মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

গতি পাচ্ছে কালুরঘাট নতুন সেতু

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১০:১৭

পাখির চোখে কালুরঘাট সেতু কর্ণফুলীর ওপর নতুন কালুরঘাট সেতু নির্মাণের জন্য পরামর্শক নিয়োগ করেছে দাতা সংস্থা কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংক। আগামী নভেম্বর থেকে কাজ শুরু করে পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে নতুনভাবে সেতুর সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও ডিটেইলড ডিজাইন সম্পন্ন করবেন তাঁরা।

রেলওয়ে পূর্বাঞ্চলের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী (সেতু) মো. আহসান জাবির গতকাল বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সম্ভাব্যতা যাচাইয়ের কাজ শেষ হওয়ার পর জানা যাবে, কত টাকা দাতা সংস্থা আমাদের দিতে পারে।’

এর আগে গত ১৯ মে রেলপথ মন্ত্রণালয়ে কোরিয়ান দাতা সংস্থা ইকনোমিক ডেভেলপমেন্ট কো-অপারেশন ফান্ডের (ইডিসিএফ) বাংলাদেশ প্রতিনিধিদের সঙ্গে একটি বৈঠক হয়। সেখানে নতুন সেতুর অর্থায়নের বিষয়টি নিশ্চিত করে ইডিসিএফ। এরপর ৬ মাসের মধ্যে সম্ভাব্যতা যাচাই ও ডিটেইলড ডিজাইনের কাজ সম্পন্ন করার অনুরোধ করা হয়।

আহসান জাবির বলেন, ‘যেহেতু পরামর্শক নিয়োগ হয়েছে সেহেতু কালুরঘাট সেতুর নির্মাণকাজ শিগগিরই শুরু হবে বলে আশা করছি।’

রেলসংযোগসহ সড়ক সেতুটি কর্ণফুলী নদীর নাব্য থেকে ৭ দশমিক ৬ মিটার উচ্চতায় করতে ২০১৮ সালের প্রস্তাবিত প্রকল্পে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১ হাজার ১৫১ কোটি ৮৮ লাখ টাকা। অর্থায়ন ও নকশা চূড়ান্ত হলেও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) আপত্তিতে বন্ধ হয়ে প্রকল্পটি।

দাতা সংস্থা কোরিয়ান এক্সিম ব্যাংকের কর্মকর্তা মি. সিইউক বলেন, ‘নভেম্বর থেকে সম্ভাব্যতা যাচাই শুরু করা হবে। ছয় থেকে একবছরের মধ্যে আমরা কাজটি শেষ করতে পারবো বলে আশা করছি।’ তবে কৌশলগত কারণে পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের নাম এখন বলতে রাজি হননি তিনি।

সূত্রে জানা গেছে, শুরুতে রেল মন্ত্রণালয় থেকে সাড়ে ৭ মিটার উচ্চতায় সেতুর নির্মাণের সিদ্ধান্তে আপত্তি ছিল না বিআইডব্লিউটিএ-এর। কিন্তু প্রকল্প বাস্তবায়নে নকশা ও বাজেটের চূড়ান্ত হওয়ার পর সেতুর উচ্চতা নিয়ে আপত্তি উঠে।

নৌ-পরিবহন মন্ত্রণালয়ের ২০১৮ সালের নতুন নীতিমালা অনুযায়ী ১২ দশমিক ২ মিটার উঁচুতে সেতু নির্মাণের অনুরোধ জানানো হয়। এ নিয়ে দুই মন্ত্রণালয়ে চিঠি চালাচালি ও আলোচনা চলতে থাকে।

এ অবস্থায় প্রধানমন্ত্রী রেল সংযোগসহ সড়ক সেতু নির্মাণের নির্দেশ দেন। এরপর দ্বিতীয় কালুরঘাট সেতু প্রকল্পে গতি আসে।

১৯৩০ সালে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত ৭০০ গজ দীর্ঘ রেল সেতুটি ২০০১ সালে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। পরে ২০০৪ ও ২০১২ সালে দুই দফায় এ সেতুটি বন্ধ রেখে সংস্কার কাজ করেছিল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ। বর্তমানে সেতুটির অবস্থা জরাজীর্ণ। ৯০ বছর বয়সী সেতুর ওপর দিয়ে প্রতিদিন ঝুঁকি নিয়ে চলছে কয়েক হাজার যানবাহন ও কয়েক জোড়া ট্রেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক পুকুরে

    টাঙ্গাইলে অপরাধ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    সখীপুরে নিত্যসঙ্গী যানজট

    এই অসুরকে বধ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

    ঢাবিতে সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধে মশাল মিছিল 

    মহেশখালীতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

    খেয়াঘাটে দুই বোনকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

    পূজামণ্ডপ সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় গ্রেপ্তার ৪৫০, মামলা ৭১

    সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন শাবকের জন্ম