রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

অভিযোগ গঠন পেছাল

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:২০

এমসি কলেজে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের করা চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মামলায় আদালতে গতকাল হাজির আসামিদের দুজন। ছবি: আজকের পত্রিকা এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে দল বেঁধে গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় পুলিশের করা চাঁদাবাজি ও ছিনতাইয়ের মামলায় অভিযোগ গঠন পেছাল। আসামিদের  মামলা থেকে অব্যাহতির আবেদনের কারণে অভিযোগ গঠন করা সম্ভব হয়নি বলে জানিয়েছেন রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি রাশিদা সাইদা খানম। মঙ্গলবার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলার অভিযোগ গঠনের দিন ধার্য ছিল।

ট্রাইব্যুনালের সরকারি কৌঁসুলি রাশিদা সাইদা খানম জানান, মামলার প্রধান আসামি সাইফুর রহমানের আইনজীবী অব্যাহতির আবেদন করেন। বিচারক মোহিতুল হক আবেদনটি শুনানির জন্য রেখে দেওয়ায় অভিযোগ গঠন করা যায়নি। কারাগার থেকে আদালতে আসামিদের নিয়ে আসা হলেও বিচারকের সামনে হাজির করা হয়নি।

গত বছরের তিন ডিসেম্বর মামলার প্রধান অভিযুক্ত ছাত্রলীগকর্মী সাইফুরসহ আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ। এর মধ্যে ধর্ষণ মামলার অভিযোগপত্র নারী ও নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে এবং চাঁদা দাবি ও গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় মামলার অভিযোগপত্র মহানগর দায়রা জজ আদালতে জমা দেয় পুলিশ। অভিযোগপত্রে আট আসামির মধ্যে ছয়জনকে ধর্ষণে সরাসরি জড়িত আর দুজনকে তাঁদের সহযোগী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

সরাসরি জড়িত অভিযুক্তরা হলেন, প্রধান আসামি ছাত্রলীগকর্মী সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেকুল ইসলাম তারেক, অর্জুন লস্কর, আইনুদ্দিন ওরফে আইনুল ও মিসবাউল ইসলাম রাজন মিয়া। আর সহযোগী হিসেবে অভিযুক্ত করা হয়েছে রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান মাসুমকে। এর আগে ডিএনএ টেস্টেও গ্রেপ্তার আসামিদের ডিএনএ নমুনার সঙ্গে ঘটনাস্থলের ডিএনএ নমুনার মিল পাওয়া যায়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী মো. শহীদুজ্জামান জানান, এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে আলোচিত এ ধর্ষণের ঘটনায় একটি ও ধর্ষিতার স্বামীর কাছে চাঁদা দাবি ও গাড়ি ছিনতাইয়ের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে আরেকটি মামলা করে। মো. শহীদুজ্জামান বলেন, ‘বাদী পক্ষ মনে করে একই ঘটনায় পৃথক দুটি মামলার বিচারকাজ দুই আদালতে পরিচালিত হলে সাক্ষীদের দুই আদালতেই সাক্ষ্য দিতে হবে। এতে নানা অসংগতি দেখা দেবে। বিচার প্রক্রিয়াও ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা থেকেই যায়। তাই দুটি মামলার বিচার একই আদালতে করার জন্য আদালতে আবেদন জানানো হয়েছে। পরে হাইকোর্ট দুটি মামলা একই আদালতে বিচারের আদেশ দেন।’

এ আদেশের পর সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে দুটি মামলার বিচারকাজ এক সঙ্গে চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। ধর্ষণের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গত ১৭ জানুয়ারি আট আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। কিন্তু এখনো সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়নি। উল্লেখ্য, গত বছরের ২৫ সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার এমসি কলেজে স্বামীর সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে ছাত্রলীগের কয়েকজন কর্মীর ধর্ষণের শিকার হন এক গৃহবধূ।

এ ঘটনায় পরদিন সকালে গৃহবধূর স্বামী বাদী হয়ে শাহপরাণ থানায় ছাত্রলীগকর্মী সাইফুর রহমানকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত আরও ২-৩ জনকে আসামি করে মামলা করেন। মামলায় গ্রেপ্তার আট আসামি আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। আলোচিত এ মামলায় ৪৯ জনকে সাক্ষী রাখা হয়েছে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    খেতের পেঁপে খেতেই নষ্ট

    ২১ হাজারে চিকিৎসক ১

    নিজ ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ

    চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ভারত

    দেড় বছর পর শ্রেণিকক্ষে ফিরল ঢাবি শিক্ষার্থীরা

    অনেক কিছু দেখছি, প্রমাণের অপেক্ষায় আছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

    মেসিকে ছুঁলেন ছেত্রী

    সরকারি চাকরি

    ২২ অক্টোবর একদিনেই ১৭টি চাকরির পরীক্ষা

    ভোলায় যুবকের ছুরির আঘাতে চা দোকানি নিহত