Alexa
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে হামলা-ভাঙচুর

বিএমএ-স্বাচিপের বিক্ষোভ

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১৬:০১

বিএমএ-স্বাচিপের বিক্ষোভ নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়কের ওপর হামলা ও হাসপাতালে ভাঙচুরের ঘটনার জড়িতদের শাস্তির দাবিতে এবার রাস্তায় নেমেছে চিকিৎসকদের একাধিক সংগঠন। এর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ), স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদসহ (স্বাচিপ) বিভিন্ন সংগঠন। গতকাল সোমবার তারা শহরে বিক্ষোভ, মানববন্ধন এবং হামলায় জড়িত আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহিনের কুশপুত্তলিকা পোড়ায়।

কর্মসূচিতে আরও অংশ নেন ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদ, বাংলাদেশ নার্সেস অ্যাসোসিয়েশন, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী ইউনিয়ন, হাসপাতালের সর্বস্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী পরিষদের সদস্যরা। তা ছাড়া বাংলাদেশ ডেন্টাল পরিষদ নোয়াখালী শাখা, আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজশিক্ষক সমিতির নেতারাও কর্মসূচিতে একাত্মতা পোষণ করেন।

এ সময় দোষীদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি তোলা হয়। গ্রেপ্তার ও বিচার না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের কর্মসূচি চলবে বলে ঘোষণা দেন বিএমএ ও স্বাচিপের নেতারা।

গতকাল সকালে মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে সুধারাম মডেল থানার সামনে প্রধান সড়কে অবস্থান নেন বিক্ষোভকারীরা। এ সময় জেলা শহর মাইজদীর প্রধান সড়ক অবরোধ করে জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক শিহাব উদ্দিন শাহিনের কুশপুত্তলিকা পোড়ানো হয়। তাতে প্রধান সড়কে যানজটের সৃষ্টি হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন (বিএমএ) জেলা সভাপতি ডা. এম এ নোমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন স্বাচিপের সভাপতি ডা. ফজলে এলাহী খান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ মহিউদ্দিন আবদুল আজিম, আবদুল মালেক উকিল মেডিকেল কলেজশিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ডা. সৈয়দ কামরুল হোসেন, সাবেক সভাপতি ডা. আবু নাছের, ইন্টার্ন চিকিৎসক পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. মিলন দাস, নার্সেস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আবদুল্লা ফারুক প্রমুখ।

সমাবেশে বক্তারা হাসপাতালের কর্মপরিবেশ ঠিক রাখার দাবি জানিয়ে বলেন, হামলার পর ২৪ ঘণ্টা অতিবাহিত হয়ে গেছে। এখনো কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। আগেও হাসপাতালে কর্তব্যরত দুজন আনসার সদস্যকে কুপিয়ে জখম করা হয়েছে।

হামলার ঘটনায় গত রোববার রাতে সুধারাম মডেল থানায় অভিযোগ দেওয়া হয়েছে বলে জানান হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মহিউদ্দিন মো. আবদুল আজিম।

সুধারাম মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে প্রশাসন ও জেলা আওয়ামী লীগের নেতাদের সঙ্গে আমাদের বৈঠক হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের গ্রেপ্তারের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। ওই আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে ও জনসাধারণের চিকিৎসাসেবার কথা চিন্তা করে হাসপাতালের চিকিৎসক, কর্মকর্তা-কর্মচারীরা তাঁদের কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে নিয়েছেন।’

তবে হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে প্রতিবাদসহ অন্যান্য কর্মসূচি চলবে বলে জানান জেলা স্বাচিপ সভাপতি ডা. ফজলে এলাহী খান।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    অস্তিত্ব সংকটে বংশাই নদ

    আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন আশ্রয়ণের বাসিন্দারা

    হেলে পড়া সেতু সংস্কার হয়নি চার বছরেও

    ৪৪তম বিসিএস: আবেদনের সময় বাড়লেও প্রিলি পূর্ব নির্ধারিত তারিখেই

    প্রধানমন্ত্রীর এপিএস সেজে হাতিয়ে নিয়েছেন বিপুল টাকা  

    অভিজ্ঞতা ছাড়াই আল-আরাফাহ্ ইসলামী ব্যাংকে চাকরির সুযোগ 

    স্বেচ্ছায় করোনায় আক্রান্ত হতে চান?  

    বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ভূমি অধিগ্রহণে দুর্নীতির অভিযোগ বানোয়াট ও ষড়যন্ত্রমূলক: শিক্ষামন্ত্রী   

    ৪২ বছর পর বার্টি...