Alexa
সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১

সেকশন

 

ক্লাসে ফেরেনি প্রাথমিকের ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী

আপডেট : ২৭ অক্টোবর ২০২১, ১৬:৫১

মহামারি করোনার কারণে প্রায় ১৮ মাস শ্রেণিকক্ষে পাঠদান বন্ধ ছিল দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে। পরে গত ১২ সেপ্টেম্বর থেকে সরকারি নির্দেশনা ও স্বাস্থ্যবিধি মেনে সশরীরে বিদ্যালয়ে পাঠদান শুরু হয়। তারই ধারাবাহিকতায় গাজীপুর জেলার সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শুরু হয় শ্রেণিকক্ষে পাঠদান। তবে মহামারি করোনার অভিঘাতে প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি কমেছে। বর্তমানে জেলায় প্রাথমিকে প্রায় ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত রয়েছে। গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সূত্রে এমনটা জানা গেছে।

সশরীরে পাঠদান চালু হওয়ার এক মাস পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এখন পূজার ছুটি চলছে। বন্ধের আগে পাওয়া শিক্ষা অফিসের তথ্যানুযায়ী, প্রাথমিক স্তরের বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার ৭৫ থেকে ৭৮ শতাংশ। সে হিসেবে জেলায় ২২ থেকে ২৫ শতাংশ শিক্ষার্থীই শ্রেণিকক্ষে অনুপস্থিত রয়েছে। তবে জেলার গ্রামাঞ্চলের তুলনায় শহরে শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বেশি। ধারণা করা হচ্ছে, অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের বেশির ভাগই ঝরে পড়েছে। জীবিকার তাগিদে কাজে যোগদান, পরিবারের স্থানান্তর কিংবা বাল্যবিয়ের কারণে এ শিক্ষার্থীরা ঝরে পড়েছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গাজীপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘করোনার কারণে বিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণার সময় আমাদের শিক্ষার্থী ছিল ৪৮ হাজার ৭৭ জন। আমরা বিদ্যালয়গুলো খোলার পর প্রতিদিন শিক্ষার্থী উপস্থিতির রিপোর্ট সংগ্রহ করেছি। এসব রিপোর্টে দেখা যায়, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে ১২ অক্টোবর পর্যন্ত প্রাথমিকে দৈনিক গড়ে ৯ হাজার ১২৯ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিল। প্রাথমিকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থীর অনুপস্থিত পাওয়া গেছে।’

শিক্ষার্থী অনুপস্থিতির কারণ জানতে চাইলে মোফাজ্জল হোসেন বলেন, অনেক শিক্ষার্থী একদিন এলে আবার দেখা যায় পরের দিন আসেনি। অনেক শিক্ষার্থীর অভিভাবক ঠিকানা বদল করেছেন, কেউ হয়তো চাকরি হারিয়ে গ্রামে চলে গেছেন। আবার কোনো শিক্ষার্থী জীবিকার কারণে কাজ খুঁজে নিয়েছে। তবে অনুপস্থিত শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে দ্রুতই ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছেন তাঁরা।

গাজীপুর সদর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শামীম আহমেদ বলেন, করোনার কারণে ও জীবিকার তাগিদে অনেক অভিভাবক সপরিবারে শহর ছেড়ে গ্রামে চলে গেছেন। হয়তো এখনো আগের ঠিকানায় ফিরতে পারেননি। কেউ আবার স্থায়ীভাবে গ্রামে বসবাস করছেন। দীর্ঘ সময় ছাত্র ও শিক্ষকদের মধ্যে যোগাযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীদের অনুপস্থিতির কারণ ঠিকভাবে জানা যাচ্ছে না। স্কুল কর্তৃপক্ষ কিছু শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না, কারণ অভিভাবকদের পাওয়া যাচ্ছে না।

মোফাজ্জল হোসেন জানান, সবশেষ পরিসংখ্যান অনুযায়ী গাজীপুরে প্রাথমিক স্তরের প্রায় ১৮ শতাংশ শিক্ষার্থী অনুপস্থিত। নানা কারণে কিছু শিক্ষার্থীর ঝরে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তবে শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফিরিয়ে আনতে অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন বিদ্যালয়ের শিক্ষকেরা।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    রসায়নের মূল হলো সমীকরণ

    কোনো বাধ্যতামূলক প্রশ্ন থাকবে না

    পাঁচটি অধ্যায় থেকে প্রশ্ন হবে

    সময়টা কাজে লাগাতে হবে

    সময়ের দিকে লক্ষ রাখবে

    তোমরাই সফল হবে

    ধুনটে ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান হলেন যারা

    দেশে তামাক কোম্পানির হস্তক্ষেপ বেড়েছে

    ডিএসইতে সাত মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন লেনদেন

    চলতি বছরে ঢাকার সড়কে প্রাণ ঝরেছে ১১৯টি

    নরসিংদীতে নির্বাচনী সহিংসতায় আরও একজনের মৃত্যু  

    উত্তরখানে ফায়ার সার্ভিস স্টেশন ও পুলিশ ক্যাম্প তৈরির নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর