রোববার, ১৭ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

দেশে এক বছরে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ১৪ হাজার

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ২৩:১৫

প্রায় দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে চলমান করোনা পরিস্থিতির কারণে দেশের অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়লেও কোটিপতির সংখ্যা দিনদিন বাড়ছে। চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিক এপ্রিল-জুন শেষে ব্যাংকগুলোতে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা গত বছরের এই সময়ের তুলনায় বেড়েছে ১৬ শতাংশ। জুন শেষে দেশে ব্যাংকগুলোতে কোটিপতির সংখ্যা ৯৯ হাজার ৯১৮-তে দাঁড়িয়েছে। গত বছরের জুন শেষে দেশের ব্যাংকগুলোতে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ৮৬ হাজার ৩৭টি। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে দেশে কোটিপতির সংখ্যা বেড়েছে ১৩ হাজার ৮৮১টি।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের হালনাগাদ পরিসংখ্যান থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জুন পর্যন্ত দেশের ব্যাংকগুলোতে ১২ কোটি ১৫ লাখ ৪৯ হাজার ব্যাংক হিসাব খোলা হয়। এগুলোর মধ্যে শূন্য দশমিক ০৮ শতাংশ হিসাব কোটিপতিদের। 

তথ্যে আরও দেখা যায়, চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে (এপ্রিল-জুন) ব্যাংক খাতে ৫ হাজার ৬৪৬টি কোটিপতি হিসাব যোগ হয়েছে, যেখানে বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) কোটিপতি হিসাব বেড়েছিল ৩৮২টি।

এ ছাড়া জানুয়ারিতে ব্যাংকে কোটিপতি হিসাবের সংখ্যা ছিল ৯৩ হাজার ৮৯০টি। মার্চ শেষে কোটিপতি হিসাব বেড়ে ৯৪ হাজার ২৭২-তে দাঁড়ায়।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য বিশ্লেষণে আরও দেখা যায়, করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর গত বছরের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে দেশের ব্যাংক খাতে ১০ হাজার ৫১টি নতুন কোটিপতি ব্যাংক হিসাব যুক্ত হয়েছে। আর কোটিপতি হিসাবগুলোতে আমানত যোগ হয়েছে ৬৮ হাজার কোটি টাকার ওপরে।

কোটিপতি হিসাব সংখ্যা ও আমানতের পরিমাণ বাড়তে থাকায় মোট আমানতে কোটিপতিদের অবদানও বাড়ছে। জানা গেছে, চলতি বছরের জুন শেষে ব্যাংকগুলোর মোট আমানতে কোটিপতিদের অবদান ছিল ৪৪ দশমিক ০৮ শতাংশ। আর জুন শেষে ব্যাংকগুলোতে খোলা সব ধরনের হিসাবগুলোতে জমার পরিমাণ ছিল ১৪ লাখ ৩৯ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যানে দেখা যায়, চলতি ২০২১ সালের জুন শেষে ব্যাংকগুলোতে ১ কোটি টাকা থেকে ৫ কোটি টাকা পর্যন্ত জমা থাকা হিসাবের ছিল ৭৮ হাজার ৬৯৪ টি। পাঁচ কোটি টাকা থেকে ১০ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানত থাকা ব্যাংকের হিসাব সংখ্যা ছিল ১১ হাজার ১৩টি। ১০ কোটি টাকা থেকে ১৫ কোটি টাকা জমা থাকা ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৫৯৯টি। ১৫ কোটি টাকা থেকে ২০ কোটি টাকা জমা থাকা ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৭৩২ টি। আর ২০ কোটি থেকে ২৫ কোটি টাকা পর্যন্ত আমানত জমা থাকা ব্যাংক হিসাবের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ১৮৫টি।

জানা গেছে, স্বাধীনতা অর্জনের পর ১৯৭২ সালে দেশে কোটিপতি আমানতকারীর সংখ্যা ছিল ৫ জন। যা ১৯৭৫ সালে ৪৭ জনে উন্নীত হয়। ১৯৮০ সালে দেশে কোটিপতির সংখ্যা ছিল ৯৮ জন। ১৯৯০ সালে তা দাঁড়ায় ৯৪৩ জনে। এর পর ১৯৯৬ সালে ২ হাজার ৫৯৪ জন, ২০০১ সালে ৫ হাজার ১৬২ জন, ২০০৬ সালে ৮ হাজার ৮৮৭ জন এবং ২০০৮ সালে দেশে কোটিপতির সংখ্যা দাঁড়ায় ১৯ হাজার ১৬৩ জন। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    হুন্ডির ঝুঁকিতে প্রবাসী আয়

    চালের দাম কেজিতে আবারও ২ টাকা বেড়েছে

    নীতিমালা না মেনে আইসিডি

    বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম ৭ বছরে সর্বোচ্চ

    আমদানির চাল ৩০ অক্টোবরের মধ্যে বাজারজাত করতে হবে

    বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্মেলন উপলক্ষে সংবাদ সম্মেলন কাল

    গোপালগঞ্জে ৭টি দোকান পুড়ে ছাই, কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি

    অন্য রিকশাওয়ালারা আমাকে নবাব শাহজাদা বলে

    ক্লাস শুরুর প্রথম দিনেই মধুতে মুখোমুখি ছাত্রলীগ-ছাত্রদল

    বিজ্ঞাপন ছাড়া সম্প্রচারে ফিরলো স্টার জলসাও

    অভিজ্ঞতা ছাড়া আইএফআইসি ব্যাংকে চাকরি

    রাশিয়াতে করোনায় একদিনে ৯৯৭ জনের মৃত্যু