলাকার বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে একটি জঙ্গলে আড্ডা দিচ্ছিলেন বলে স্থানীয় লোকজন দেখতে পায়। এরপর আর বাড়ি ফেরেননি। গতকাল শনিবারও দিনভর খোঁজাখুঁজি করে হদিস মেলেনি। আজ সকালে বাড়ি থেকে একটু দূরে পুকুরে কচুরিপানায় মরদেহ ভাসতে দেখে এলাকাবাসী থানায় খবর দেয়। পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে এবং পরিবারের লোকজন বিজনের মরদেহ শনাক্ত করে।
ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহাম্মদ শিবিরুল ইসলাম বলেন, বিজন বর্মণ মাদকাসক্ত ছিলেন। গত শুক্রবার মাদকাসক্ত হয়ে বাড়ি ফেরার পথে একটি দোকানের সামনে পড়ে যান। পরে ওই দোকানি বাড়ির লোকজনকে খবর দিলে তাঁকে উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, বিজন বর্মণ আবার বাড়ি থেকে বেরিয়ে বাড়ির পাশে জঙ্গলে চলে যান। পরে পরিবারের লোকজন তাঁকে খুঁজতে জঙ্গলে যান। এরপর নিখোঁজ ছিলেন। আজ বাড়ির পাশে পুকুরে মরদেহ ভাসতে দেখে লোকজন থানায় খবর দেয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে। তবে, বিজনের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি।