Alexa
রোববার, ২৩ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

পর্যটক বাড়ছে পাহাড়ে

আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর ২০২১, ১৩:৪০

পর্যটকদের পদচারণায় মুখর আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্র। ছবি: আজকের পত্রিকা দেশের অন্যতম পর্যটন এলাকা খাগড়াছড়ি। শীতকালীন ভ্রমণ মৌসুমে প্রতিবছরের মতো এবারও পর্যটকদের সমাগম বেড়েছে এ জেলায়। কয়েক দিন ধরে জেলার অধিকাংশ পর্যটনকেন্দ্রেই পর্যটকদের বাড়তি ভিড় দেখা গেছে। চলতি মাস থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পাহাড়ে পর্যটকদের ভিড় থাকবে বলে আশা করছেন পর্যটন ব্যবসায়ীরা।

গতকালও গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি উপেক্ষা করে অসংখ্য পর্যটক এসেছে খাগড়াছড়িতে। আলুটিলার প্রাকৃতিক সুড়ঙ্গ, ঝুলন্ত ব্রিজ, তারেং, রিছাং ঝরনাসহ বিভিন্ন দর্শনীয় স্থানে পর্যটকদের ভিড় দেখা গেছে।

ঢাকা থেকে বেড়াতে আসা পর্যটক নুরুল ইসলাম মানিক বলেন, ‘আমি পরিবার নিয়ে বেড়াতে এসেছি। খাগড়াছড়ির পাশাপাশি সাজেক ভ্রমণ করেছি। এখানকার পাহাড়, মেঘ, গুহা দেখে মুগ্ধ হয়েছি। আমরা যুক্তরাষ্ট্রেও ভ্রমণ করেছি। তবে নিজের দেশ বেশি সুন্দর লাগে। পুরো পরিবার নিয়ে ভ্রমণ উপভোগ করেছি।’

আরেক পর্যটক মালিহা বলেন, ‘আমার কাছে সাজেকটা খুব ভালো লেগেছে। বিশেষ করে কংলাক পাহাড় থেকে সূর্যাস্ত দেখেছি। এটা বেশ ভালো লাগল। খাগড়াছড়িতে এসে প্রাকৃতিক গুহা দেখেছি। এটা বেশ রোমাঞ্চকর। এখানে যাতায়াতের পথও বেশ সুন্দর।’

খাগড়াছড়িতে আলুটিলায় ঘুরতে আসা পর্যটক নুসরাত বলেন, ‘আমরা খুব অল্প সময়ের জন্য এসেছি। কিন্তু কোনো স্পট বাদ দিইনি। সবখানেই ঘুরে বেড়িয়েছি। সাজেক, রিছাং ঝরনা, তারেং, আলুটিলা ঘুরেছি। দুই দিনের ভ্রমণ হলেও বেশ উপভোগ্য ছিল। খাগড়াছড়ি আসলেই খুব সুন্দর।’

আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রের তত্ত্বাবধায়ক চন্দ্র কিরণ ত্রিপুরা জানান, প্রতিদিন আলুটিলা পর্যটনকেন্দ্রে প্রায় ৫০০ পর্যটক আসছেন। তবে শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষার কারণে এখনো পর্যটকের সংখ্যা কিছুটা কম। সামনের পর্যটন মৌসুমে পর্যটকের সমাগম আরও বাড়বে। এ ছাড়া খাগড়াছড়ির প্রধান পর্যটনকেন্দ্র আলুটিলায় পর্যটনবান্ধব স্থাপনা নির্মাণ হচ্ছে। এর মধ্যে ঝুলন্ত ব্রিজ, নন্দন পার্ক অন্যতম। এসব স্থাপনার নির্মাণকাজ শেষ হলে আলুটিলায় পর্যটকসমাগম আরও বাড়বে।

খাগড়াছড়ি আবাসিক হোটেল ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক এস অনন্ত বিকাশ ত্রিপুরা বলেন, ‘প্রতিবছরের ন্যায় এবারও শীত মৌসুমে খাগড়াছড়িতে পর্যটকদের বিপুল সমাগম হয়েছে। এটা দিন দিন আরও বাড়বে। পাহাড়, অরণ্য, ঝরনা দেখতে পাহাড়ে ছুটে আসে ভ্রমণপিপাসু মানুষ। সারা বছর পর্যটক এলেও শীতে সেই সংখ্যাটা বাড়তে থাকে। অতিথি বাড়ায় করোনাকালে যে ক্ষতি হয়েছে, তা পুষিয়ে উঠতে পারব। প্রতি মাসে পর্যটন মৌসুমে লেনদেন হয় প্রায় ১০ কোটি টাকা।’

পর্যটকদের ভাড়াচালিত যানবাহন সরবরাহকারী জিপ সমিতির লাইন নিয়ন্ত্রক অরুণ দে জানান, ‘এই মৌসুমে পর্যটকসমাগম বেশি হয়। পুরো শীতকালে পর্যটকসমাগম বাড়বে। প্রতিদিন গড়ে অন্তত ৮০টি গাড়ি খাগড়াছড়ি-সাজেকে যাতায়াত করে। তবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ার কারণে পর্যটকবাহী গাড়িভাড়া ৬০০ টাকা বাড়ানো হয়েছে।’

খাগড়াছড়ি ট্যুরিস্ট পুলিশের ইনচার্জ বিজন দাশ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘জেলা আলুটিলা, জেলা পরিষদ পার্ক এবং রিছাং ঝরনা এলাকায় পর্যটকদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়। এসব এলাকায় টহল দল কাজ করছে। মৌসুম ছাড়াও সারা বছর পর্যটকদের নিরাপত্তা দেওয়া হয়।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    বয়স্ক ভোটারদের ইভিএমভীতি

    কুবিতে পরিক্ষা সশরীরেই

    বেহাল ৫ সড়কে দুর্ভোগ

    হত্যার ভয় দেখিয়ে গৃহবধূকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ, ৭০ হাজার টাকায় রফা

    যেভাবে কাটবেন ফুটবল বিশ্বকাপের টিকিট

    প্রশ্নফাঁসে জড়িত রূপাকে বগুড়া জেলা আ. লীগ থেকে অব্যাহতি 

    ইসি গঠনের আইন নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে বিএনপি: কাদের

    বিয়ের দাওয়াত খেয়ে বাড়ি ফেরা হলো না যুবকের

    ব্ল্যাকমেল চক্রের সদস্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী