Alexa
বৃহস্পতিবার, ২০ জানুয়ারি ২০২২

সেকশন

epaper
 

দেশে ইসলামবিরোধী কোনো আইন হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ নভেম্বর ২০২১, ২০:১১

জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ শনিবার হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: ফোকাস বাংলা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা একজন পাকা মুসলিম। তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়েন; তাহাজ্জুদ আর কোরআন পড়ে তাঁর দিন শুরু হয়। তাঁর শাসনামলে তিনি এ দেশে কোরআন-হাদিসের সঙ্গে সাংঘর্ষিক কোনো আইন বাস্তবায়ন করেন নাই। এমন কোনো আইন তিনি করবেনও না—এটা তাঁর ওয়াদা।’

আজ শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আল্লাহ, রাসুল, কোরআন-সুন্নাহ ও ইসলাম অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আইন পাস করার দাবিতে হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এ কথা বলেন।

হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমির শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সভাপতিত্বে সম্মেলনে উদ্বোধনী বক্তব্য রাখেন হেফাজতের মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদি। এ ছাড়া আরও বক্তব্য দেন সংগঠনটির নায়েবে আমির সালাহউদ্দিন নানুপুরী, মাওলানা তাজুল ইসলাম, যুগ্ম সম্পাদক সাজেদুল ইসলাম প্রমুখ।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ দেশে কোরআন-সুন্নাহর বাইরে কোনো অঘটন ঘটলে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা নেয় সরকার।’ হেফাজতে ইসলামের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন ঘটনায় গ্রেপ্তার হওয়া হেফাজতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে যাঁরা নির্দোষ, তাঁদের দ্রুত জামিনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি। তবে ভবিষ্যতে হেফাজতের কর্মসূচিগুলোতে যেন অনুপ্রবেশের সুযোগ না থাকে, সে বিষয়ে সাবধান থাকতে হবে।’

জাতীয় প্রেস ক্লাবে আজ শনিবার হেফাজতে ইসলাম আয়োজিত ওলামা মাশায়েখ সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: ফোকাস বাংলা সভাপতির বক্তব্যে শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরী বলেন, হেফাজত একটি অরাজনৈতিক সংগঠন। কোনো দলকে ক্ষমতায় বসানো বা ক্ষমতা থেকে সরানো হেফাজতের কাজ নয়। এ সময় তিনি সরকারের প্রতি হেফাজতের চার দফা দাবি তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো—এক, আল্লাহ, রাসুল, কোরআন-সুন্নাহ, তথা ইসলাম অবমাননাকারীদের বিরুদ্ধে জাতীয় সংসদে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আইন পাস করতে হবে। দুই, কাদিয়ানি সম্প্রদায়কে রাষ্ট্রীয়ভাবে অমুসলিম ঘোষণা করতে হবে। তিন, কারাগারে থাকা আলেমদের মুক্তি এবং সব মামলা প্রত্যাহার করতে হবে। চার, রাষ্ট্রধর্ম ইসলামকে কটাক্ষকারী দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।

উদ্বোধনী বক্তব্যে হেফাজতের মহাসচিব নুরুল ইসলাম জিহাদি বলেন, হেফাজতে ইসলাম একটি শান্তিপ্রিয় সংগঠন। হরতালসহ হেফাজতের বিভিন্ন কর্মসূচিতে রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির জন্য একটি গ্রুপ অনুপ্রবেশ করেছে এবং তারাই হরতালে ভাঙচুর ও জ্বালাও-পোড়াও করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশংসা করে তিনি বলেন, ‘আমাদের বন্দী থাকা নেতা-কর্মীদের ৫০ শতাংশকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার ব্যবস্থা করেছেন তিনি। আশা করছি বাকিদেরও জামিনের ব্যবস্থা করে দেবেন।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     
     

    করোনা রোগীর লক্ষণ প্রকাশের ১০ দিন পর্যন্ত আইসোলেশনে রাখার সুপারিশ

    বিদেশি পর্যবেক্ষকদের জন্য বাংলাদেশের দরজা খোলা, আর্ল মিলারকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    দেশে করোনার মুখে খাওয়ার ওষুধ আনল ইনসেপ্টা

    উন্নয়ন প্রকল্পের এককালীন অর্থ চান ডিসিরা, মন্ত্রণালয়ের না

    দালালের দৌরাত্ম্যে কৃষিপণ্যের দাম বাড়ে ৩ গুণ: কৃষিমন্ত্রী  

    অসামরিক প্রশাসনের সহায়তা চান সেনাপ্রধান 

    নিবন্ধিত চিকিৎসক না হয়েও চিকিৎসা দেওয়ায় গ্রেপ্তার ১ 

    উপাচার্যের পদত্যাগের দাবিতে ২১ ঘণ্টা ধরে অনশনে শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    প্রথমবারের মতো পুতিন-রাইসি বৈঠক, পারস্পরিক সম্পর্কোন্নয়নের আশাবাদ

    শহীদ আসাদ দিবসে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের শ্রদ্ধা নিবেদন

    চট্টগ্রামের নেতৃত্ব পেয়ে সিনিয়রদের সহযোগিতা চাইলেন মিরাজ