Alexa
শনিবার, ২২ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

কতটা এগিয়েছি, পিছিয়েছি কতটা?

আপডেট : ০১ ডিসেম্বর ২০২১, ১০:৫৯

কতটা এগিয়েছি, পিছিয়েছি কতটা? ডিসেম্বর মাস এলে বাঙালির যুদ্ধ বিজয়ের স্মৃতিগুলো ফিরে আসে; বিশেষ করে এই কারণে যে, সময় বয়ে যাচ্ছে অথচ অঙ্গীকার আজও অপূর্ণ কিংবা ব্যর্থ। প্রাপ্তি কেবলই স্মৃতির সুখ-দুঃখে বহমান। হ্যাঁ, অর্জন অবশ্যই ঘটেছে, যা জাতি স্বাধীন না হলে ছিল দূর-কল্পনা। যেমন অর্জন হয়েছে নগরায়ণে। অপরিকল্পিত নগরায়ণ, উঁচু বাড়ি আর সুপার মার্কেট। নগরের ধারণক্ষমতার বাইরে নতুন-পুরোনো গাড়ি আমদানি, পরিবেশ বিপর্যয়। মানুষ তো অবশ্যই, নগরের এমন একটি গাছ বা লতাগুল্মের সবুজ পাতা নেই, যা বিষাক্ত গ্যাস, বর্জ্য আর ধুলায় আচ্ছাদিত নয়। ওরা নিশ্বাস-প্রশ্বাসের কাজেও স্বাভাবিক স্বাধীনতা হারিয়েছে। আগের তুলনায় জনগণের স্নায়ুর ওপর চাপ যে শত গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। মানুষ অস্থির, দুশ্চিন্তায় পতিত, বলতে গেলে মানসিক ভারসাম্য রক্ষার চেষ্টায় বিব্রত। জাতীয় জীবনে এই যে মানসিক বিপর্যয়, এটি জাতীয় সম্পদের বিনাশের যেকোনো মাত্রার চেয়ে কম ক্ষতিকারক নয়।

আমরা বর্তমানে একটি ক্রান্তিকাল অতিক্রম করছি। ইতিহাসে ক্রান্তিকালের শেষ নেই। মানুষ সব সময়ই নতুন কালে পৌঁছাতে চায়। সেই পৌঁছাতে পারা না-পারাটাই বড় প্রশ্ন। স্বাধীনতার পরে আমরা কতটা এগিয়েছি, পিছিয়েছি কতটা, সেই জিজ্ঞাসা আমাদের আছে এবং থাকাটা জরুরিও বটে। অস্বীকার করার উপায় নেই যে মানুষের নিরাপত্তা একেবারেই বাড়েনি। আইনশৃঙ্খলা ব্যবস্থার উন্নতির জন্য র‍্যাব নামানো হয়েছে; চিতা, কোবরা ইত্যাদি ভয়ংকর সব প্রাণীর কথা শোনা যায়। সন্ত্রাস দিয়ে সন্ত্রাস নির্মূল করার যে চেষ্টা, তা কোনো দেশে কখনো কার্যকর হওয়ার নয়, হবেও না। র‍্যাব অনেকটা আগের রক্ষীবাহিনীর মতো কাজ করছে। রক্ষীবাহিনীর অভিজ্ঞতা মোটেই সুখপ্রদ ছিল না, এমনকি তার স্মৃতিও মর্মান্তিক। র‍্যাব সন্ত্রাসীদের হত্যা করছে বলে ধারণা তৈরি করা হচ্ছে, কিন্তু সন্ত্রাসীদের পেছনে যারা আছে, র‍্যাব তাদের স্পর্শ পর্যন্ত করতে পারেনি এবং পারছে না; বরং মনে হচ্ছে সাক্ষীকে নির্মূল করে আসামিকে রক্ষা করার চেষ্টা চালানো হচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন প্রবীণ অধ্যাপককে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছিল, জয়পুরহাটে কলেজের একজন অধ্যক্ষকে হত্যা করার চেষ্টা নেওয়া হয়েছিল, ‘বাংলা ভাই’ যাকে ইচ্ছা ধরে এনে খুন করছে, এসব ক্ষেত্রে র‍্যাবের কোনো তৎপরতা ছিল না। পরবর্তী সময়ে গণরোষে এবং নিজেদের অস্তিত্বের জন্য তাদের নির্মূল করতে বাধ্য হয়েছিল তখনকার সরকার।

ওদিকে ক্ষমতাসীনেরা রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্র প্রতিষ্ঠার চেষ্টায় রয়েছে। দুই দিকে দুই রাজপুত্রের আবির্ভাব ঘটার সংবাদ তো ইতিমধ্যে সবাই জেনেছে। শাসকশ্রেণির রাজনীতি যে আজ কতটা অন্তঃসারশূন্য হয়ে পড়েছে, এ তারই নতুন প্রমাণ। জনগণ এদের সঙ্গে নেই। কিন্তু জনগণের সামনে কোনো বিকল্পও নেই। বাংলাদেশের রাজনীতির আসল সংকট এটাই। অনেক হট্টগোল করে সরকার শেষ পর্যন্ত একটি দুর্নীতি দমন কমিশন গঠন করেছিল। এই কমিশন যে কতটা স্বাধীন ও নিরপেক্ষ হবে, তা নিয়ে শুরু থেকেই সন্দেহ দেখা দিয়েছিল। সেটা যে অমূলক ছিল না, তার প্রমাণ তো আমরা পেয়ে এসেছি। বস্তুত বর্তমান রাষ্ট্র ও সমাজব্যবস্থার কোনো কিছুর ওপরই মানুষের আস্থা নেই। তবু যে সরকার টিকে আছে আমলাতন্ত্রের ওপর ভর করে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে ব্যাপকভাবে ব্যবহার করে। আরেকটি কারণ, জনগণ সংঘবদ্ধ নয়, এ সুযোগটিকে কাজে লাগিয়েছে। অস্বীকার করা যাবে না জনগণকে সংঘবদ্ধ হতেও দেয়নি সরকার; বরং ক্রমাগত বিচ্ছিন্ন করার নানা অগণতান্ত্রিক পন্থা অবলম্বন করে এসেছে।

শিল্প হোক, সংস্কৃতি হোক, রাজনীতি হোক, সবারই দাঁড়ানোর ভূমি হচ্ছে অর্থনীতি। পুঁজিবাদী অর্থনীতি বিশ্বময় আজ ভয়ংকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশে যে নৈরাজ্য চলছে, তা মোটেই বিচ্ছিন্ন একান্ত দেশীয় কোনো বিষয় নয়; আগ্রাসী সাম্রাজ্যবাদী অর্থনৈতিক মহা দানবীয় তৎপরতারই অবিচ্ছিন্ন অনিবার্য ফল। কেবল এশিয়া, আফ্রিকা বা লাতিন আমেরিকা নয়, সাম্রাজ্যবাদ তার জন্মভূমি ইউরোপেও আগ্রাসী থাবা বিস্তার করেছে। অতীতে ইউক্রেনের নির্বাচনকে কাজে লাগিয়ে দেশটিকে তারা দুই টুকরো করার চেষ্টা করছে। জাতিসংঘকে কেবল নির্বীর্য করেই থেমে থাকেনি, দুর্নীতি আর ঘুষ কেলেঙ্কারিতেও ডুবিয়ে দিয়েছে। তবে মানুষের ভরসা কোথায়? ভরসা হচ্ছে সম্মিলিত ও সুসংগঠিত প্রতিরোধে।

একাত্তরে অবশ্য কোনো মুক্তিযোদ্ধাই ব্যবসার কথা ভাবেননি। নিজের কথাই ভাবেননি আসলে। ভেবেছেন সবার কথা। স্বাধীনতার পর বহু মুক্তিযোদ্ধা পঙ্গু হয়ে গেছেন—দৈহিকভাবে নয়, মানসিকভাবে। পরাধীনতা যা পারেনি, স্বাধীনতা তা পারল। অনেকে বিপর্যস্ত হয়ে গেল অর্থনৈতিক কারণে, দারিদ্র্যে। আর কেউ কেউ বিপর্যস্ত হলো সে-ও অর্থনৈতিক কারণেই, প্রাচুর্যে। অর্থনীতি যে কত শক্তিশালী বোঝা যায়, উভয় ক্ষেত্রেই। প্রাচুর্যের দেখা যারা পেয়েছে, তারা হয় ব্যবসা করেছে, নয়তো জবরদখল করে নিয়েছে। প্রথমে জবরদখল, পরে ব্যবসা–এ-ও খুবই সম্ভবপর।

একসময় ছিল যখন ব্যবসায়ী পরিচয় শুনলে লোকে নাক সিটকাত। যেন আড়তদারির কাঁচা গন্ধ পাচ্ছে। এখন উল্টো ছুটে যায় হাত মেলাতে। তাতে বোঝা যায় যুগটা এখন কাদের। একসময় যুগ ছিল সিভিল সার্ভেন্টদের; এখন টপ সিভিল সার্ভেন্টরা মর্যাদাবান ঠিকই, কিন্তু নিচে যাঁরা, তাঁরা ব্যবসায়ীদের তুলনায় ম্রিয়মাণ, যে জন্য দেখা যায় যাঁরা পারেন, তাঁরা চাকরি ছেড়ে ব্যবসা ধরেন এবং ভালো করেন। মাঝখানে যুগ গেছে পেশাদারদের, যেমন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার। এখন সময় এসেছে ব্যবসায়ীদের। আমাদের ক্ষমতার রাজনীতিকদের দিকে চোখ ফেরালেও দেখা যায় ব্যবসায়ী কাম রাজনীতিকদের আধিক্য।

ব্যবসাও যুদ্ধক্ষেত্র বটে। যে জন্য কোনো মুক্তিযোদ্ধা যদি সেখানে গিয়ে অসীম সাহসের সঙ্গে ঝাঁপিয়ে পড়েন, তবে তাঁর বীরত্বের তারিফ আমরা অবশ্যই করব। কিন্তু লড়ছেন তিনি কার বিরুদ্ধে? এখানে একটু ঢোঁক গেলার ব্যাপার থাকে। বলতে হয়, লড়ছেন আসলে দেশবাসীর বিরুদ্ধে। সবাই না হোক, অনেকেই। অনেক সফল ব্যবসায়ী আছেন, অনায়াসে যাঁরা রাজাকারদের লজ্জা দিতে পারবেন এদিক থেকে। রাজাকারেরা দালাল ছিল বিদেশিদের, এরাও নির্ভেজালরূপে সেটাই। রাজাকারেরা শত্রু ছিল জনগণের, এরাও তাই। ব্যবসায়ীরা উৎপাদন করেন না, অন্যের উৎপাদন বিক্রি করেন। কিংবা উৎপাদন বিক্রি-করা টাকা দিয়ে জিনিসপত্র (সময় সময় অপ্রয়োজনীয় ও বেশির ভাগ সময় অনুৎপাদক) আমদানি করেন। রাজাকারেরা মোটেই নির্বংশ হয়নি; বরং হইচই করে বৃদ্ধি পেয়েছে।

আর আছে জবরদখল। একাত্তরের ডিসেম্বর পর্যন্ত জবরদখলকারী বলতে পাঞ্জাবিদেরই বোঝানো হতো। তার পরেই শুরু করল বাঙালি ভাইয়েরা। আগেও করেছে, তবে আগে সুযোগটা কিছু কম ছিল। আমার এক পরলোকগত মুরব্বিকে দেখেছি (আল্লাহ্ তাঁর বেহেশত নসিব করুন) সাতচল্লিশের পর প্রতিবেশী হিন্দুদের জায়গা-জমি, বাড়িঘর, আসবাব সব দখল করে ধনী হলেন। বাহাত্তরের পর তাঁর ছেলেদের দেখলাম বাপের ঐতিহ্যকে ম্লান করে দিয়ে অবাঙালিদের ফেলে যাওয়া ফ্যাক্টরি দখল করে নিল। অবাঙালিদেরটা নেওয়া শেষ হতে দেরি হয়নি, তখন বাঙালিটাতে হাতে দিয়েছে। আমাদের সাম্প্রতিক ইতিহাস এটাই। এ কাজকে রাজাকারের কাজ বললে শত্রু বাড়ে, তবে না বললে মিথ্যা বলা হবে। জবরদখল কোন পর্যায়ে না ঘটেছে এবং এখনো কি না ঘটছে?

এই যে দেশে অরাজকতা ও অনাচারের এমন মচ্ছব–এর জন্য ওই জবরদখল ও ব্যবসা যত দায়ী, তত বোধ করি অন্য কিছু নয়। আর কোনো মুক্তিযোদ্ধা যদি এসব কাজে লিপ্ত হন, তবে হতাশ হওয়ার কারণ থাকে নিশ্চয়ই। যুদ্ধকালে কোনো যোদ্ধাই এসব বিষয়ে ভাবেননি। ভাবনাটা এসেছে পরে। তবে এটা মানতে হবে যে, যুদ্ধে সবাই এক রকমের মনোভাব নিয়ে যাননি। সাধারণভাবে দেশকে মুক্ত করার আকাঙ্ক্ষা সবার মধ্যেই ছিল। কিন্তু মুক্তির পর কী ঘটবে, তা ভাবা হয়নি। পরাধীনতার অভিশাপ আমাদের সবাইকে প্রায়-স্থায়ীভাবে বিরোধী দলের লোক করে দিয়ে গেছে, যে জন্য কার কার নিপাত যাওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন, তা জানা থাকলেও কিসের কিসের বিকাশ দরকার, তা তেমন জানা ছিল না। সাতচল্লিশে এটা দেখলাম, একাত্তরের পরেও তা দেখা গেল। মুক্তিযুদ্ধ নিজেই অবশ্য পারত মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিতে পরিবর্তন আনতে। কিন্তু তা সম্ভব হয়নি। কেননা প্রথমত, পূর্বপ্রস্তুতি ছিল না। দ্বিতীয়ত, সংগ্রাম দীর্ঘস্থায়ী হয়নি এবং তৃতীয়ত, নেতৃত্বের অভাব ছিল। শেখ মুজিব উপস্থিত ছিলেন না। মওলানা ভাসানী বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন। ভাসানীর সঙ্গে তাঁর নিজের দলেরও যোগ ছিল না। যাদু মিয়া তাঁর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন কলকাতায়। মওলানা দেখা করেননি। তাঁর ধারণা ছিল, যাদু মিয়া সাহেবের উদ্দেশ্য সুবিধার নয়। স্থির ছিলেন তাজউদ্দীন আহমদ, কিন্তু তাঁকে আটকা পড়ে থাকতে হয়েছে দাপ্তরিক কাজে, তদুপরি তাঁর রাজনৈতিক প্রভাব দলে অতটা ছিল না, যতটা ছিল বঙ্গবন্ধুর।

যুদ্ধ যে মানুষকে সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তিত করতে পারেনি, এটা বড়ই বাস্তবিক সত্য। যুদ্ধের পরও কয়েকটি বড় ভুল হয়ে গেছে। একটা হচ্ছে পুরোনো ব্যবস্থাকে অক্ষুণ্ন রেখে কেবল লোক বদল করা। অন্যটা হচ্ছে মানুষকে ত্যাগী না করে লোভী করে তোলা। স্মরণ করা যেতে পারে, স্বাধীনতার পর যোদ্ধাদের নানা রকম পুরস্কার দেওয়া শুরু হলো। কেউ পেল পদ, কেউ পেল টাকা করার সুযোগ। ৫০ নম্বরের পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হলো ছাত্রদের জন্য। নকলের বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হলো না। সার্টিফিকেট বিতরণ শুরু হলো সঙ্গে সঙ্গে, যার জোরে কেউ পেল চাকরি, কেউ পেল পদোন্নতি। এখন তো মাসিক সম্মানী বরাদ্দ হয়েছে সার্টিফিকেটধারী মুক্তিযোদ্ধাদের। সমষ্টিগত পুরস্কারের পরিবর্তে ব্যক্তিগত পুরস্কার দেওয়ার ওই আয়োজন যুদ্ধের মূল চেতনাটাকেই আঘাত করেছে। এর ফলে সমাজতন্ত্রের নীতি মুখে মুখে শোনা গেছে বটে, তবে কাজে মোটেই পাওয়া সম্ভব হয়নি। ধীরে ধীরে ব্যক্তিস্বার্থ বড় হয়ে উঠল, সমাজতন্ত্র পিছিয়ে গেল ক্রমান্বয়ে এবং ওই যে বললাম জবরদখল ও ব্যবসা–ওই দুটি ভীষণভাবে চালু হয়ে গেল এ দেশে। দারিদ্র্য প্রথমে মানুষকে ততটা আঘাত করেনি, যতটা আঘাত করেছে বৈষম্য। পাকিস্তানের দুর্বলতা ছিল ওই বৈষম্যে, বাংলাদেশও দুর্বল হয়ে চলেছে ওই বৈষম্যেই।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    কল্যাণকামিতা ও মানবতার ধর্ম

    ঝুঁকিপূর্ণ ভবন ধসের শঙ্কা

    খেজুর রসের স্বাদ ভুলতে বসেছে নতুন প্রজন্ম

    পরিত্যক্ত ছাত্রাবাস এখন মাদকসেবীদের আখড়া

    দুই বছর ধরে অকেজো আলট্রাসনোগ্রাম মেশিন

    কর্মসৃজন প্রকল্পে শ্রমিক নিয়োগে অনিয়ম

    শাবিপ্রবির আন্দোলনে অন্য কারও ইন্ধন দেখছেন শিক্ষামন্ত্রী

    পুলিশি অ্যাকশন দুঃখজনক, আলোচনার আহ্বান শিক্ষামন্ত্রীর

    লোহাগাড়ায় টমেটোবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে, নিহত ২ 

    রাজধানীতে যুবকের অস্বাভাবিক মৃত্যু

    রূপগঞ্জে যমুনা টেলিভিশনের গাড়িতে হামলা, সাংবাদিককে মারধর

    প্রথম নাসিক নির্বাচনের আগে পদত্যাগ করতে চেয়েছিলেন ৩ নির্বাচন কমিশনার