Alexa
মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

সেকশন

 

বিদ্যুৎ গেলে মোমবাতিই ভরসা

তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:১৭

তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গতকাল বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার পর মোমবাতি জ্বালান এক রোগী। ছবি: আজকের পত্রিকা তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে কোনো জেনারেটর নেই। ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলে ভোগান্তিতে পড়ছেন রোগীরা। বিকল্প ব্যবস্থা হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করা হলেও ব্যাটারির পাওয়ার বেশি না থাকায় বেশিক্ষণ বিদ্যুৎ জ্বলে না। ফলে রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে চিকিৎসক ও নার্সদের টর্চলাইট, মোবাইল অথবা মোমবাতির আলো দিয়েই চিকিৎসার কাজ চালাতে হয়।

জানা গেছে, মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত মানুষের চিকিৎসায় ভরসাস্থল স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিতে জেনারেটর না থাকায় বিদ্যুৎ গেলে বিকল্প হিসেবে সৌর বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যবহারের ফলে সৌর বিদ্যুতের ব্যাটারি দুর্বল হয়ে যাওয়ায় বাতি বেশিক্ষণ জ্বলে না। প্রায় ৪-৫ মাস পরপর নিয়মিত বিরতিতে ঠিক করা হলেও তা আবার নষ্ট হয়ে যায়। ফলে অনেক সময় অন্ধকারেই থাকতে হয় রোগীদের। বিকল্প উৎস হিসেবে মোবাইলের লাইট, মোমবাতি জ্বালাতে হয় তাদের।

গত সোমবার স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, সন্ধ্যা ৭টার পর বিদ্যুৎ চলে গেছে। ভর্তি রোগীদের দুটি ওয়ার্ডের মধ্যে পুরুষ ওয়ার্ডে আলোর ব্যবস্থা নেই। সৌর বিদ্যুতের আলো জ্বলছে না। নার্স এসে অনেকবার সৌর বিদ্যুৎ জ্বালানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন। সৌর বিদ্যুৎ নষ্ট থাকায় অন্ধকারের মধ্যেই রোগীর ও তাদের স্বজনেরা বসে আছেন। আবার অনেকে মোমবাতি জ্বালিয়ে খাবার খাচ্ছেন।

হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসা উপজেলার পানতিতা এলাকার বাবলু মিনা বলেন, শিরাসহ শরীর দুর্বলতা নিয়ে তিন দিন আগে হাসপাতালে পুরুষ ওয়ার্ডে ভর্তি হয়েছেন। রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে সেখানে আলোর কোনো ব্যবস্থা থাকছে না। সৌর বিদ্যুৎ থাকলেও অনেক জায়গায়ই আলো জ্বলে না। যেখানে জ্বলে সেখানেও আলো অনেক কম। তাই মোমবাতি জ্বালিয়ে রাতের খাবার খেয়েছি।

উপজেলার মসুন্দিয়া এলাকার আজিম নামে অন্য এক রোগী বলেন, চার দিন থেকে হাসপাতালে ভর্তি আছেন। দিনের বেলা বিদ্যুৎ না থাকলে গরমে অস্থির হয়ে পড়তে হয়। আবার রাতের বেলায় অন্ধকারে মোবাইলের আলো জ্বালাতে হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, হাসপাতালে জেনারেটর নেই, বরাদ্দ চেয়েছি, এখনো পাইনি। এখানে আইপিএস, সৌর বিদ্যুৎ আছে যা ব্যাটারি সমস্যার কারণে অনেক সময় জ্বলে না। আবার ব্যাটারির পাওয়ার কম থাকায় অল্প সময় জ্বলে তা বন্ধ হয়ে যায়। মিস্ত্রি ডেকে মাঝে মধ্যে সার্ভিসিং করলেও কিছুদিন জ্বলে আবার নষ্ট হয়ে যায়।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    বৃষ্টি সয়েই নানা গন্তব্যে যাতায়াত

    কর্মসম্পাদনে দ্বিতীয় চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়

    গেটম্যান আলমগীর সাময়িক বহিষ্কার

    নিউজিল্যান্ড সফরে সাকিবের বিকল্প হচ্ছেন কে

    বঙ্গোপসাগরে ট্রলারডুবির ১২ ঘণ্টা পর এক জেলে উদ্ধার, নিখোঁজ ২০

    মুরাদ ময়মনসিংহ মেডিকেলে ছাত্রদলের প্রচার সম্পাদক ছিলেন

    ফ্যাক্টচেক

    আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ছবি নিয়ে বিভ্রান্তি

    চীনের শীতকালীন অলিম্পিকে কূটনীতিকদের পাঠাবে না যুক্তরাষ্ট্র

    বাবরকে ফিরিয়ে খালেদের প্রথম টেস্ট উইকেট