Alexa
বৃহস্পতিবার, ২৭ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

কমিয়ে আনুন জ্বালানি তেলের দাম

আপডেট : ৩০ নভেম্বর ২০২১, ১১:৫২

কমিয়ে আনুন জ্বালানি তেলের দাম কমে, তা আর কমান না তাঁরা। এই মনোভাব কি সরকারের ভেতরে আছে? না, এটা নিশ্চয়ই থাকার কথা নয়। সরকারের বরং মানুষকে সেবা দেওয়ার কথা। এ রকমই একটি চ্যালেঞ্জ আসছে সরকারের সামনে। বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমছে। নিশ্চয়ই সরকার এখন তার ধারাবাহিকতায় দেশের বাজারে দাম সমন্বয় করবে। কারণ, বিশ্ববাজারে যখন দাম বাড়ছিল, তখন লোকসানের চাপ সামলাতে দেশের বাজারে দাম বাড়িয়ে তা সমন্বয় করা হয়েছিল। এখন মানুষ এ আশায় দিন গুনছে।

গণমাধ্যমের খবরে জানা যায়, করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রন ছড়িয়ে পড়ার আতঙ্কে পুঁজিবাজারের মতো বৈশ্বিক তেলের বাজারেও বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এই ধরনকে ‘উদ্বেগজনক’ ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ-নিষেধাজ্ঞার পথে হাঁটার ঘোষণা দেয়। তার সঙ্গে সঙ্গেই বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে বড় ধরনের দরপতন ঘটে। এক ধাক্কায় জ্বালানি তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০ মার্কিন ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮৫৮ টাকা কমেছে। ২০২০ সালের এপ্রিলের পর এই প্রথম এক দিনে তেলের দাম এতটা পড়ল। অর্থাৎ এক দিনে ধরনভেদে অপরিশোধিত তেলের দরপতন ঘটেছে ১১ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ১৩ দশমিক ১ শতাংশ। তেলের বাজারের গতিবিধি পর্যবেক্ষণে আগামী ২ ডিসেম্বর বৈঠকে বসার কথা রয়েছে এ-সম্পর্কিত নীতিনির্ধারণী জোটের। তবে তার আগেই বাজারে আরও বড় ধরনের ধাক্কা লাগতে পারে বলে উদ্বেগে রয়েছে ওপেকের কয়েকটি সদস্যরাষ্ট্র।

তার মানে বৈশ্বিক এ পণ্যটির দাম আরও কমবে। এরই মধ্যে বহু দেশ ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। এর নেতিবাচক প্রভাব পড়বে পণ্যটির দামে, এটা নিঃসন্দেহে বলা যায়। সুতরাং যৌক্তিকভাবে সরকারও নিজেদের স্বচ্ছতার স্বার্থে দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের দাম কমিয়ে ভোক্তাকে স্বস্তি দেবে বলে আশা করা যায়। এরই মধ্যে ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইও জ্বালানির দাম কমানোর দাবি জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে। কিছুদিন আগে এক লাফে এর দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়ানোয় ব্যাপক সমালোচনা ও অসন্তোষের মুখে আছে সরকার। এর ফলে উদ্ভূত পরিস্থিতি এখনো সামাল দেওয়া যায়নি। বাস ভাড়া বেড়ে যাওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখনো রাজপথে। তারা আন্দোলন করছে হাফ ভাড়ার জন্য। নতুন করে জ্বালানির দাম সমন্বয় করলে বাসসহ বিভিন্ন পরিবহনের ভাড়া কমে আসবে স্বাভাবিক হারে। শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন অংশীজনের ক্ষোভ ও অসন্তোষ কমবে বলে আশা করা যায়। নিত্যপণ্যের বাজারে যে অস্থিরতা, সেটাও কিছুটা লাঘব হতে পারে। এ ব্যাপারে সরকারের এখনই বিষয়টি পর্যবেক্ষণ করে প্রয়োজনীয় করণীয় ঠিক করতে হবে। সময়ক্ষেপণ না করে যত দ্রুত সম্ভব এটা করা উচিত। না হলে অনাবশ্যক আরও বিতর্কের মুখে পড়তে হতে পারে সরকারকে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     
     

    অস্তিত্ব সংকটে বংশাই নদ

    আত্মনির্ভরশীল হচ্ছেন আশ্রয়ণের বাসিন্দারা

    হেলে পড়া সেতু সংস্কার হয়নি চার বছরেও

    সখীপুরে দুই ইটভাটা মালিককে জরিমানা

    স্বর্ণের কয়েন বিক্রির নামে প্রতারণা, আটক ১

    গারো পাহাড়ে পানির সংকট

    যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মসজিদের টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলা

    রাউজানে আড়াই হাজার টাকার বিনিময়ে ভুয়া জন্মনিবন্ধন, যুবকের কারাদণ্ড

    ট্রেনের টিকিট কালোবাজারি চক্রের মূলে বুকিং সহকারী

    ২০২২ সাল হবে রাজনীতির সংকটকাল: সুলতান মনসুর

    প্রধান শিক্ষক ও স্কুল কমিটির বিরুদ্ধে অভিভাবকদের মানববন্ধন

    রাজধানীতে পৃথক ঘটনায় ছাদ থেকে পড়ে শিশুসহ দুজনের মৃত্যু