বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

ফাইজারের টিকা পাবে শিশুরা

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ১২:৩৫

আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে যশোরে আসছে ফাইজারের টিকা। এ লক্ষ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে টিকা সংরক্ষণাগার। প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে টিকাদান কর্মীদের। এদিকে শুরুতেই ফাইজারের টিকা পাবে ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সের শিশুরা। অগ্রাধিকার পেতে পারেন বিদেশ গমনে ইচ্ছুকেরাও। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যানুযায়ী ২০২০ সালের ৮ এপ্রিল যশোরের মনিরামপুরে সর্বপ্রথম করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়। এরপর ক্রমেই জেলার বিভিন্ন উপজেলায় করোনা ছড়িয়ে পড়লেও ততটা প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি। কিন্তু পরিস্থিতি পাল্টে যায় ২০২১ সালের মে মাসে। ওই মাসে দেশের মধ্যে সর্বপ্রথম যশোরে শনাক্ত হয় ভারতীয় ধরন ডেলটা। ভারতফেরত বাংলাদেশি দুই যাত্রী ভাইরাসটি বহন করছিল। কিছুদিন যেতে না যেতেই ডেলটা ধরনটি স্থানীয়ভাবে সংক্রমণ শুরু হয়। জুন থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেলাটিতে করোনা চরম ভয়াবহতা ছড়ায়।

স্বাস্থ্য বিভাগ আরও জানিয়েছে, যশোরে এ পর্যন্ত ২১ হাজার ৬৭০ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে সুস্থ হয়েছেন ২০ হাজার ৮৪৯ জন। আর মারা গেছেন ৪৯৮ জন। যার দুই-তৃতীয়াংশ শনাক্ত আর মৃত্যুর ঘটনা চলতি বছরের জুন থেকে সেপ্টেম্বর মাসে ঘটেছে।

যশোরের সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, করোনা প্রতিরোধে সারা দেশের মতো যশোরেও চলতি বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি করোনার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। ১০ অক্টোবর পর্যন্ত জেলায় মোট ৮ লাখ ৬৩ হাজার ১৬ ডোজ করোনার টিকা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে সিনোফার্মা ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা মিলে প্রথম ডোজ পেয়েছে ৫ লাখ ৭৭ হাজার ৯৮৮ জন। দ্বিতীয় ডোজ পেয়েছে ৩ লাখ ৪৭ হাজার ১৯৭ জন। অর্থাৎ দুটি ডোজই সম্পন্ন করেছেন এমন লোকের সংখ্যা জেলায় ৩ লাখ ৪৭ হাজার ১৯৭ জন।

সিভিল সার্জন জানান, যশোরে এ পর্যন্ত করোনার টিকার জন্য আবেদন করেছেন ১০ লাখ ৬৭ হাজার ৫৭ জন। বর্তমানে সিনোফার্মার ১ লাখ ৫ হাজার টিকা মজুত আছে। এ অবস্থায় আমরা কেন্দ্রে চাহিদা অনুযায়ী টিকার বিষয়ে বলে রেখেছি। ইতিমধ্যে কেন্দ্র থেকে ফাইজারের টিকা পাঠানোর ব্যাপারে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে।

ডা. শেখ আবু শাহীন আরও বলেন, ‘স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী ফাইজারের টিকা মাইনাস ৭০ ডিগ্রিতে সংরক্ষণ করতে হবে। সে অনুযায়ী সিভিল সার্জন অফিসের ভেতর দুটি কক্ষ প্রস্তুত করা হয়েছে, যাতে নির্দেশনা অনুযায়ী টিকাগুলো সংরক্ষণ করা সম্ভব হয়। একই সঙ্গে টিকা প্রয়োগের ক্ষেত্র এবং টিকাদান কর্মীদেরও প্রস্তুত করা হয়েছে।’

সিভিল সার্জন ডা. শেখ আবু শাহীন জানান, প্রাথমিকভাবে আমরা ১২ থেকে ১৭ বছর বয়সী শিশুদের ফাইজারের টিকার অন্তর্ভুক্ত করব। তাঁরা জন্মনিবন্ধন সনদের মাধ্যমে এ টিকা নিতে পারবে। মন্ত্রণালয় থেকে আপাতত এমনটিই নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে বিদেশ গমনে ইচ্ছুকদেরও এ টিকার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। কেননা অনেক দেশই সেখানে প্রবেশের ক্ষেত্রে সিনোফার্মার টিকাকে গণ্য করছে না। সে ক্ষেত্রে যাচাই-বাছাই সম্পন্নের পর বিদেশ গমনে ইচ্ছুকদের এ টিকা দেওয়া হতে পারে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতআলোচিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

    আগাম শীতের সবজি চাষ

    হত্যাকাণ্ডের বিচার দাবি

    পুকুর থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার

    পশ্চিম তীরে ৩ হাজার বসতি স্থাপনের অনুমোদন দিল ইসরায়েল

    ব্যবসায়িক স্বার্থে দ্রব্যমূল্যের দাম বাড়ে, শ্রমিকদের বেতন বাড়ে না: নজরুল ইসলাম খান

    চাকরির জন্য যৌতুকের টাকা না দেওয়া অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে মারধর

    ভারতকে বিশ্বকাপ এনে দেওয়া কোচকেই নিয়ে আসছে পাকিস্তান! 

    বিধবা নারীর বাড়িতে ঢুকে হামলার অভিযোগ ইউপি সদস্যের বিরুদ্ধে

    আনোয়ারায় চার দিনে ৮টি গরু চুরি