Alexa
শনিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

মেসি-রোনালদো না থাকলে ব্যালন ডি’অর জিততেন তাঁরা

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ২২:২৭

জাভি হার্নান্দেজ, ম্যানুয়েল নয়্যার ও নেইমার জুনিয়র। ছবি: সংগৃহীত ২০০৮ থেকে ব্যালন ডি’অরের পৃথিবীতে শুরু হয় ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো আর লিওনেল মেসির রাজত্ব। সেই রাজত্ব এখনো চলছে। মাঝে একবার ২০১৮ সালে দেয়ালটা ভাঙতে পেরেছিলেন লুকা মদরিচ। ২০২০ সালে লেভানডফস্কির জেতার সম্ভাবনা থাকলেও গত বছর পুরস্কারটি দেওয়াই হয়নি। তবে এমন অনেকেই আছেন যাঁরা দারুণ খেলেও শুধু মেসি-রোনালদোর সময়ে জন্ম নেওয়ায় জিততে পারেননি ব্যালন ডি’অর। সেই তারকাদের নিয়েই এ আয়োজন।

ফার্নান্দো তোরেস (২০০৮)

২০০৭-০৮ মৌসুমে দারুণ ছন্দে ছিলেন স্প্যানিশ তারকা ফার্নান্দো তোরেস। লিভারপুল ও স্পেনের হয়ে করেছেন দারুণ সব গোল। ক্লাবের হয়ে ৪৬ ম্যাচে ৩৩ গোলের পাশাপাশি ইউরোর ফাইনালে স্পেনের জয়সূচক গোলটিও আসে তাঁর কাছ থেকে। ওই টুর্নামেন্টের নায়কও তোরেস। তবে ব্যালন ডি’অরের লড়াইয়ে তোরেসকে হার মানতে হয়েছে অবিশ্বাস্য ছন্দে থাকা রোনালদোর কাছে।

জাভি হার্নান্দেজ (২০০৯)

২০০৯ সালে ধারাবাহিক দুর্দান্ত খেলার পরও সতীর্থ মেসির কাছে হার মানতে হয় জাভি হার্নান্দেজকে। পেপ গার্দিওলার বার্সেলোনার মাঝ মাঠের অন্যতম খেলোয়াড় ছিলেন জাভি। মেসির দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পেছনেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান ছিল জাভির। সেবার মেসি না থাকলে পুরস্কারটা নিশ্চিতভাবেই জাভির হাতে উঠতে পারত। ২০১১ সালেও মেসি-রোনালদো না থাকলে পুরস্কার জিততে পারতেন জাভি।

আন্দ্রেস ইনিয়েস্তা (২০১০)

স্পেনের সর্বকালের সেরা দলের মাঝমাঠের ‘আর্কিটেক্ট’ ছিলেন তিনি। স্পেনের ২০১০ বিশ্বকাপ জয়ের নায়কও। ফাইনালে শিরোপাটা এসেছিল ইনিয়েস্তার গোলেই। বার্সেলোনার হয়েও ছিলেন দারুণ ছন্দে। এমন নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পরও পেছনে ফেলতে পারেননি মেসিকে। ২০১২ সালেও মেসি ও রোনালদো না থাকলে পুরস্কার জেতার সুযোগ ছিল ইনিয়েস্তার।

ম্যানুয়েল নয়্যার (২০১৪)

২০১৪ সালে বায়ার্ন মিউনিখের জার্মান গোলরক্ষক ম্যানুয়েল নয়্যার ব্যালন ডি’অরের জোরালো দাবিদার ছিলেন। জার্মানিকে চতুর্থ বিশ্বকাপ এনে দেওয়ার অন্যতম নায়ক তিনি। কিন্তু নয়্যারও পারেননি মেসি-রোনালদোর ধারাটায় চিড় ধরাতে।

নেইমার জুনিয়র (২০১৫)

মেসি-রোনালদোর সামনে সবচেয়ে বড় হুমকি বিবেচনা করা হচ্ছিল ব্রাজিলিয়ান তারকা নেইমারকে। বার্সার হয়ে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৯ গোল করেছিলেন নেইমার সেবার। গোলের পাশাপাশি মাঠে তাঁর উপস্থিতিও ছিল দাপুটে। কিন্তু সতীর্থ মেসির ছায়ায় ঢাকা পড়েন তিনিও।

আতোয়াঁ গ্রিজমান (২০১৬)

আতলেতিকো মাদ্রিদ ও ফ্রান্সের হয়ে ক্যারিয়ারের সেরা ছন্দে ছিলেন গ্রিজমান। কোনো শিরোপা জেতা না হলেও মাঠে তাঁর প্রভাব ছিল অবিশ্বাস্য! আতলেতিকোকে চ্যাম্পিয়নস লিগের ফাইনালে তোলার পাশাপাশি ফ্রান্সকে নিয়ে গিয়েছিলেন ইউরোর ফাইনালে। তবে শিরোপা জেতাতে পারেননি দলকে। নিজেও শেষ পর্যন্ত ব্যালন ডি’অর জিততে পারেননি।

ভার্জিল ফন ডাইক (২০১৯)

ডিফেন্ডারদের জন্য ব্যালন ডি’অর জেতা সব সময়ই কঠিন। কিন্তু সেই সম্ভাবনা উজ্জ্বল করেছিলেন লিভারপুলের ডাচ ডিফেন্ডার ফন ডাইক। অল রেডদের চ্যাম্পিয়নস লিগ শিরোপা এনে দেওয়ার পাশাপাশি নেদারল্যান্ডসকে নিয়ে গিয়েছিলেন নেশনস লিগের ফাইনালে। কিন্তু মেসির কাছে হেরে দুই নম্বরে থেকেই খুশি থাকতে হয় তাঁকে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    কল্যাণকামিতা ও মানবতার ধর্ম

    ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ধসের শঙ্কা

    খেজুর রসের স্বাদ ভুলতে বসেছে নতুন প্রজন্ম

    পরিত্যক্ত ছাত্রাবাস এখন মাদকসেবীদের আখড়া

    দুই বছর ধরে অকেজো আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন

    কর্মসৃজন প্রকল্পে শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম

    রূপগঞ্জে যমুনা টেলিভিশনের গাড়িতে হামলা, সাংবাদিককে মারধর

    প্রথম নাসিক নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন ৩ নির্বাচন কমিশনার

    যাত্রীদের নিরাপত্তায় চট্টগ্রাম রেলওয়ে স্টেশনে নিরাপত্তা বেড়া

    নিখোঁজের ১৩ দিন পর বৃদ্ধের মরদেহ উদ্ধার

    শিক্ষককে মারধর করে অব্যাহতিপত্রে সাক্ষর নেওয়ার অভিযোগ

    চবির হলে জ্বর-সর্দির প্রকোপ, করোনা পরীক্ষায় অনীহা