Alexa
মঙ্গলবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২১

সেকশন

 

হাতিয়ায় ঝুঁকিতে ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ, দিনে মেরামত রাতে পাহারা

আপডেট : ২৭ মে ২০২১, ১১:০৭

রাতে ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ পাহারায় নৌ-পুলিশের সদস্যরা। ছবি: আজকের পত্রিকা হাতিয়া (নোয়াখালী): ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে পুরোপুরি ঝুঁকিতে রয়েছে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার প্রায় ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ। রাতে এ ঝুঁকিপূর্ণ বেড়িবাঁধ পাহারায় ছিলেন নৌ-পুলিশের সদস্যরা। বুধবার সকালে জোয়ারের পানিতে এসব বেড়িবাঁধের অনেকাংশে ফাটল দেখা দিলে নৌ-পুলিশের সদস্যসহ এলাকাবাসী তা মেরামত করে।

হাতিয়া নৌ-পুলিশের নলচিরা ফাঁড়ির ইনচার্জ আকরাম উল্যাহ বলেন, আমাদের ফাঁড়ির পাশেই নলচিরা ইউনিয়নের ফরাজি গ্রামে বেড়িবাঁধ অনেকটা ঝুঁকিতে আছে। রাতের জোয়ারে এসব এলাকার বেড়িবাঁধ ধসে পড়ার আশঙ্কা থেকে আমরা পাহারার ব্যবস্থা করি। এলাকাবাসী ও আমাদের ফাঁড়িটিও নিরাপত্তায় এ পাহারা বসানো হয়।

বুধবার সকালে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে অতিরিক্ত জোয়ারে নলচিরা ইউনিয়নের ফরাজি গ্রামে নির্মিত নতুন বেড়িবাঁধের অনেকাংশে ফাটল ধরে ধসে পড়ার উপক্রম হয়। এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে নৌ-পুলিশের সদস্যসহ এলাকার লোকজন এসে স্বেচ্ছাশ্রমে ঝুঁকিতে থাকা বেড়িবাঁধ মেরামত করে। অনেকে নিজেদের বাড়ি থেকে বাঁশ, বস্তা, দড়ি নিয়ে এসে কোনোভাবে বেড়িবাঁধ ধসে পড়া থেকে রক্ষা করে। এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইমরান হোসেনও তাঁদের সঙ্গে সম্পৃক্ত হন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইমরান হোসেন বলেন অস্বাভাবিক জোয়ারে হাতিয়ার তিনটি ইউনিয়নের ৭ কিলোমিটার বেড়িবাঁধ ঝুঁকিতে রয়েছে। জোয়ারের উচ্চতা অনেক বেশি হওয়ায় অনেক জায়গায় ভেঙে যাওয়ার উপক্রম হয়। এলাকার লোকজনের সহযোগিতায় তা মেরামত করা হয়েছে। তবে রাতের জোয়ারে চাপ বেশি হলে এসব এলাকায় বেড়িবাঁধ ছিঁড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে অস্বাভাবিক জোয়ারের পানিতে নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়। পানি ঢুকে পড়ে অন্তত ১৩টি গ্রামে। পানিবন্দী হয়ে পড়ে দ্বীপটির কয়েক হাজার বাসিন্দা। জোয়ারের পানিতে ভেসে যায় পুকুরের মাছ ও জমির ফসল। বেশি ক্ষতির মুখে পড়ে ভাঙা বেড়িবাঁধের পাশে থাকা বাসিন্দারা।

বুধবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার নিম্নাঞ্চলে জোয়ারের পানি ঢুকতে শুরু করে। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে জোয়ার ও বাতাসের তীব্রতা বাড়তে থাকে। সকাল থেকে চলে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি। মেঘনা নদীতে স্বাভাবিকের চেয়ে ৫-৬ ফুট বেশি পানি বৃদ্ধি পায়। এতে ৪-৫ ফুট পানিতে তলিয়ে যায় সুখচর, নলচিরা, চরঈশ্বরের ৪টি গ্রাম। এ ছাড়া অস্বাভাবিক জোয়ারে প্লাবিত হয়ে নিঝুম দ্বীপ ইউনিয়নের মদিনা গ্রাম, বান্দাখালী গ্রাম, মুন্সি গ্রাম, মোল্লা গ্রাম, আদর্শগ্রাম ও ইউনিয়নের ১,২, ৩ ৪ নম্বর ওয়ার্ড।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    ঝোড়ো হাওয়ায় পাটুরিয়া-আরিচা রুটে নৌযান চলাচল ব্যাহত

    মহম্মদপুরে দুই দিনের টানা বৃষ্টিতে কৃষকের সর্বনাশ, কাটা ধান ভাসছে পানিতে 

    বৃষ্টিতে দুর্ভোগে নিম্ন আয়ের মানুষ ও কৃষকেরা

    দুর্বল হয়েছে ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’, টানা বৃষ্টিতে মানুষের ভোগান্তি 

    বদলকোট ইউপি নির্বাচনে প্রথমবারের মতো আ. লীগ থেকে নারী চেয়ারম্যান প্রার্থী

    পটিয়ায় পরকীয়ার বলী হলেন কিশোর আকিব 

    রামেকে করোনা উপসর্গে ৪ জনের মৃত্যু

    বাংলাদেশকে সেরা তিন-চারে দেখতে চাই

    এত সবজি থাকতে কর্তৃপক্ষ কেন মুলাই ঝোলান

    ২০ বছরের পুরোনো বিপদ চোখ রাঙাচ্ছে জাভির বার্সেলোনাকে

    বৈশ্বিক মহামারিতে বেড়েছে ম্যালেরিয়ায় মৃত্যু

    ধর্ষণ মামলার আসামিসহ গ্রেপ্তার ৬