Alexa
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

স্বাস্থ্য

দাঁত রক্ষায় রুট ক্যানেল

  • প্রতিদিন রাতে ঘুমানোর আগে ও সকালের খাবারের পর দাঁত ব্রাশ করুন
  • দিনে অন্তত একবার ডেন্টাল ফ্লস ব্যবহার করুন
  • বছরে অন্তত একবার দাঁতের চিকিৎসকের কাছে যান
  • মিষ্টিজাতীয় খাবার ও কোমল পানীয় পানের পর কুলি করুন
আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২১, ০৯:৫৭

অলংকরণ: মীম রহমান প্রাচীনকালে দাঁতের কোনো সমস্যা হলে তার সমাধান ছিল অসুস্থ দাঁতটি উপড়ে ফেলা। আধুনিক এ সময়ে চিকিৎসাপদ্ধতিতে পরিবর্তন এসেছে। এখন চিন্তা করা হয় কীভাবে ওই আক্রান্ত দাঁতটি রাখা যায়। রুট ক্যানেল এ রকমই একটি আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতি।

রুট ক্যানেল হলো দাঁতের এমন একটি চিকিৎসা, যেখানে দাঁত না ফেলে দাঁতের আক্রান্ত পাল্প বা দন্তমজ্জা বের করে দাঁতকে সংরক্ষণ করে পুনরায় কর্মক্ষম করা হয়।

যেসব লক্ষণে রুট ক্যানেল

  • দাঁতের গভীর গর্ত থেকে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হওয়া এবং সেই ব্যথা কান, মাথা, চোখে ছড়িয়ে যাওয়া
  • ঠান্ডা বা মিষ্টিজাতীয় খাবার খেলে দাঁতের গর্তে শিরশির করা বা ব্যথা অনুভূত হওয়া এবং সেই ব্যথা ১৫ থেকে ২০ সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হওয়া
  • মাড়ির কোনো অংশ থেকে পুঁজ বের হওয়া
  • কোনো আঘাতে দাঁতের দন্তমজ্জা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

রুট ক্যানেল যেভাবে

প্রথমে ইনজেকশনের মাধ্যমে আক্রান্ত দাঁতের নার্ভকে সাময়িক অবশ বা অনুভূতিহীন করা হবে, যাতে চিকিৎসা চলাকালে রোগী কোনো ব্যথা না পায়। এরপর ওই দাঁতের মাঝে ছোট গর্ত করে আক্রান্ত দন্তমজ্জা বের করা হয়। উপযুক্ত পদ্ধতিতে দাঁতের ভেতরের সংক্রমণ পরিষ্কার করে বিশেষ ধরনের ওষুধ ও ড্রেসিং দিয়ে দাঁতটি পুরোপুরিভাবে সিল করে দেওয়া হয়। এরপর উপযুক্ত ফিলিং ম্যাটেরিয়াল দিয়ে দাঁতের গর্তটি ভরাট করে দেওয়া হয়।

এতে দাঁতের শক্তি কমে যায়। তাই অনেক ক্ষেত্রে দাঁতটি কর্মক্ষম রাখার জন্য রুট ক্যানেল করার পর ক্যাপ বা ক্রাউন করে দেওয়া হয়। তাতে দাঁত আগের মতো শক্তিশালী না হলেও ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ শক্তিশালী ও কর্মক্ষম থাকে।  পুরো প্রক্রিয়া কত দিনে শেষ হবে তা নির্ভর করে দাঁতটির অবস্থান ও অবস্থার ওপর। অনেক ক্ষেত্রে কয়েক দিনেও শেষ হয়। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে অপেক্ষা করতে হয় পুরো একটি বছর!

রুট ক্যানেল ট্রিটমেন্ট করা দাঁতের সাধারণ দাঁতের তুলনায় একটু বেশি যত্ন নিতে হয়।

দাঁতের যত্নে যা করবেন

  • রুট ক্যানেল যে দিকে করা হয়, সে দিক দিয়ে শক্ত খাবার খাবেন না
  • নিয়মিত মাড়ির ম্যাসাজ করতে হবে
  • নিয়মিত ব্রাশ, ডেন্টাল ফ্লস, ইন্টারডেন্টাল ব্রাশ ব্যবহার করে দাঁত পরিষ্কার রাখতে হবে
  • বছরে অন্তত একবার ডেন্টাল চেকআপ করতে হবে।

লেখক: ডেন্টাল সার্জন, সিকদার ডেন্টাল কেয়ার, ঢাকা

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    ঘুমের ওষুধ সমাধান নয়

    ওমিক্রনের ১৩ লক্ষণ

    কেন জরুরি ডেন্টাল ফ্লস

    ত্বক ও প্লাস্টিকে বেশিক্ষণ টিকে থাকতে পারে ওমিক্রন: গবেষণা

    শিশু ধর্ষণ মামলার যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেপ্তার

    দলবদ্ধ ধর্ষণের শিকার নারীকে ন্যাড়া ঘুরানো হল বাজারে 

    একসঙ্গে বিষপান, স্ত্রী রক্ষা পেলেও মারা গেছেন স্বামী

    চুয়াডাঙ্গায় বিভিন্ন ইটভাটায় পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান, সাড়ে ৮ লাখ টাকা জরিমানা

    পুঠিয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় আহত চিকিৎসকের মৃত্যু

    ঢাকায় হলে চট্টগ্রামেও হবে বইমেলা: চসিক মেয়র