Alexa
বৃহস্পতিবার, ০৯ ডিসেম্বর ২০২১

সেকশন

 

২১ হাজারে চিকিৎসক ১

আপডেট : ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১০:৫১

মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বেলা দেড়টার সময়ও জরুরি রোগীদের ভিড়। গতকাল শনিবার তোলা ছবি। আজকের পত্রিকা টাঙ্গাইলের মধুপুর উপজেলায় গড়ে ২১ হাজার মানুষের জন্য চিকিৎসক মাত্র একজন। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক থাকার কথা ২৩ জন। রয়েছে মাত্র ১৪ জন। চিকিৎসকের অভাবে মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা পেতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের।

তাই বাধ্য হয়ে বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে সেবা নিচ্ছেন এলাকাবাসী। বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকে অনেকেই ভুল চিকিৎসারও শিকার হচ্ছেন।

মধুপুর উপজেলায় রয়েছে ১টি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়ন। এই উপজেলায় মোট জনসংখ্যা ২ লাখ ৯৬ হাজার ৭২৯ জন। এই জনগোষ্ঠীর চিকিৎসা দিতে ডাক্তার রয়েছেন মাত্র ১৫ জন। এর মধ্যে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডেপুটেশনে অন্যত্র দায়িত্ব পালন করছেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানা গেছে, মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩১ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল ছিল। দ্বিতীয় দফায় ৫০ ও তৃতীয় দফায় ১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত করা হয়। তবে ১০০ শয্যায় উন্নীত করা হলেও নতুন করে কোনো চিকিৎসক ও জনবল নিয়োগ দেওয়া হয়নি।

এই হাসপাতালে ১০ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ ২৩ জন চিকিৎসক থাকার কথা। কিন্তু চিকিৎসক রয়েছেন মাত্র ১৪ জন। নাক, কান ও গলা বিশেষজ্ঞ, চক্ষু, চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞ, অর্থোপেডিকস (হাড় ভাঙা), পেড্রিয়াটিক কনসালট্যান্ট এবং মেডিকেল অফিসারসহ ৯ জন চিকিৎসকের পদ শূন্য।

হাসপাতাল সূত্র জানা গেছে, মধুপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে প্রতিদিন ইনডোর ও আউটডোর মিলে প্রায় ৪ শতাধিক রোগী সেবা নিচ্ছেন। আউটডোরে প্রতি শিফটে ৩ জন করে চিকিৎসক সেবা দিচ্ছেন।

অন্য দিকে নার্স সুপারভাইজার থাকার কথা দুজন। কিন্তু একজনও নেই। ৪৩ জন নার্স থাকলেও, ওয়ার্ডবয় নেই একজনও। ক্লিনার ৫ জনের বিপরীতে রয়েছে মাত্র ২ জন।

এ ছাড়া অফিস পরিচালনার জন্য অফিস স্টাফ ৪ জন থাকার কথা থাকলেও একজনও নেই। প্রধান সহকারীর পদও শূন্য। নিরাপত্তা প্রহরীর ৪টি পদই শূন্য। অফিস সহায়ক ৪ জনের বিপরীতে রয়েছেন মাত্র একজন। এই হাসপাতালের আবাসিক রোগীদের জন্য বাবুর্চি রয়েছেন একজন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক চিকিৎসক বলেন, ‘আমরা সাধ্য মতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি। তারপরও মানুষ বলে চেম্বারে ডাক্তার থাকেন না। রোগী সেবা পান না। আসলে চিকিৎসক স্বল্প, এটা তাঁরা জানেন না।’

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রুবিনা ইয়াসমিন বলেন, ‘১০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে উন্নীত হলেও কোনো জনবল দেওয়া হয়নি। নিরাপত্তা ব্যবস্থা না থাকায় নতুন ভবন আমরা ব্যবহার করতে পারছি না। চিকিৎসকের অভাব রয়েছে। বাধ্য হয়ে কয়েকজন চিকিৎসকদের দিয়ে পর্যায়ক্রমে সেবা দিয়ে যাচ্ছি। সরকার জনবল বাড়ালে এবং চিকিৎসকের শূন্য পদ পূরণ করলে সেবার মান আরও বাড়াবে। আউট বোলিং এর মাধ্যমে কয়েকজন কর্মীর সহযোগিতা নিয়ে হাসপাতালের কার্যক্রম চালাতে হচ্ছে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    বিজ্ঞান মেলায় খুদে শিক্ষার্থীদের যত উদ্ভাবন

    মাভাবিপ্রবিসাসের কমিটি বাতিলের দাবি

    টেকনাফে নবজাতকের পরিত্যক্ত মরদেহ উদ্ধার

    করোনায় আরও একটি মৃত্যুশূন্য দিন

    স্বামী বদলানো যায় কিন্তু প্রতিবেশী না—ভারত সম্পর্কে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী    

    দৌলতদিয়া ঘাটে ফেরি পারের অপেক্ষায় যানবাহনের দীর্ঘ সারি

    চাটমোহরে ৪ জয়িতাকে সম্মাননা প্রদান

    প্রিয় বালিশ নিয়েই দেশে ফিরলেন রিজওয়ান