মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

রায়হান হত্যার বছর পার

বিচারকাজ শুরুই হয়নি পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ১২:৪৬

রায়হান আহমদ। ছবি: সংগৃহীত সিলেটের বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নির্যাতনে হত্যা করা হয় রায়হান আহমদকে। এক বছর পেরিয়ে গেলেও সেই হত্যাকাণ্ডের বিচারকাজ শুরু হয়নি। পরিবারের সদস্যরা বিচারের আশায় দিন গুনছেন।

গত বছরের ১১ অক্টোবর ভোরে সিলেট নগরীর আখালিয়ার বাসিন্দা রায়হান আহমদকে বন্দরবাজার পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে নির্যাতন করা হয়। পরে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়। পরদিন পুলিশ হেফাজতে মৃত্যু (নিবারণ) আইনে রায়হানের স্ত্রী তান্নি বাদী হয়ে কোতোয়ালি থানায় মামলা করেন।

গত ৫ মে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) পাঁচ পুলিশ সদস্যসহ ছয়জনকে অভিযুক্ত করে অভিযোগপত্র দেয়। গত ৩০ সেপ্টেম্বর আদালত এই অভিযোগপত্র গ্রহণ করেন। তবে এখনো বিচারকাজ শুরু হয়নি।

অভিযুক্তরা হলেন বন্দরবাজার ফাঁড়ির তৎকালীন উপপরিদর্শক আকবর হোসেন ভুঁইয়া, উপপরিদর্শক হাসান উদ্দিন, সহকারী উপপরিদর্শক আশেক এলাহী, কনস্টেবল টিটু চন্দ্র দাস ও হারুনুর রশিদ এবং ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ গায়েবকারী আব্দুল্লাহ আল নোমান।

রোববার বিকেলে রায়হানের মা ও স্ত্রী হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার দাবিতে সিলেট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে মানববন্ধনে অংশ নেন। এ সময় রায়হানের দেড় বছর বয়সী শিশুকন্যা আলফাকেও নিয়ে আসেন তাঁরা।

রায়হানের মা সালমা বেগম ও স্ত্রী তাহমিনা আক্তার তান্নি বলেন, বন্দরবাজার ফাঁড়িতে রাতভর নির্যাতন করে রায়হানকে হত্যা করেছেন এসআই আকবরসহ পুলিশ সদস্যরা। নির্যাতনকারীদের যোগসাজশে ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজও গায়েব করেছেন আব্দুল্লাহ আল নোমান। তিনি এখনো পলাতক। আমরা চাই দ্রুত মামলার বিচারকাজ শেষ করে দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হোক।

এদিকে মামলার পর পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটি তদন্ত করে ফাঁড়িতে নিয়ে রায়হানকে নির্যাতনের সত্যতা পায়।

এদিকে প্রধান অভিযুক্ত এসআই আকবরসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়। এ মামলার তদন্ত এক বছরেও শেষ হয়নি। বিভাগীয় মামলা চলা ৯ পুলিশ সদস্যের মধ্যে পাঁচজন রায়হান হত্যা মামলার অভিযোগপত্রভুক্ত আসামি।

এ ছাড়া এসআই আবদুল বাতেন, এএসআই কুতুব আলী ও দুজন কনস্টেবল সাময়িক বরখাস্ত আদেশে মহানগর পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত আছেন।

এ বিষয়ে সিলেট মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (উত্তর) আজবাহার আলী শেখ বলেন, ‘বিভাগীয় সব কটি মামলার তদন্ত প্রায় শেষের পথে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা হলে প্রতিবেদন অনুযায়ী পুলিশের নিজস্ব আইনে তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সিলেট মহানগর আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সৈয়দ শামীম আহমদ বলেন, ‘অভিযোগপত্র দাখিল করার পর স্বাভাবিকভাবে এত দিনে মামলার বিচারকাজ শুরু হতো। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে বিলম্বিত হয়েছে। আদালত অভিযোগপত্র গ্রহণ করেছেন। মামলার পরবর্তী তারিখ আগামী ২ নভেম্বর ধার্য করা হয়েছে।’ 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর জেল

    মহেশখালীতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

    পীরগঞ্জে ধর্মীয় উসকানিমূলক পোস্টদাতা পরিতোষ জয়পুরহাটে গ্রেপ্তার

    নিখোঁজের ৮ মাস পর শিশুর মরদেহ উদ্ধার

    রাজধানীতে ৫০০ গ্রাম আইসসহ গ্রেপ্তার ৩

    স্ত্রীকে ফিরে পেতে শ্বশুরের বিরুদ্ধে জামাইয়ের সংবাদ সম্মেলন

    শিবগঞ্জ সীমান্ত থেকে কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার 

    হাগের আডির মতো ২০-২৫ টেহায় বেচতাছে বন

    ভারত-পাকিস্তান সেমিফাইনালে খেলবে, বলছেন পাকিস্তানি সাবেক 

    তফসিল ঘোষণার সাত দিন পরও মনোনয়ন ফরম না পাওয়ায় প্রার্থীদের ক্ষোভ 

    পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর জেল

    ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে মেয়র আতিকুলের বিরুদ্ধে মামলা