বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

মেয়র খালেক দুষলেন কেডিএ’র অসহযোগিতাকে

সড়কের সংস্কার শেষ হয়নি

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২১, ১৩:৫৭

খুলনা সিটি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক গতকাল সকালে নগরীর আহসান আহমেদ রোড ও সামছুর রহমান রোডের বিভিন্ন উন্নয়ন ও সংস্কার কাজ পরিদর্শন করেন। ছবি: আজকের পত্রিকা দুই দফা করোনাভাইরাসের ঢেউ এবং বর্ষা মৌসুমের কারণে খুলনা মহানগরীর ড্রেনেজ, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নের কাজ বাধাগ্রস্ত হয়েছে। কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম সড়ক সংস্কার না হওয়ায় নগরবাসীর দুর্ভোগ বেড়েছে। এ ছাড়া বর্ষা মৌসুম দীর্ঘ হওয়ায় এসব সড়কে গর্ত বা খানাখন্দ বেড়েছে। এ কারণে সব ধরনের যানবাহন ও পথচারী চলাচলেও বেড়েছে ভোগান্তি।

বর্তমানে খুলনা সিটি করপোরেশন কর্তৃপক্ষ এসব উন্নয়ন ও সংস্কারের কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নিয়েছে। খুলনা সিটি করপোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক গতকাল মহানগরীর ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নের কাজ সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের দ্রুত সম্পন্ন করার নির্দেশ দেন।

নগরীর জলাবদ্ধতা নিরসনকল্পে সিটি করপোরেশন উদ্যোগ গ্রহণ করে পয়োনিষ্কাশন ব্যবস্থা ও সড়ক উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নেয়। সে অনুযায়ী ২০২০ সালের প্রথমদিকে নগরীর ড্রেনগুলো প্রশস্তকরণ, সড়ক সংস্কার ও দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত নির্মাণকাজ শুরু করে। কিন্তু মাঝপথে করোনা ঢেউ শুরু হলে কাজ ব্যাহত হয়। পরে করোনার প্রভাব কিছুটা কমে এলেও শুরু হয় বর্ষা মৌসুম। বর্ষা মৌসুমে টানা বৃষ্টিপাতে আরেক দফা উন্নয়নকাজ বাধাগ্রস্ত হয়। সব মিলিয়ে নগর উন্নয়নের কাজ অনেকটা পিছিয়ে পড়ে।

এর ফলে নগরীর গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ততম বেশ কয়েকটি সড়ক বেহাল হয়ে পড়ে। বিশেষ করে নগরীর আহসান আহম্মেদ রোড, সামছুর রহমান রোড, সিমেট্রি রোড, ফারাজী পাড়া মেইন রোড, খালিশপুর ১৮ নম্বর রোড, সাউথ সেন্ট্রাল রোড, রতন সেন সরণি, রূপসা স্ট্যান্ড রোড, টুটপাড়া সেন্ট্রাল রোড সংস্কারের অভাবে যান ও পথচারীদের চলাচলে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। বর্তমানে করোনার প্রভাব ও বৃষ্টিপাত কমে যাওয়ায় খুলনা সিটি করপোরেশন এসব সড়ক ও ফুটপাত দ্রুত সংস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে বলে কেসিসি সূত্রে জানা যায়।

গতকাল সকাল ৯টায় নগরীর আহসান আহমেদ রোড ও সামছুর রহমান রোডের ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাতের উন্নয়নকাজ পরিদর্শন করতে আসেন মেয়র। এ সময় তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, নগরীর জলাবদ্ধতা দূরীকরণ তাঁর নির্বাচনী চ্যালেঞ্জ। সে উদ্দেশ্যে তিনি মেয়র নির্বাচিত হওয়ার পরপরই এ প্রকল্প হাতে নেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কেসিসিকে পর্যাপ্ত অর্থ বরাদ্দ দিয়েছেন। জলাবদ্ধতা নিরসনে নগরীর অপ্রশস্ত ড্রেনগুলো প্রশস্তকরণ, সড়ক সংস্কার ও দৃষ্টিনন্দন ফুটপাত নির্মাণ প্রকল্পের কাজ শুরু করা হয়। কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছিল। কিন্তু হঠাৎ করে মহামারি করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হলে উন্নয়নকাজ মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। পুনরায় কাজ শুরু হলেও বর্ষা মৌসুম আসায় এবং টানা বৃষ্টিপাতের কারণে উন্নয়ন আবারও বাধাগ্রস্ত হয়। সময়মতো ড্রেন, সড়ক ও ফুটপাত উন্নয়ন না হওয়ায় নগরবাসীকে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এ জন্য তিনি দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, বর্তমানে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গুণগত মান ঠিক রেখে দ্রুত উন্নয়নকাজ সম্পন্ন করার জন্য কেসিসি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এক প্রশ্নের জবাবে মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক বলেন, খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (কেডিএ) অসহযোগিতা ও সমন্বয় না হওয়ায় খুলনা মহানগরীর উন্নয়ন বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। কেডিএ নগরীতে যেসব আবাসন প্রকল্প করেছে, সেগুলোতে ড্রেন নির্মাণ করা হয়নি, রাখা হয়নি বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, নেই কোনো পার্ক ও খেলার মাঠ। নাগরিক সুবিধা কম থাকায় এসব আবাসনের হোল্ডিং মালিকদের কাছে ট্যাক্স নিতে কেসিসিকে বিরূপ পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে। এর দায় কেডিএ নিচ্ছে না। নগরীর সব ফুটপাত দখলমুক্ত করতে কেসিসি নিয়মিত উচ্ছেদ অভিযান চালাবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতআলোচিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

    আগাম শীতের সবজি চাষ

    হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি

    পুকুর থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    পশ্চিম তীরে ৩ হাজার বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিল ইসরায়েল

    ব্যবসায়িক স্বার্থে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ে, শ্রমিকদের বেতন বাড়ে না: নজরুল ইসলাম খান

    চাকরির জন্য যৌতুকের টাকা না দেওয়া অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধর

    ভারতকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া কোচকেই নিয়ে আসছে পাকিস্তান! 

    বিধবা নারীর বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

    আনোয়ারায় চার দিনে ৮টি গরু চুরি