শনিবার, ২৩ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

বন্ধ হচ্ছে আরও ই-কমার্স

  • সমস্যা নিয়ে পর্যালোচনায় বসছেন ৪ মন্ত্রী।
  • গ্রাহকদের কিছু না জানিয়ে অফিস বন্ধ করেছে।
  • কিউকমের সরাসরি সব সেবা বন্ধ ঘোষণা।
আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ২১:৪৮

করোনার সংক্রমণ কমার পর সরকারি-বেসরকারি সব অফিস যখন স্বাভাবিক নিয়মে চলছে, তখন হোম অফিসে যাচ্ছে একের পর এক ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান। প্রতারণার শিকার গ্রাহকদের বিক্ষোভের মুখে গত ১২ আগস্ট বন্ধ হয়ে যায় ই-অরেঞ্জের অফিস। আর ১৬ সেপ্টেম্বর ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ রাসেল ও তাঁর স্ত্রী (প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান) শামীমা নাসরিন গ্রেপ্তার হওয়ার পর হোম অফিসের ঘোষণা দেয় ইভ্যালি।

এর পরপরই আরও কিছু প্রতিষ্ঠান তাদের মূল অফিস বন্ধ করে দিয়েছে। এর মধ্যে কিউকম ডট কম গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নোটিশ দিয়ে তাদের অফিস বন্ধের কথা জানায়। তবে কয়েকটি ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান গ্রাহকদের কিছু না জানিয়েই অফিস বন্ধ করে দিয়েছে।

কিউকম বন্ধের নোটিশে বলা হয়, ‘আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত কিউকমের সকল ফিজিক্যাল সাপোর্ট বন্ধ থাকবে এবং সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ হোম অফিসের মাধ্যমে সেবা প্রদান করবেন। তাই সকল সম্মানিত গ্রাহকদের কিউকমের অফিসে না আসার অনুরোধ করা হচ্ছে।’

অফিস বন্ধের কারণ জানতে কিউকমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রিপন মিয়া এবং প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির নীরবের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁদের ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে। অন্যদিকে গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকেই দালাল প্লাসের অফিস বন্ধ পাওয়া যায়। তাঁদের কোনো কর্মকর্তার সঙ্গেই যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের অফিস এভাবে বন্ধ হওয়ায় হয়রানির শিকার হচ্ছেন গ্রাহকেরা। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিক্ষোভও করছেন তাঁরা। এমন পরিস্থিতিতে ই-কমার্সের সাম্প্রতিক সমস্যার বিষয়গুলো পর্যালোচনা করতে সভায় বসতে যাচ্ছেন সরকারের চারজন মন্ত্রী।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশির সভাপতিত্বে আজ বুধবার বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে এই সভা হবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী হাছান মাহমুদ এবং আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক এই বৈঠকে অংশ নেবেন।

অন্যদিকে ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো প্রতিযোগিতা আইনবিরোধী কোনো কার্যক্রম চালালে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে সতর্ক করে দিয়েছেন বাংলাদেশ প্রতিযোগিতা কমিশনের চেয়ারপারসন মফিজুল ইসলাম। গতকাল মঙ্গলবার ই-কমার্স-বিষয়ক এক সভায় তিনি বলেন, ‘আমাদের আইনে এক কোটি টাকা পর্যন্ত জরিমানা করার বিধান আছে। কোনো ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান যদি আইনবিরোধী কার্যক্রম চালায় তাহলে তাদের এক কোটি টাকা জরিমানা করা হবে।’

সভায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বাবলু কুমার সাহা বলেন, ‘ভোক্তা অধিকার আইনে আমরা সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা জরিমানা করতে পারি। কোনো প্রতিষ্ঠান আইন ভঙ্গ করলে সেই প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়ার এখতিয়ার আমাদের আছে। সুতরাং আমরা সবাইকে বলব, আপনারা আইনবিরোধী কিছু করবেন না।’ 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    ইউএইচএফপিও ফোরামের প্রথম সম্মেলন অনুষ্ঠিত

    ট্রেড ইউনিয়ন করেন নেতা চাকরি হারান শ্রমিক

    পাঠাওয়ে চালু হলো বিমা সুবিধা

    জাহাজভাঙা শিল্প: অবকাঠামো খাতে চাহিদা বৃদ্ধিতে তৃতীয় প্রান্তিকেও শীর্ষে বাংলাদেশ

    তীব্র হচ্ছে ডলার সংকট

    মুল্যস্ফীতি আরও বেড়েছে

    লঞ্চের স্টাফ কেবিন থেকে অজ্ঞাত নারীর মরদেহ উদ্ধার

    না ফেরার দেশে গুরু-শিষ্য

    মেয়েদের মুখের অবাঞ্ছিত লোম

    মৌসুমী মৌয়ের বিশ্বকাপ যাত্রা

    রোহিঙ্গা ক্যাম্পে হামলার ঘটনায় ৮ জন আটক

    বেতন কম, হতাশায় বিজিবি সদস্যের আত্মহত্যা