Alexa
মঙ্গলবার, ৩০ নভেম্বর ২০২১

সেকশন

 

জগন্নাথ হল ট্র্যাজেডি: ঢাবিতে শোক দিবস পালন 

আপডেট : ১৫ অক্টোবর ২০২১, ১৪:৩১

শোক দিবসের আলোচনা সভায় বক্তারা। ছবি: আলী হোসেন মিন্টু  বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে শুক্রবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পালিত হয়েছে শোক দিবস। ১৯৮৫ সালের ১৫ অক্টোবর রাতে জগন্নাথ হলে সংঘটিত মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় নিহতদের স্মরণে প্রতিবছর দিনটি শোক দিবস হিসেবে পালন করা হয়। 

দুর্ঘটনায় ২৬ জন ছাত্র, ১৪ জন অতিথি ও কর্মচারীসহ মোট ৪০ জন নিহত হন। দিবসটি পালন উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল, হোস্টেল ও প্রধান প্রধান ভবনে কালো পতাকা উত্তোলন, বিশ্ববিদ্যালয়ের পতাকা অর্ধনমিত রাখা ও কালো ব্যাজ ধারণ করা হয়। 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের নেতৃত্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সকাল সাড়ে ৭টায় জগন্নাথ হল স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও নীরবতা পালন করেন। এ ছাড়া বাংলাদেশ ছাত্রলীগসহ আরও বেশ কয়েকটি সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। 

পরে জগন্নাথ হলের অক্টোবর স্মৃতি ভবন প্রাঙ্গণে এক আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সভাপতিত্বে সভায় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) এ এস এম মকসুদ কামাল, জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল সাহা, প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানী, হলের হাউজ টিউটররা, ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন ও তৃতীয়-চতুর্থ শ্রেণির কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন। 

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান নিহতদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, সেদিন অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে যার যার সাধ্যানুযায়ী রক্ত, অর্থ ও শ্রম দিয়ে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় হতাহতদের সাহায্যে সবাই এগিয়ে এসেছিল। মানবিক বিপর্যয় প্রতিরোধে এই ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টা হলো আমাদের ধর্মীয়, সামাজিক ও মানবিক মূল্যবোধের বহিঃপ্রকাশ। 

উপাচার্য আরও বলেন, ‘১৫ অক্টোবর’ থেকে আমাদের শিক্ষা গ্রহণ করতে হবে এবং সবার নিজ নিজ দায়িত্বের জায়গাটি জাগ্রত রাখতে হবে। এ ধরনের দুঃখজনক ঘটনার যেন পুনরাবৃত্তি না হয়, সেদিকে যত্নবান ও সচেতন থাকার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। 

জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ মিহির লাল সাহা বলেন, 'আমি সে সময় ছাত্র ছিলাম। বর্তমানে প্রাধ্যক্ষ হিসেব আছি। সে সময় আমার পরীক্ষা থাকার কারণে আমি টিভি রুমে ছিলাম না, হয়তো আমিও নিহতদের অন্তর্ভুক্ত হতাম। আজ ৪০ জন না হয়ে ৪১ জন হতে পারত। ভগবান আমাকে রক্ষা করেছেন।'   

শোক উপলক্ষে নিহতদের আত্মার শান্তি কামনায় জগন্নাথ হল প্রাঙ্গণে হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের প্রার্থনাসভা অনুষ্ঠিত হয় এবং বাদ আসর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদে মোনাজাত করা হবে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    ৪৪তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

    ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কারণে এইচএসসি পরীক্ষা বন্ধ হবে না: শিক্ষামন্ত্রী

    দ্বিতীয়বারের মতো নর্দান ইউনিভার্সিটির উপাচার্য হলেন আনোয়ার হোসেন

    গুচ্ছের পুনর্নিরীক্ষায় কারও ফলাফল পরিবর্তন হয়নি

    ইউল্যাবের ষষ্ঠ সমাবর্তন সোমবার, সমাবর্তন বক্তা মাশরাফি

    আগামীকাল থেকে শুরু ইবির ভর্তি আবেদন

    সাঁতার শিখতে গিয়ে সদ্য নিয়োগ পাওয়া সেনা সদস্যের মৃত্যু

    ডিআরইউ সভাপতি মিঠু, সম্পাদক হাসিব

    ১৭ মিলিয়নের গাড়িতে চড়া হবে না রোনালদোর!

    নিরাপদ সড়কের দাবিতে খুবিতে মোমবাতি প্রজ্বলন

    রাবিতে জিল্লুর রহিম রিসার্চ ল্যাবরেটরি উদ্বোধন

    ‘বন্ধুকযুদ্ধে’ নিহতদের এলাকায় দাফন না করার দাবিতে ঝাড়ুমিছিল