Alexa
বৃহস্পতিবার, ০২ ডিসেম্বর ২০২১

সেকশন

 

রাজশাহীর ভেলা বিলে ৮৫টি পাখি অবমুক্ত

আপডেট : ২৬ অক্টোবর ২০২১, ২১:৪৬

ভেলা বিলে ৮৫টি পাখি অবমুক্ত। ছবি: আজকের পত্রিকা  রাজশাহীর পবায় জলময়ূর, বেগুনি কালেম, পাতি সরালি ও ডাহুক এই চার প্রজাতির ৮৫টি পাখি অবমুক্ত করলো বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ। আজ মঙ্গলবার রাজশাহীর পবা উপজেলার গহমবোনা ও গোদাগাড়ি উপজেলার দেওপাড়া এলাকার মধ্যবর্তী ভেলা বিলে এই পাখি অবমুক্ত করা হয়।

এই বিলে কালেম ৮০টি, সরালি ৩টি, ডাহুক ১টি ও ১টি সরালি পাখি অবমুক্ত করা হয়। পাখিগুলো গত শনিবার রাতে জেলার দুর্গাপুর উপজেলার নারিকেলবাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে শিকারির থেকে উদ্ধার করে রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ।

রাজশাহী বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. জিল্লুর রহমান বলেন, দুর্গাপুর থেকে উদ্ধার করা পাখিগুলো পবা ও গোদাগাড়ির মধ্যবর্তী ও সীমান্তবর্তী ভেলা বিলে অবমুক্ত করা হয়েছে। দুর্গাপুর থেকে এই পাখিগুলো উদ্ধার করা হয়েছিল। গত ২৩ তারিখ পাখিগুলো উদ্ধার করে পাখি পুনর্বাসনকেন্দ্রে রেখে পরিচর্যা করা হয়েছে। এর মধ্যে যে পাখিগুলোকে ছেড়ে দেওয়ার উপযোগী মনে করা হয়েছে তাদের অবমুক্ত করা হলো। 

মো. জিল্লুর রহমান আরও বলেন, ‘এর আগে সকালে নাটোরের সিংড়া চলনবিলে ৫০টি পাখি অবমুক্ত করেছি। বাকি পাখিগুলো অনেকটাই ছোট। তাদের আরও কিছু সময় পরিচর্যা করা লাগবে। যখন দেখব তাদের ছেড়ে দিলে তারা একা একাই বেঁচে থাকতে পারবে তখন তাদের ছেড়ে দেওয়া হবে।’

মো. জিল্লুর রহমান আরও জানান, এই শিকারিরা প্রান্তিক এলাকা থেকে পাখিগুলো নিজেদের কবজায় রেখেছিল। তবে বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগ এ বিষয়ে তৎপর রয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে স্বেচ্ছাসেবীরা পাখি ও প্রকৃতি সংরক্ষণে কাজ করছেন।

আনুষ্ঠানিকভাবে এই পাখি অবমুক্ত করার সময় উপস্থিত ছিলেন বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা মো. রাহাত হোসেন, বন্য প্রাণী পরিদর্শক জাহাঙ্গীর কবির, সেভ দ্য ন্যাচারের চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান, গোদাগাড়ি উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হেলালুদ্দীন সোহেল, ৯ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য আকবর আলীসহ বন্য প্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও আওয়ামী যুবলীগের নেতা-কর্মীরা। 

উল্লেখ্য, দুর্গাপুর নারিকেলবাড়িয়া গ্রামের গাজিয়ার রহমান ও জাহিদুল ইসলামের বাড়ি থেকে ২৩ অক্টোবর ২টি জলময়ূর, ১৯২টি বেগুনি কালেম,৬টি পাতি সরালি ও ১টি ধলা বুক ডাহুক উদ্ধার করা হয়। এ সময় বন বিভাগের কর্মকর্তারা শিকারি গাজিয়ার রহমানকে ২০ হাজার এবং জাহিদুল ইসলামকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেন। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    কমবে রাতের তাপমাত্রা, বাড়বে দিনের

    সন্ধ্যা থেকে কমতে পারে বৃষ্টির প্রবণতা

    বৈশ্বিক উষ্ণায়নের কারণে ক্রমশ ছোট হচ্ছে পাখির আকৃতি: গবেষণা 

    বিরলে ছাগল ছানার ৭ পা

    সাংসদের বাড়িতে পানকৌড়ির মেলা

    রামুতে লোকালয়ে হাতির পাল, আহত ৫ বনকর্মী

    এখনই জাতিসংঘে দেখা যাবে না তালেবান-মিয়ানমারের প্রতিনিধিদের

    জাককানইবি এলাকায় লাগামহীন ভাড়ায় ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

    আমিনবাজারে ছয় শিক্ষার্থীকে হত্যা মামলায় ১৩ জনের মৃত্যুদণ্ড

    আলীকদমে নির্বাচনী সহিংসতা মামলায় ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

    আলেশা মার্টের কার্যক্রম বন্ধ ঘোষণা

    লালপুরে দুই দিনে ট্রেনে কাটা পড়ে ২ জনের মৃত্যু