মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

তিন কোম্পানির ভ্যাট ফাঁকি র অভিযোগ

আপডেট : ১৩ অক্টোবর ২০২১, ১৬:১০

বাংলালিংক, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও এটিআই সিরামিকসকে ভ্যাট ফাঁকির তদন্ত থেকে বাদ দিতে বলছে ভ্যাট এলটিইউ। তবে এতে সায় দিচ্ছে না ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। ফলে এই তিন প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি ধরতে ভ্যাট গোয়েন্দার চলমান অভিযান অব্যাহত থাকবে। এনবিআর সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

ভ্যাট আদায়ের বিশেষায়িত কমিশনারেট বৃহৎ করদাতা ইউনিট—এলটিইউ। এখানে দেশের শীর্ষ ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো ভ্যাট দিয়ে থাকে। সম্প্রতি এলটিইউর তিন শীর্ষ ভ্যাটদাতা কোম্পানি বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনস, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস এবং এটিআই সিরামিকসের ভ্যাট ফাঁকির তদন্ত শুরু করছে ভ্যাট নিরীক্ষা, গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর। এ সংস্থাটিও ভ্যাট ফাঁকি ধরার বিশেষায়িত কর্তৃপক্ষ। বাংলাদেশের ভেতরের সব ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠানই এ কমিশনারেটের আওতাধীন। যখনই কোনো প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকির সন্দেহ করা হবে, তখনই ওই সব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অভিযান বা তদন্ত কার্যক্রম নিতে পারবে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর। তারই ধারাবাহিকতায় এ অধিদপ্তর সম্প্রতি অন্য প্রতিষ্ঠানের মতো এই তিন কোম্পানির বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নামে।

তবে এই কোম্পানিগুলো ভ্যাট এলটিইউর তালিকাভুক্ত ভ্যাটদাতা হওয়ায়, এর কমিশনার ওয়াহিদা রহমান চৌধুরী সম্প্রতি এসব কোম্পানির তদন্ত না করতে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরকে চিঠি দিয়েছেন। ভ্যাট গোয়েন্দার মহাপরিচালককে দেওয়া ওই চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন যে এরা যেহেতু তাদের কমিশনারেটের আওতায় ভ্যাটদাতা প্রতিষ্ঠান, তাই তাদের তদন্ত তারা নিজেরাই করছে। তাই তিনি ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরকে তাদের তদন্ত না করার অনুরোধ জানান।

ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান ভ্যাট এলটিইউর আপত্তির বিষয়টি স্বীকার করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভ্যাট এলটিইউ থেকে কোম্পানি তিনটির নাম বাদ দেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। তবে আমরা তা বাদ দিচ্ছি না। কারণ, আমাদের আর তাদের কাজ আলাদা। আমরা রাজস্বের স্বার্থে যেকোনো প্রতিষ্ঠানের ভ্যাট ফাঁকি ধরতে চাইলে যেকোনো সময় অভিযান বা অনুসন্ধান করতে পারি। এটাই আমাদের কাজ। ভ্যাটদাতা যেকোনো কমিশনারেটের আওতায়ই হোক না কেন, এটা আমাদেরই এখতিয়ার। ভ্যাট এলটিইউ তাদের মতো করে অনুসন্ধান করবে, আমরা আমাদের মতো।’

জানা যায়, ভ্যাট এলটিইউসহ ভ্যাটের প্রায় সব কমিশনারেটই তাদের আওতাধীন ভ্যাটদাতাদের ভ্যাট ফাঁকির সন্দেহ থাকলে তারাও তাদের মতো করে রুটিন ভিত্তিতে তদন্ত করে থাকে। তবে তদন্তের ফলাফলের বিচারে দেখা যায়, ফাঁকি ধরা ও জড়িত রাজস্ব আদায়ে কমিশনারেটের চেয়ে ভ্যাট গোয়েন্দা অধিদপ্তর এগিয়ে থাকে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    গোছানো থাক শিশুর ঘর

    মোবাইল ফোন আসক্তি

    বানাও ঘুমন্ত ভালুক

    গাছের অবস্থা ফেরাতে

    গুঁড়ো দুধের রসমালাই

    ভয়ডরহীন ক্রিকেট খেলতে হবে

    পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর জেল

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে মামলা

    প্রতারণার শিকার সংখ্যালঘু ৫ কৃষকের জামিন বহাল 

    মায়ের দেশ ছেড়ে দাদির দেশের স্বপ্নসারথি

    সাম্প্রদায়িক হামলায় তারকাদের ক্ষোভ

    বলিউডে মুক্তি পাচ্ছে বাংলাদেশি মিথিলার ছবি