Alexa
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

বঙ্গবন্ধুর শাসনব্যবস্থা নিয়ে গবেষণা করতে মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রীর আহ্বান

আপডেট : ০৪ ডিসেম্বর ২০২১, ১৭:৩০

অনুষ্ঠানে ফিতা কেটে অংশ নেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক এমপি। ছবি: আজকের পত্রিকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন দিক নিয়ে গবেষণা করতে সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। আজ শনিবার রাজধানীর বিয়াম ফাউন্ডেশন মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশের স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উদ্‌যাপন উপলক্ষে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের অবদান সম্পর্কে স্মৃতিচারণামূলক এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। 

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু শুধু দেশ স্বাধীনই করেননি, দেশ কীভাবে চললে উন্নত ও মর্যাদাশীল জাতি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে তার পরিপূর্ণ দিকনির্দেশনাও দিয়ে গেছেন।’ 

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আরও বলেন, বঙ্গবন্ধু কেবল ক্যারিশমাটিক নেতাই ছিলেন না, কূটনীতিক হিসেবেও অনন্য ছিলেন তিনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের মিত্রবাহিনীর সদস্যরা এখনও বিভিন্ন দেশে অবস্থান করছেন, কিন্তু বঙ্গবন্ধু মাত্র তিন মাসের মধ্যে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর সদস্যদের নিজ দেশে ফেরত পাঠান। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ তিনি স্বল্পসময়ের মধ্যে পুনর্গঠন করেন। 

এ ছাড়া এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন। প্রতিমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বাস্তবায়নে বর্তমান সরকার কাজ করে যাচ্ছে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধের মূল লক্ষ্য ছিল বাংলাদেশকে শোষণ-বৈষম্যহীন রাষ্ট্রে পরিণত করা। জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এ দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে প্রতিষ্ঠিত।’ 

প্রতিমন্ত্রী এ সময় উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রেখে দেশকে উন্নত সমৃদ্ধ রাষ্ট্রে পরিণত করতে সরকারি কর্মচারীদের মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বুকে ধারণ করে কাজ করার আহ্বান জানান। 

অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদবিষয়ক উপদেষ্টা ড. তৌফিক-ই-ইলাহী চৌধুরী বীর বিক্রম, সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও অর্থ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল হাসান মাহমুদ আলী এমপি এবং সাবেক সচিব মো. শাহজাহান সিদ্দিকী বীর বিক্রম মুক্তিযুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের অবদান সম্পর্কে স্মৃতিচারণা করেন। 

এ সময় বক্তারা স্বাধীনতাযুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের সরাসরি অংশগ্রহণ, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে বিশ্ব জনমত গঠন, মুজিবনগর সরকারের দায়িত্ব পালন, মুক্তিযোদ্ধাদের অস্ত্র সংগ্রহে সহযোগিতা, আশ্রয় প্রদান ইত্যাদি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের কথা স্মরণ করেন। 

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম। বিয়াম ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ড. এম. মিজানুর রহমান অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধে সরকারি কর্মকর্তাদের অবদানের ওপর একটি প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। এ ছাড়া স্বাধীন বাংলা বেতারকেন্দ্রের বিশিষ্ট শিল্পীরা অনুষ্ঠানে সংগীত পরিবেশন করেন। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    রাউজানে আড়াই হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া জন্মনিবন্ধন, যুবকের কারাদণ্ড

    ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের মূলে বুকিং সহকারী

    প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কমিটির বিরুদ্ধে অভিভাবকদের মানববন্ধন

    রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ছাদ থেকে পড়ে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু

    রাউজানে আড়াই হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া জন্মনিবন্ধন, যুবকের কারাদণ্ড

    ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের মূলে বুকিং সহকারী

    ২০২২ সাল হবে রাজনীতির সংকটকাল: সুলতান মনসুর

    প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কমিটির বিরুদ্ধে অভিভাবকদের মানববন্ধন

    রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ছাদ থেকে পড়ে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু

    আগামী নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপ করার আহ্বান হারুনের