Alexa
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

সেকশন

 

প্রয়োজনে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করবে সেনাবাহিনী: প্রধানমন্ত্রী

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৪:২৬

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি  বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষাসহ জাতীয় যেকোনো প্রয়োজনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকারে সদা প্রস্তুত থাকার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

আজ বুধবার মুজিব রেজিমেন্ট ও রওশন আরা রেজিমেন্টে নতুন পতাকা হস্তান্তর অনুষ্ঠান এবং সেনাবাহিনীর ১০টি ইউনিটকে ন্যাশনাল স্ট্যান্ডার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে চট্টগ্রামের হালিশহরে আর্টিলারি সেন্টার অ্যান্ড স্কুল ও ঢাকা সেনানিবাসে যুক্ত হন প্রধানমন্ত্রী। 

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার পাশাপাশি প্রাকৃতিক, মানব দুর্যোগ মোকাবিলাসহ নানা আর্থসামাজিক উন্নয়ন তথা জাতি গঠনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে যাচ্ছে। বর্তমানে দেশের যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়নে সেনাবাহিনী উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। অপারেশন কোভিডশিল্ড নামে সেনাবাহিনীর সদস্যরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। 

শেখ হাসিনা বলেন, বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় এবং বিভিন্ন বৈদেশিক মিশনে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর সদস্যরা তাঁদের আত্মত্যাগ, কর্তব্যনিষ্ঠা, পেশাদারিত্বের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য বয়ে এনেছেন সম্মান ও মর্যাদা, যা বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। বিশেষ করে আমাদের সেনাসদস্যদের মানবিকতা যখন যে দেশে তাঁরা দায়িত্ব পালন করেন, সে দেশের সাধারণ জনগণকেও মুগ্ধ করে। 

সরকারপ্রধান বলেন, বাংলাদেশ শত প্রতিকূলতা মোকাবিলা করে ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের লক্ষ্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ক্ষুধা, দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যে বাংলাদেশের স্বপ্ন জাতির পিতা দেখেছিলেন। বাংলাদেশ মহান মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ নিয়েই এগিয়ে যাবে এবং বিশ্বদরবারে বিজয়ী জাতি হিসেবে মাথা উঁচু করে আমরা চলব। সেটাই আমাদের লক্ষ্য। 

শেখ হাসিনা বলেন, `আমাদের সশস্ত্র বাহিনী গত ১৩ বছরে এখন যথেষ্ট শক্তিশালী এবং অগ্রসর হয়েছে। বিশেষ করে জঙ্গিবাদ-সন্ত্রাস দমনে, প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় জনগণের পাশে দাঁড়াতে এবং এই করোনাভাইরাস মোকাবিলায় বিশেষ অবদান রেখে যাচ্ছে। সে জন্য সবাইকে আমার আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।' 

শেখ হাসিনা বলেন, `আবহমানকাল থেকে যুদ্ধের ময়দানে জাতীয় পতাকা মর্যাদার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়। এই পতাকার মর্যাদা সমুন্নত রাখার দায়িত্ব আপনাদের। মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বের সঙ্গে আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা যুদ্ধ করে বিজয় অর্জন করেছিলেন, সে কথাটা চিরদিন মনে রাখতে হবে। আমরা বিজয়ী জাতি। মাথা উঁচু করে বিশ্বদরবারে আমরা চলব।' 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    এসিআর দাখিলে এবার স্বাস্থ্য প্রতিবেদন লাগবে না

    শেষ হলো সংসদের পঞ্চদশ অধিবেশন

    কুয়েতে পাপুলের আপিল খারিজ, ৭ বছরের জেল বহাল

    বাংলাদেশে ইউনিলিভারের বিজ্ঞাপন বন্ধে অ্যাটকোর প্রতিবাদ

    তৃতীয় ধাপের ভোট গ্রহণ সহিংসতাহীন নির্বাচনের মডেল: ইসি সচিব

    বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে স্বাধীনতার ১০ বছরেই বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ হতো: প্রধানমন্ত্রী

    দেশে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ বেড়েছে

    ডিএসইতে সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

    চলতি বছরে ঢাকার সড়কে প্রাণ ঝরেছে ১১৯টি

    নরসিংদীতে নির্বাচনী সহিংসতায় আরও একজনের মৃত্যু  

    উত্তরখানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও পুলিশ ক্যাম্প তৈরির নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

    ক্ষীণ আশা নিয়ে শুরু হচ্ছে ইরান পরমাণু আলোচনা