দুর্ঘটনাকবলিত যানবাহন। ছবি : ইন্টারনেট

সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী বাংলাদেশিদের পরিচয় মিলেছে। দেশটির সাগরা এলাকায় মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় ১০ বাংলাদেশি নিহত হন। গুরুতর আহত হন আরও চারজন। ১ মে বুধবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতদের মাঝে টাঙ্গাইল, কুষ্টিয়া, ময়মনিসংহ, নরসিংদ, নওগাঁ, কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা রয়েছে। যারা মারা গেলেন, তারা হলেন, বাহাদুর, পিতা- হাবেজ উদ্দিন। মাতা- মালেকা। ঝাগরমান কালিহাতি, টাঙ্গাইল। পাসপোর্ট নম্বর- BW 0337299, মো. রফিকুল ইসলাম, পিতা- মো. আনোয়ার হোসেন। মাতা- মোছা. হিরা খাতুন। মাধবপুর বাহাদুরপুর, ভেড়ামাড়া, কুষ্টিয়া। পাসপোর্ট নম্বর- BW0798074, মো. ইউনুস আলি, পিতা- মো. আব্দুল খালেক, মাতা- মোছা. আমেনা খাতুন। রঘুনাথপুর আলিপুর, ফুলবাড়িয়া, ময়মনসিংহ। পাসপোর্ট নম্বর BY 0525493, মো. জামাল উদ্দিন মাঝি, পিতা- মান্নান মাঝি, মাতা- নুরজাহান। তারাকান্দি মনোহরদি, নরসিংদী। পাসপোর্ট নম্বর: BN 0571736, মো. গিয়াসউদ্দিন মৃধা, পিতা- মো. তফিজউদ্দিন মৃধা। মাতা- মোছা. হামিদা। তেগরা মান্দা, নওগাঁ। পাসপোর্ট নম্বর: BL 0177817, মো. জুয়েল, পিতা- মো. গিয়াসউদ্দিন মাতা- আমেনা খাতুন। বাহাদিয়া পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ। পাসপোর্ট নম্বর: BE 0245406, মো. ইমদাদুল, পিতা- রশিদ, মাতা- মোছা. কাজলি বেগম। তাতারদি শেখেরগাঁ মনোহরদি, নরসিংদী। পাসপোর্ট নম্বর: BX 0400348,  মো. মানিক, পিতা- মো. রমজান আলী, মাতা- মোছা. মানিকজান। তুরুকবাড়িয়া মান্দা, নওগাঁ। পাসপোর্ট নম্বর: BX 0505953, মো. আল আমিন, পিতা- আব্দুল মান্নান শেখ মাতা- পদেনা বেগম। দমনমারা খিদিরপুর মনোহরদি, নরসিংদী। পাসপোর্ট নম্বর: BP 0049523 ও  মো. মনির, হোসেন পিতা- মো. শামসুল হক মাতা- মমতাজ বেগম। কস্তুরিপাড়া কালিহাতি, টাঙ্গাইল। পাসপোর্ট নম্বর: BX 0564818

দেশটির রাজধানী রিয়াদ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের শহর সাগরায় যাওয়ার সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে। সাগরা প্রবেশপথে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে গাড়িটি দুর্ঘটনাকবলিত হয়। চালকসহ মোট ১৭ জন ছিলেন বলে জানা গেছে।

দুর্ঘটনায় আহত নাজমুল নামের এক বাংলাদেশি জানান, আমরা দু’জন সুস্থ আছি। তিনজনের অবস্থা একটু খারাপ। ১০ মারা গেছে। মাইক্রোবাসে ১৭ জন ছিলেন।

ঘটনার আগের দিন ৩০ এপ্রিল রাতে দাম্মাম থেকে মদিনার দিকে যাচ্ছিলেন তারা। পরদিন সকাল সাড়ে ৭টায় হঠাৎ গাড়ির চাকা বার্স্ট হয়। গাড়িটা ডিগবাজি খেয়ে পড়ে যায়। এতেই হতাহতের ঘটনা ঘটে।

আজকের পত্রিকা/এমএআরএস