Alexa
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

অবৈধ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ

আপডেট : ০২ ডিসেম্বর ২০২১, ০১:২৩

অবৈধ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের উদ্যোগ দেশের বিভিন্নস্থানে অবৈধভাবে গজিয়ে ওঠা ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়া পরিচালিত অবৈধ ব্যাংকিং কার্যক্রম বন্ধ করতে সম্প্রতি সাত সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। 
 
এ ব্যাপারে বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র সিরাজুল ইসলাম জানান, আদালতের আদেশে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি খুব শিগগিরই কাজ শুরু করবে। 
 
জানা গেছে, সম্প্রতি কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ডেপুটি গর্ভনর কাজী ছাইদুর রহমানকে প্রধান করে সাত সদস্য বিশিষ্ট এ সংক্রান্ত একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যরা হলেন—বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. সিরাজুল ইসলাম, ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-১ এর মহাব্যবস্থাপক জীবন কৃষ্ণ রায়, ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশনের মহাব্যবস্থাপক মো. আনোয়ারুল ইসলাম, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও বাজার বিভাগের মহাব্যবস্থাপক মো. জুলকার নায়েন, ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগের (ডিভিশন-১) মহাব্যবস্থাপক মাকসুদা বেগম ও ব্যাংক পরিদর্শন বিভাগ-৪ এর উপ-মহাব্যবস্থাপক মুনীর আহমেদ চৌধুরী। 

এই কমিটি দেশে অবৈধ ব্যাংকিং কার্যক্রম সংক্রান্ত বিষয়গুলো পর্যালোচনা করে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেবে। কমিটি অবৈধ প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করতে পারবে। এছাড়া আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় এসব প্রতিষ্ঠান বন্ধও করে দিতে পারবে। এসব নির্দেশনা বাস্তবায়ন সম্ভব হলে দেশের বিভিন্নস্থানে গজিয়ে ওঠা অবৈধ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ব্যবসা বন্ধ হতে পারে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন। 

উল্লেখ্য ব্যাংক কোম্পানি আইনের ১০৯ ধারা অনুযায়ী যথাযথ লাইসেন্স ব্যাতীত ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনার ক্ষেত্রে ৭ বছরের জেল ও ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানার বিধান রয়েছে। 

হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী কমিটি গঠনের তথ্য প্রতিবেদন আকারে আদালতে জমা দেওয়ার জন্য হলফনামা করা হয়েছে। এর আগে এক রিট আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২৭ সেপ্টেম্বর একটি বিশেষ কমিটি গঠনে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতি নির্দেশনা দেন হাইকোর্ট। 

এ তদন্তকালে কোনো অননুমোদিত বা লাইসেন্সবিহীন প্রতিষ্ঠান পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক স্থানীয় প্রশাসনের সহযোগিতা নিয়ে সেগুলো বন্ধ করে আইনগত ব্যবস্থা নিতেও নির্দেশ দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এছাড়া ঋণদানকারী স্থানীয় সুদকারবারীদের তালিকা দিতেও মাইক্রোক্রেডিট রেগুলেটরি অথরিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ৪৫ দিনের মধ্যে এসব বিষয়ে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়েছে। 

এদিকে, দেশের বিভিন্নস্থানে অবৈধভাবে অনেক প্রতিষ্ঠান কেন্দ্রীয় ব্যাংকের লাইসেন্স ছাড়াই নামের পাশে ব্যাংক শব্দ যুক্ত করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এসব প্রতিষ্ঠান অনেক সময় জনগণের টাকা নিয়ে উধাও হয়েও যাচ্ছে। এ বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনের আলোকে দায়ের করা রিটের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত বাংলাদেশ ব্যাংককে কমিটি গঠন করার নির্দেশ দিয়েছেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ইউএস-বাংলার ঢাকা-শারজা রুটে ফ্লাইট শুরু ৩০ জানুয়ারি

    ২০০০ টাকায় যাত্রা শুরু ‘নকশি লাইফস্টাইল’-এর

    ‘নগদ’-এর মাধ্যমে ব্যাংকিং সেবা দেবে বাংলাদেশ ফাইন্যান্স

    কিউকমের ২০ গ্রাহক পেলেন ৪০ লাখ টাকা

    দেশীয় ভেঞ্চার ক্যাপিটালের বিনিয়োগ পেল বেস্ট এইড

    ২০২২ সাল হবে রাজনীতির সংকটকাল: সুলতান মনসুর

    প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কমিটির বিরুদ্ধে অভিভাবকদের মানববন্ধন

    রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ছাদ থেকে পড়ে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু

    আগামী নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে সংলাপ করার আহ্বান হারুনের 

    নাচ শেখার অনুষ্ঠান ‘নাচের ইশকুল’

    দ্বিতীয়বার করোনায় আক্রান্ত আফ্রিদি