বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

জলাবদ্ধতায় ম্লান দুর্গোৎসব

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ১৪:০৩

দুর্গোৎসবের আয়োজনহীন সাতক্ষীরার আশাশুনির প্রতাপনগর ইউনিয়নের সর্বজনীন পূজা মন্দির। ছবি: আজকের পত্রিকা সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার প্রতাপনগর ইউনিয়নে হচ্ছে না সনাতন ধর্মাবলম্বীদের মহোৎসব দুর্গাপূজা। সারা দেশের হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা যেখানে দুর্গাপূজার আনন্দঘন মুহূর্ত পার করছেন সেখানে প্রতাপনগরে দুর্গোৎসবের আমেজ নেই বললেই চলে। বন্যা আর নদীভাঙনের দুশ্চিন্তা ও হতাশা ইউনিয়নের পূজার আনন্দকে ম্লান করে দিয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ইউনিয়নের প্রধান সর্বজনীন পূজা মন্দিরে দুর্গাপূজা পালনের কোনো আয়োজন করা হয়নি। এ কারণে পুরো ইউনিয়নের হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে নেই কোনো আনন্দ, নেই কোনো উৎসব।

২০২০ সালে ঘূর্ণিঝড় আম্ফানের তাণ্ডবে পুরো এলাকা লবণ পানিতে বন্দী ছিল। পাশাপাশি করোনার কারণে প্রতাপনগরের ওই মন্দিরে পূজার আয়োজন করা সম্ভব হয়নি। এবার মোটামুটি আকারে হলেও দুর্গোৎসব পালনের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছিল মন্দির কর্তৃপক্ষ। কারিগর এনে প্রতিমা তৈরিসহ মন্দিরের শোভা বর্ধনে বিভিন্ন কাজ হাতে নিয়েছিল পূজা আয়োজক কমিটি।

কিন্তু সম্প্রতি মন্দিরের দক্ষিণে প্রতাপনগরের পশ্চিম অংশে হাওলাদার বাড়ির কাছে রিং বাঁধ ভেঙে যায়। এতে আবারও এলাকায় লবণ পানি প্রবেশ করে। মন্দিরসহ গোটা এলাকা কোমর পানিতে তলিয়ে যায়। ফলে নির্মাণাধীন প্রতিমাসহ প্রায় ৫৫ হাজার টাকার কাজ ভেস্তে যায়। থেমে যায় সব আয়োজন। এমন অবস্থায় এ বছর আর পূজা আয়োজন সম্ভব নয় বলে জানান মন্দির সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয় অমিও সোম বলেন, ‘পানি আটকানোর মতো একটা বাঁধের অভাবে জীবন-জীবিকার পাশাপাশি এখন ধর্মকর্মও ছাড়তে হচ্ছে প্রতাপনগরবাসীকে। গত বছরও আমরা দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন করতে পারিনি। এবারও পারলাম না।’

আরেক স্থানীয় চিত্তরঞ্জন সোম বলেন, ‘প্লাবনের কারণে শুধু যে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা পূজা উদ্‌যাপন করতে পারছেন না তা নয়। মন্দির থেকে প্রায় ৪৫০ মিটার দক্ষিণে একটি মসজিদও নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এর ফলে এখানকার মুসলিমরাও সঠিকভাবে ধর্ম পালন করতে পারছেন না।

কর্মকার বাড়ি পূজা উদ্‌যাপন কমিটির সভাপতি ও পুরোহিত অমিত সোম জানান, পূজার সব ধরনের প্রস্তুতি ছিল শেষের দিকে। ইতিমধ্যে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ হাজার টাকার কাজও করানো হয়েছিল। প্রতিমা নির্মাণের কাজ ছিল শেষের দিকে। শুধু রঙের কাজ বাকি ছিল। এর মাঝে গত পূর্ণিমার জোয়ারে বাঁধ ভেঙে মন্দিরের ভেতরে পানি প্রবেশ করে। এমন পরিস্থিতিতে পূজার আয়োজন সম্ভব না বলে প্রতিমা কারিগর ও ব্রাহ্মণকে না করে দেওয়া হয়েছে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    সেনবাগে নৌকার ৬ মাঝি

    খালে আবর্জনার স্তূপ ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য

    চট্টগ্রাম বিভাগে দ্বিতীয় চাটখিল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

    সুখবর

    ভুলে যাওয়া লটারি থেকে ২০ মিলিয়ন ডলারের মালিক

    ‘অপমানে’ সরাসরি অনুষ্ঠান থেকে শোয়েবের পদত্যাগ 

    প্রতারণা ছেড়ে বাবলি এবার ফ্যাশন ডিজাইনার

    ফেসবুকে জনপ্রিয় বা ভাইরাল হওয়াই সব নয়

    সজল-মাহির দ্বিতীয় ছবি ড্রাইভার

    শহরে আবার আসছে রকফেস্ট