রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য, উপজেলা চেয়ারম্যানের নামে মামলা

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৯

আওয়ামী লীগের নারী কর্মীর বিরুদ্ধে কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য ফেসবুকে পোস্ট ও শেয়ার করার অভিযোগে পাবনার বেড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবুসহ দুজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলা হয়েছে।

চেয়ারম্যান রেজাউল হক বলেন, ‘মামলার নকলের কপি তুলে দেখি কী বিষয়। আর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করে দেখবে।’

রাজশাহী সাইবার ট্রাইব্যুনাল আদালতে গত ২৬ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের ওই নারী কর্মী। বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পাবনাকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। গতকাল মঙ্গলবার বিষয়টি জানাজানি হয়।

উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবু জাতসাকিনী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি। তিনি আমিনপুর থানার নয়াবাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। অপর আসামি হলেন মোল্লা আরমান। তিনি বিশ্বনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা।

মামলার আরজি সূত্রে জানা গেছে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর একটি প্রতিবাদ সমাবেশে দ্বিতীয় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবু তাঁর বক্তব্যে ওই নারীর স্বামীর নাম উল্লেখ করে অশালীন মন্তব্য করেন। তাঁর কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট ও শেয়ার হয়। তাঁর দেওয়া এ বক্তব্য মামলার প্রথম অভিযুক্ত মোল্লা আরমান তাঁর ফেসবুক আইডি দিয়ে ওই দিন সরাসরি প্রচার করেন। রেজাউল হক বাবু ওই বক্তব্য পরদিন ২০ সেপ্টেম্বর নিজ আইডি থেকে শেয়ার করেছেন।

মামলার বাদী বলেন, প্রথম আসামির ফেসবুকের ওই পোস্ট মানহানিকর, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, আক্রমণাত্মক, ভীতি প্রদর্শনমূলক এবং সাম্প্রদায়িক শান্তি শৃঙ্খলা বিনষ্ট করেছে। তিনি দাবি করেন, ‘ফেসবুকের ওই অসত্য, কাল্পনিক, মিথ্যা পোস্ট তাঁর পরিবার ও সমাজ এবং সম্প্রদায়ের কাছে মারাত্মকভাবে অপমানজনক ও মানহানিকর। এগুলোর কোনো যাচাই বাছাই না করেই মামলার দ্বিতীয় অভিযুক্ত তাঁর আইডি থেকে পোস্টটি শেয়ার দিয়েছেন। সুবিচারের আশায় তিনি অভিযুক্ত দুজনের বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মামলাটি করেছেন।’

আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে পিবিআই পাবনাকে তদন্ত করে ২৮ অক্টোবরের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মামলার বাদী।

মামলার বাদী ও আওয়ামী লীগের ওই নারী কর্মী বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে ব্যবহার করে তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও মনগড়া বক্তব্য শেয়ার করে সামাজিক ও মানসিকভাবে ক্ষতি করেছেন অভিযুক্তরা। তিনি ন্যায় বিচারের আশায় আইনের আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন। তদন্তের মাধ্যমে অভিযুক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করছেন তিনি।

এ বিষয়ে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবু বলেন, ‘আমি গত রোববার সন্ধ্যার পর মামলার বিষয়টি জেনেছি। মামলার নকলের কপি তুলে দেখি কী বিষয়। আর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তদন্ত করে দেখবে। যদি ঘটনার সত্যতা পায়, তাহলে মামলা হবে। যদি মিথ্যা হয়, তাহলে তো মামলা হবে না।’

পিবিআই পাবনার পুলিশ সুপার ফজলে এলাহী বলেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল হক বাবুসহ দুজনের বিরুদ্ধে করা মামলার তদন্তের নির্দেশনা পেয়েছেন। ইতিমধ্যে উপপরিদর্শক (এসআই) পঙ্কজ কুমারকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। যদি না হয় আদালতের কাছে সময় বাড়াতে আবেদন করা হবে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    খেতের পেঁপে খেতেই নষ্ট

    ২১ হাজারে চিকিৎসক ১

    নিজ ক্যাম্পাসে ভর্তি পরীক্ষা শুরু আজ

    দুই যুগ পর মঞ্চে আফজাল হোসেন

    দোয়েলের চন্দ্রাবতী হয়ে ওঠা

    ৫৭৮ দিন পর খুলল রাবির আবাসিক হল

    চট্টগ্রাম কমনওয়েলথ যুদ্ধ সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছে ভারত

    দেড় বছর পর শ্রেণিকক্ষে ফিরল ঢাবি শিক্ষার্থীরা

    অনেক কিছু দেখছি, প্রমাণের অপেক্ষায় আছি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী