Alexa
মঙ্গলবার, ২৫ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

নগদ টাকার সংকট

এক মাসের জন্য স্থগিত টাকা উত্তোলন

আপডেট : ০৩ ডিসেম্বর ২০২১, ১৯:৩১

এক মাসের জন্য স্থগিত টাকা উত্তোলন কেন্দ্রীয় ব্যাংক টাকার প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে মূল্যস্ফীতি সহনীয় পর্যায়ে রাখার কৌশল অবলম্বন করে। টাকার প্রবাহ বেড়ে গেলে বিভিন্ন উপকরণ ব্যবহার করে বাজার থেকে উদ্বৃত্ত অর্থ তুলে নেয় বাংলাদেশ ব্যাংক। সাধারণত বাণিজ্যিক ব্যাংকের আমানতের বিপরীতে তাদের (ব্যাংকগুলোর) বাধ্যতামূলক নগদ জমার হার (সিআরআর) বাড়িয়ে বাজার থেকে টাকা তুলে নেওয়া হয়।

মূল্যস্ফীতির চাপ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক নগদ টাকার সংকটে পড়া বিভিন্ন ব্যাংকের কাছে ডলার বিক্রি করে। এ লক্ষ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত তিন মাসে তুলে নিয়েছে প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা। এতে বিভিন্ন ব্যাংকে নগদ টাকার প্রবাহে সংকট সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি ব্যাংক সংকটের কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের দ্বারস্থ হয়। এমন পরিস্থিতিতে নগদ টাকার সংকট ঠেকাতে বাজার থেকে টাকা উত্তোলন এক মাসের জন্য স্থগিত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ সিদ্ধান্ত ১ ডিসেম্বর থেকে কার্যকর করা হয়েছে। তবে বাজার পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে এ বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, চলতি অর্থবছরের আগস্ট থেকে পণ্য আমদানি বেড়ে গিয়ে আমদানি ব্যয়ও বাড়ে। জুলাই-সেপ্টেম্বর অর্থাৎ তিন মাসে আমদানি ব্যয়ের প্রবৃদ্ধি ৪৮ শতাংশ লক্ষ করা গেছে, যা আগের বছর ছিল ঋণাত্মক সাড়ে ১১ শতাংশ। বিপরীতে গত জুলাই থেকে ধারাবাহিকভাবে কমেছে রেমিট্যান্স প্রবাহ। ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি এবং রেমিট্যান্স প্রবাহ কমতে থাকায় বাজারে ডলারের সংকট বেড়ে যায়। এ সংকট ঠেকাতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ থেকে সংকটে পড়া ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করে।

করোনার কারণে গত প্রায় দুই বছর ধরে বিনিয়োগ চাহিদা কমে যায়। একই সঙ্গে বিদেশ থেকে প্রচুর পরিমাণে রেমিট্যান্স দেশে আসে। এ সময় বিনিয়োগ চাহিদা কম থাকায় কমে যায় বৈদেশিক মুদ্রার ব্যবহারও। এতে প্রতিটি ব্যাংকের হাতে উদ্বৃত্ত পরিমাণ ডলার ছিল। তখন বাজারে ডলারের চাহিদা কম থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে ডলার কিনে নেয়। বাজারে প্রণোদনার আওতায় নগদ টাকাও সরবরাহ করা হয়। সব মিলে বাজারে প্রচুর পরিমাণ অর্থ উদ্বৃত্ত ছিল। যার ফলে ব্যাংকগুলা আমানত সংগ্রহে আগ্রহ কম দেখায়। এতে আমানত প্রবাহের গতিও মন্থর হয়ে পড়ে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র এবং নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, বিনিয়োগ চাহিদা কম থাকলে ব্যাংকের হাতে অর্থ উদ্বৃত্ত থাকে। সেই অর্থের ব্যবস্থাপনা ব্যয় কমাতে সহজ শর্তে বিনিয়োগ করা হয়। তখন মানুষের হাতে অর্থ চলে যায়। একই সঙ্গে পণ্য কেনার প্রতিযোগিতাও বেড়ে যায়। তখন মূল্যস্ফীতি বেড়ে যায়।

সিরাজুল ইসলাম আরও বলেন, মূল্যস্ফীতি বাড়লে সাধারণ ভোক্তার দুর্ভোগ বেড়ে যায়। মূল্যস্ফীতি সহনীয় রাখতে তাই বাংলাদেশ ব্যাংক বাজার থেকে টাকা তুলে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার নীতি অনুসরণ করে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিদ্যালয় চালু রাখার দাবি

    কবর খুঁড়ে কঙ্কাল চুরি

    এ যুগের কুম্ভকর্ণ

    ছয় দিন পর শিক্ষার্থীদের টিকাদান আবার শুরু

    শ্রীবরদীতে মই দৌড় প্রতিযোগিতা

    সড়কের অভাবে নিঃসঙ্গ সেতু

    বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোতে চাকরি

    শক্তিশালী ইসি গঠনে আইন প্রণয়ন করছে সরকার: কাদের

    হাসপাতাল থেকে নবজাতক চুরি

    এমপির বিরুদ্ধে গরু চুরির অভিযোগ তুললেন যুবলীগ নেতা

    রামেকের করোনা ইউনিটে ৩ জনের মৃত্যু

    গত ২০ দিনে সাফারি পার্কে ৯ জেব্রার মৃত্যু