Alexa
বুধবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২১

সেকশন

 

১৯ মাস পর সশরীরে ক্লাস তবে উপেক্ষিত স্বাস্থ্যবিধি

আপডেট : ২০ অক্টোবর ২০২১, ১০:৪৩

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে গতকাল ক্লাস নিচ্ছেন একজন শিক্ষক। tছবি: সংগৃহীত দীর্ঘ ৫৮০ দিন পর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) সশরীরে পাঠদান শুরু হয়েছে। তবে এদিন অনেক ক্ষেত্রেই স্বাস্থ্যবিধি ছিল উপেক্ষিত। আগের মতোই ছোট একটি বেঞ্চে গাদাগাদি করে শিক্ষার্থীদের বসতে দেখা গেছে। তাঁদের অনেকের মুখেই ছিল না মাস্ক।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগে সশরীরে ক্লাস শুরু হয়। তবে চলতি মাসের বাকি দিনগুলো পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ও ভর্তি পরীক্ষার কারণে বন্ধ থাকবে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ে পুরোদমে ক্লাস আগামী মাসের আগে শুরু হচ্ছে না।

সরেজমিনে বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের একটি ক্লাসে বেশ কিছু শিক্ষার্থীকে মাস্ক না পড়েই ক্লাস করতে দেখা যায়। সেখানে ছোট একটি বেঞ্চে তিনজন করে বসেছিলেন। ক্লাসটি নিয়েছেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী। তিনি এ বিষয়ে বলেন, ‘স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে নির্দেশনা ছিল। আমি নিজে স্বাস্থ্যবিধি মেনেছি। শিক্ষার্থীদের অনেকে মাস্ক পড়েছে, অনেকে পড়েননি। আমরা চেষ্টা করেছি স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য।’

ড. মোহাম্মদ শেখ সাদী আরও বলেন, ‘সশরীরে ক্লাসে অংশ নিতে আমরা এত দিন অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিলাম। অবশেষে আমরা সেই সময়টায় পৌঁছেছি। দীর্ঘ প্রায় ১৯ মাস পর ক্লাসে ফিরতে পেরেছি। শিক্ষার্থীরাও প্রাণবন্ত ছিলেন।’

স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকের পর চলতি মাসে আর কোনো ক্লাস নেই। আগামী মাসে যখন ক্লাস শুরু হবে তখন আমরা বিভাগীয় সভাপতিদের এ বিষয়ে কড়াকড়ি আরোপের নির্দেশনা দেব।’

বাংলা বিভাগ ছাড়াও যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা, অর্থনীতি, বন ও পরিবেশ বিদ্যাসহ বেশ কিছু বিভাগে সশরীরে ক্লাস শুরু হয়েছে। এর আগে সোমবার এক ডোজ করোনার টিকা নেওয়া শর্তে আবাসিক ও অনুমতিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের জন্য হল খুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া গত শনিবার চালু হয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শাটল ট্রেনও।

এদিকে শাটল ট্রেন, হল ও সশরীরে শ্রেণি কার্যক্রম চালু হওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের মাস্টার্সের শিক্ষার্থী আহমেদ সালমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন পর সশরীরে ক্লাসে ফিরলাম। করোনার মধ্যে অনলাইনে ক্লাস হয়েছে, তবে সেটাতে ক্লাসের পুরো আমেজ ছিল না। ক্লাস করার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মানার বিষয়ে আমাদের সজাগ থাকতে হবে। পাশাপাশি প্রশাসনেরও নিয়মিত তদারকি দরকার।’

বাংলা বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী হাফিজুল ইসলাম শিহাব আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘করোনার শুরুতে যখন ক্যাম্পাস বন্ধ ঘোষণা করা হয়, তখন বেশ শঙ্কায় ছিলাম আর ক্লাসে ফিরতে পারব কিনা। তবে দীর্ঘ ১৯ মাস পর সব শঙ্কা, সংশয় দূর করে আমরা আবারও ক্লাসে ফিরতে পেরেছি। খুব ভালো লাগা কাজ করছে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    জাল সনদে ১০ বছর ধরে শিক্ষকতার অভিযোগ

    বৃষ্টিতে সরিষার ক্ষতির শঙ্কা

    রোল নম্বর লেখার পর পরীক্ষা স্থগিত

    সুন্দরগঞ্জে সাবেক ইউপি সদস্যের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

    মুরাদকে যারা সহযোগিতা করেছে তাদেরও বিচার চাইলেন নজরুল ইসলাম খান

    মিরপুরে ই-কারখানার যাত্রা শুরু

    মুরাদ হাসানের পদত্যাগ যথেষ্ট নয়: মঈন খান

    ভারতে ফের আফস্পা বাতিলের দাবি

    দুদকের মামলায় মানিকগঞ্জ আওয়ামী লীগ নেতা মট্টুসহ দুজন গ্রেপ্তার