মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

কর্মচারী সংকটে ভোগান্তি

আপডেট : ১২ অক্টোবর ২০২১, ১৫:৩৭

শয্যা অনুপাতে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী প্রয়োজন অন্তত ১২০০ জন। কাগজে-কলমে পদের সংখ্যা ৪৩৪টি। কর্মচারী আছেন মাত্র ২১৯ জন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের যাত্রা শুরু হয়েছিল ৫০০টি শয্যা নিয়ে। তারপর কয়েক দফায় শয্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ২০০টি। শয্যা দ্বিগুণেরও বেশি বাড়লেও বাড়েনি জনবল। বিশেষ করে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর সংকট লেগেই আছে এ হাসপাতালে।

হাসপাতালের কর্মকর্তারা বলছেন, শয্যা বেড়ে গেলেও সেই আগের জনবল দিয়েই চালছে হাসপাতালটি। সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য চিকিৎসক ও নার্সদের পাশাপাশি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীও দরকার। হাসপাতালে সৃষ্ট বর্জ্য, বিশেষ করে মেডিকেল বর্জ্য এবং রোগী ও স্বজনের সৃষ্ট বর্জ্য পরিচ্ছন্নতার জন্যও এঁদের দরকার। পাশাপাশি চিকিৎসক ও নার্সদের সহায়ক হিসেবেও কাজ করেন তাঁরা। প্রয়োজনের তুলনায় কর্মচারীর সংখ্যা কম হওয়ায় নানা সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে।

হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, শয্যা অনুপাতে এখানে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী প্রয়োজন ১ হাজার ২০০ জন। কাগজে-কলমে পদের সংখ্যা ৪৩৪টি পদ। এই পদের বিপরীতেও কর্মচারী নেই। আছেন মাত্র ২১৯ জন। এমন পরিস্থিতিতে হাসপাতালটির পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করতে দৈনিক মজুরির ভিত্তিতে জনবল নিতে হচ্ছে। এ জন্য পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার খাত থেকে তাঁদের মজুরি পরিশোধ করতে হয়। এঁদের অনেকেই ঠিকমতো কাজ করেন না। কথা থাকলেও তাঁরা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কোনো কাজই করতে চান না। ঠিকাদারের মাধ্যমে এঁরা আসায় তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থাও নেওয়া যায় না।

সংশ্লিষ্টরা জানাচ্ছেন, হাসপাতালের ৫৭টি ওয়ার্ড, বহির্বিভাগ, অপারেশন থিয়েটার ও জরুরি বিভাগে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ছয় হাজার রোগী চিকিৎসা নেন। এর মধ্যে ভর্তি থাকেন অন্তত আড়াই হাজার রোগী। তাঁদের সঙ্গে থাকেন স্বজনেরাও। মাত্র ২১৯ জন কর্মীকে দিয়ে এসব পরিষ্কার করতে হয়। বিরাট এই হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতায় তাঁরাও হিমশিম খাচ্ছেন।

হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. শামীম ইয়াজদানী বলেন, হাসপাতালের শয্যার অনুপাতে জনবলের ঘাটতি আছে। চতুর্থ শ্রেণির জনবল হাসপাতাল পরিচ্ছন্ন রাখতে এবং চিকিৎসক-নার্সদের সহযোগিতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। চিকিৎসক বা নার্স কম থাকলেও বিশেষ প্রয়োজনে অন্য হাসপাতাল থেকে বদলি করে আনা হয়। কিন্তু চতুর্থ শ্রেণির ক্ষেত্রে তা সম্ভব হয় না। তিনি বলেন, ‘জনবলের ঘাটতির কারণে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে আমাদের। এ কারণে ১০৬ জনকে দৈনিক মজুরিভিত্তিতে কাজ করাতে হয়। তারপরও সার্ভিসটা নিয়োগপ্রাপ্ত জনবলের মতো হয় না।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    সিমেন্ট বোঝাই ট্রাক পুকুরে

    টাঙ্গাইলে অপরাধ বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন

    সখীপুরে নিত্যসঙ্গী যানজট

    এই অসুরকে বধ করতে হবে: মির্জা ফখরুল

    ঢাবিতে সাম্প্রদায়িক হামলার বিরুদ্ধে মশাল মিছিল 

    মহেশখালীতে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে ও গুলি করে হত্যা

    খেয়াঘাটে দুই বোনকে শ্লীলতাহানি ও মারধরের ঘটনায় গ্রেপ্তার ১

    পূজামণ্ডপ সংশ্লিষ্ট সহিংসতায় গ্রেপ্তার ৪৫০, মামলা ৭১

    সাফারি পার্কে জেব্রা পরিবারে নতুন শাবকের জন্ম