মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

আ.লীগের পাল্টাপাল্টি কমিটি

আপডেট : ১৪ অক্টোবর ২০২১, ১০:২৩

১. জেলা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে নিয়ে সদর উপজেলার কেন্দুয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি–বার্ষিক সম্মেলন।  ২. সদর উপজেলার কুনিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের ত্রি–বার্ষিক সম্মেলন করেন শাজাহান খানপন্থিরা। tফাইল ছবি মাদারীপুর সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দল আরও বেড়েছে। জেলা সম্মেলনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে উপজেলাগুলোর ইউনিয়ন কমিটির মেয়াদ উত্তীর্ণ হওয়ায় নতুন করে কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে এরই মধ্যে জেলা সদরের বিরাজমান দুই গ্রুপের নেতাদের পাল্টাপাল্টি কমিটি গঠন নতুন করে বিবাদের জন্ম দিয়েছে। এক গ্রুপের নেতৃত্বে রয়েছেন কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীয় সদস্য ও মাদারীপুর-২ আসনের সাংসদ শাজাহান খান। অন্য গ্রুপের নেতৃত্বে সংগঠনটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও মাদারীপুর-৩ আসনের সাবেক সাংসদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম।

শাজাহান খানপন্থিরা এরই মধ্যে সদর উপজেলার ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে ১২টিতে কমিটি গঠনের লক্ষ্যে তাড়াহুড়া করে সম্মেলন করেছেন। অপর দিকে বাহাউদ্দিন নাছিম ও জেলা আওয়ামী লীগের বৃহৎ অংশ মিলে ৭টি ইউনিয়নের কমিটি গঠন করেছেন। এভাবে জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের অন্তর্কোন্দল আবারও প্রকাশ্যে এসেছে। এতে তৃণমূলে ক্ষোভ ও অসন্তোষ বিরাজ করছে।

মাদারীপুর জেলা ও উপজেলা আওয়ামী লীগের একাধিক নেতা জানান, জেলা সম্মেলনের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে সদর, রাজৈর, কালকিনি, ডাসার ও শিবচর উপজেলা আওয়ামী লীগের কমিটিকে বিভিন্ন ইউনিয়ন কমিটি করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। শাজাহান খানপন্থি হিসেবে পরিচিত মাদারীপুর সদরের উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সৈয়দ শাখাওয়াত হোসেন সেলিম গত সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে শাজাহান খানের ছোট ভাই অ্যাডভোকেট ওবায়দুর রহমান খানের (বিদ্রোহী প্রার্থী) পক্ষে কাজ করায় জেলায় তাকে পদ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তার পরিবর্তে সহসভাপতি ইউসুফ আলী চোকদারকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়। অপরদিকে দলের সদর উপজেলার সাধারণ সম্পাদকের মৃত্যু হওয়ায় সহ-সম্পাদক মো. মস্তফা কবিরাজকে ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব দেওয়া হয়।

দলীয় সূত্রে আরও জানা গেছে, জেলার নির্দেশনা অনুযায়ী সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ এ পর্যন্ত ৭টি ইউনিয়নে সম্মেলন করে কমিটি ঘোষণা করেছে। অপরদিকে শাজাহান খানপন্থি সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন সেলিম ও এজাজুর রহমান আকন সমর্থকদের দিয়ে তড়িঘড়ি করে এ পর্যন্ত ১২টি ইউনিয়নে সম্মেলন করিয়েছেন। তবে এখনো তাঁরা কমিটি ঘোষণা করেননি।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজল কৃষ্ণ দে জানান, ‘যেহেতু জেলা সংগঠনের লিখিত নির্দেশে ইউনিয়ন কমিটি গঠনের বৈধ ক্ষমতাপ্রাপ্ত এবং সম্মেলনে জেলার নেতারা সেখানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকেন, তাই তাদের সম্মেলন কমিটি বৈধ। অন্যদিকে কেবল শাজাহান খানের সমর্থন নিয়ে যারা সম্মেলন করছে তারা অবৈধ।’

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ মোল্লা বলেন, ‘শাজাহান খান দলের বাইরে তার নিজস্ব কিছু লোক নিয়ে আবার সেই আগের মতো তৃণমূলে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করছেন। দলের সাংগঠনিক সমস্যা সমাধান না করে সমস্যা সৃষ্টি করাই তার কাজ। দল ঐক্যবদ্ধ হয় তা সে (শাজাহান খান) চায় না।’

এ ব্যাপারে শাজাহান খানকে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করেও পাওয়া যায়নি। তিনি ঢাকাতে অবস্থান করছেন বলে জানিয়েছেন ব্যক্তিগত সচিব সৈয়দ মমসাউজ্জামান মিমুন। শাজাহানপন্থি আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ সাখাওয়াত হোসেন সেলিম জানান, ‘আমাদের কমিটি অনুমোদন দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি তো এখনো আমাদের বাদ দেননি। আর জেলা আওয়ামী লীগই তো মেয়াদ উত্তীর্ণ, তারা কীভাবে আমাদের বাদ দেয়। আমরা গঠনতন্ত্র অনুসারে কমিটি করছি।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    ১৩ চেয়ারম্যান প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা

    বিলপাড়ার সুস্বাদু চমচম

    ঘাটাইলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে হোটেলে ট্রাক, আহত ২

    নন্দীগ্রামে বৃদ্ধি পাচ্ছে পরিবেশ বিপর্যয়কারী ইউক্যালিপটাস গাছের উৎপাদন ও বিপণন

    করোনার টিকা কি বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টের উসকানি ভারতের মুসলমানদের জীবন বিপাকে ফেলছে: কাদের

    আওয়ামী লীগকে গদি ছেড়ে রাস্তায় নামার পরামর্শ মির্জা আব্বাসের

    এ এইচ এম হাবিবুর রহমান ভূঁইয়ার দায়িত্ব গ্রহণ

    কাউখালীতে অগ্নিকাণ্ডে ৯ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও ৩ বসতঘর পুড়ে ছাই