বৃহস্পতিবার, ২১ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

আফগানিস্তান নিয়ে নীরব কেন সৌদি আরব

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৮:০৮

তালেবানের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের ইতিহাস বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি সরকারের জন্য বেশ অস্বস্তিকর। ফাইল ছবি: রয়টার্স গত মাসের মাঝামাঝিতে চোখের পলকে তালেবানরা কাবুল নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর সৌদি আরব অত্যন্ত সতর্ক মন্তব্য করেছে। রাজতান্ত্রিক দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আফগান জনগণের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানানোর কথা বলেছেন। যদিও শুরুর দিকে তালেবান ও গনি সরকারের মধ্যে সমঝোতার মধ্যস্থতাকারী হিসেবে সৌদি আরবকে প্রত্যাশা করা হয়েছিল। যদিও গত কয়েক বছরের মতো গনি সরকার উচ্ছেদের পরও কাতারেই চলেছে নতুন তালেবান সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা।

আফগানিস্তান নিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মধ্যে কাতার তো বটেই, ইরানেরও পরোক্ষে তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক রক্ষা করে চলার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু পুরো যজ্ঞে সৌদি আরব অনুপস্থিত। বিশ্লেষকেরা বলছেন, এখানে সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের আরেক প্রভাবশালী দেশ সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) আফগানিস্তানের ব্যাপারে কৌশলগত কারণে নীরব থাকছে। বিশেষ করে নাইন-ইলেভেন বিভীষিকার ২০ বছর পূর্তিতে সৌদি আরবের সঙ্গে তালেবান সম্পর্ক নিয়ে নানা পর্যবেক্ষণ সামনে আসছে।

২০০১ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকেই পশ্চিমা সমর্থিত আফগান সরকারের বিরুদ্ধে কাবুল দখলের লড়াই করে যাচ্ছিল তালেবান। তারা মূলত তথাকথিত ‘মুজাহিদীন’ যোদ্ধাদেরই সংগঠনে অঙ্গীভূত করেছে। এরাই সৌদি আরব ও যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তায় ১৯৮০–এর দশকে সোভিয়েত বাহিনীকে হটিয়ে দেয়। ১৯৯৪ সালে গৃহযুদ্ধের সময় তালেবান (মাদ্রাসার শিক্ষক–শিক্ষার্থী) একটি সংগঠন হিসেবে আবির্ভূত হয়। ১৯৯৬ সালের মধ্যে দেশের অধিকাংশ অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ফেলে তারা। এরপরই তারা আফগানিস্তানে কঠোর ইসলামি ‘শরিয়া আইন’ বাস্তবায়ন করে।

তালেবানের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কটা ঐতিহাসিক ও আদর্শিকও বটে। যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন দায়িত্বে থাকার সময় এক সাক্ষাৎকারে এবং কংগ্রেসের শুনানিতে এ বিষয়ে স্পষ্ট করেই বলেছিলেন। তাঁর ভাষায়, আফগানিস্তানে অনেক সন্ত্রাসীই সৌদি আরব থেকে ওয়াহাবি মতবাদ আমদানি করেছেন। ইসলামের একটি উগ্র সংস্করণ মানুষের ওপর চাপানোর প্রয়াসে ক্ষমতা দখলের রক্তক্ষয়ী খেলায় মেতেছে তালেবান। 

তালেবানের সঙ্গে সৌদি আরবের সম্পর্কের ইতিহাস বর্তমান পরিস্থিতিতে সৌদি সরকারের জন্য বেশ অস্বস্তিকর। বিশেষ করে সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান যখন সৌদি আরবের একটি উদারপন্থী ভাবমূর্তি পশ্চিম এবং অন্যান্য বৃহৎ বিনিয়োগকারীদের সামনে উপস্থাপন করার প্রাণপণ চেষ্টা করছেন, তখন সেই অতীত নিঃসন্দেহে তাঁকে তাড়া করছে। ফলে তালেবানের সঙ্গে দূরত্ব বজায় রাখাই শ্রেয় বলে মনে করছেন তিনি। অন্তত বিশ্লেষকেরা তেমনটিই মনে করছেন।

সৌদি আরবের নিওমে বিশ্বের বৃহত্তম ও প্রথম ভবিষ্যতের শহর নির্মাণের প্রকল্প থেকে শুরু করে ইউএইর দুবাই ও আবুধাবিতে অনুষ্ঠেয় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের এক্সপো-২০২০; সবকিছুর মূলেই রয়েছে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ নিরাপত্তা। আগামী ১ অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত অনুষ্ঠেয় এই বিশাল এক্সপো হতে যাচ্ছে বিশ্বের বৃহত্তম বিপণন ও ব্র্যান্ডিং মেলা। ফলে নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা এখন দুই দেশের সবচেয়ে অগ্রাধিকার। এরই মধ্যে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতার পথে দুই দেশই বেশ এগিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাত, বাহরাইন ও ইসরায়েল পরস্পরের সম্পর্ক স্বাভাবিকীকরণে আব্রাহাম অ্যাকর্ডে সই করেছে। অন্যদিকে শিয়া-সুন্নি ও অন্যান্য ভূরাজনৈতিক বিরোধ নিষ্পত্তির উদ্দেশে সৌদি আরব ও ইরান আলোচনার টেবিলে বসছে। এর পরিপ্রেক্ষিতে নব্বইয়ের দশকে সৌদি আরব সরাসরি আফগানিস্তানে হস্তক্ষেপ করলেও এখনকার আফগান ইস্যু আরব উপসাগরে খুব একটা আলোড়ন তুলতে পারবে বলে কেউ মনে করছেন না।

সর্বশেষ ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকাকালীন তালেবান সরকারের সঙ্গে সৌদি সরকারের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ ছিল। ওই সরকারকে যে তিনটি দেশ আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিয়েছিল, সৌদি আরব তার একটি। বাকি দুটি হলো প্রতিবেশী পাকিস্তান ও ইউএই।

এর আগে সৌদি আরবের সঙ্গে সম্পর্ক রাখাটা তালেবানের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। কারণ, সৌদি তহবিলেই তারা পাকিস্তানে ধর্মীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মাদ্রাসা ও মসজিদ পরিচালনা করেছে। এসব প্রতিষ্ঠান থেকেই পরে বেগবান হয়েছে তালেবান আন্দোলন।

ধর্মীয় মতাদর্শের দিক থেকে সামান্য পার্থক্য থাকলেও তালেবান ও সৌদি আরব উভয়ে সুন্নি ইসলামের অনুসারী। তালেবানেরা দেওবন্দি, আর সৌদি আরব ওয়াহাবি। উভয় মতাদর্শই চরম রক্ষণশীল ইসলামের ধারক। এদিক থেকে তাদের মতের খুব একটা পার্থক্য হয়নি। ১৯৮০-এর দশকে সোভিয়েত হটাতে সৌদি আরব সরাসরি আফগান যোদ্ধা, অর্থাৎ মুজাহিদীনদের সমর্থন দেয়। মিত্র দেশ যুক্তরাষ্ট্র ও পাকিস্তানের প্রত্যক্ষ সহায়তায় সোভিয়েতকে উচ্ছেদ করে মুজাহিদীনেরা। আফগানিস্তানে সোভিয়েতবিরোধী যুদ্ধে উভয় দেশ প্রত্যেকে প্রায় ৪০০ কোটি ডলার খরচ করেছে।

সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। ছবি: রয়টার্স সোভিয়েত আগ্রাসন সমাপ্তির পর ১৯৯০-এর দশকে ক্ষমতার লড়াই শুরু হয়। গৃহযুদ্ধে অবতীর্ণ হয় আফগানিস্তান। ওই সময় সৌদি আরব তালেবানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়। বিশেষ করে অর্থের জোগানদাতা ছিল দেশটি। তালেবানকে অস্ত্র সরবরাহ করার ব্যাপারেও সৌদিকে সন্দেহের তালিকায় রেখেছিল জাতিসংঘ।

তবে নাইন-ইলেভেনে (২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর) টুইন টাওয়ার হামলা এবং এ ঘটনায় আল-কায়েদার নাম আসার পর সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভোল পাল্টে যায়। দুর্ভাগ্যবশত হামলাকারীদের অধিকাংশই ছিল সৌদি নাগরিক। আল-কায়েদার প্রতিষ্ঠাতা ওসামা বিন লাদেন নিজেই সৌদি রাজপরিবার ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী ছিলেন।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের কূটনৈতিক সম্পর্ক ১৯৪০ সাল থেকে। বাণিজ্য ও নিরাপত্তা প্রশ্নে সৌদি আরব যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিত্র। এই সম্পর্কের দাবি রক্ষার্থেই ১৯৯৮ সালে ওসামা বিন লাদেনকে প্রত্যর্পণ করতে তালেবান সরকারকে অনুরোধ জানিয়েছিল সৌদি আরব। কিন্তু তালেবান তা প্রত্যাখ্যান করে। বলতে গেলে এর পর থেকেই সৌদি-তালেবান সম্পর্কের দ্রুত অবনতি হয়। সেই সঙ্গে আনুষ্ঠানিক অনুদানও বন্ধ হয়ে যায়।

নাইন-ইলেভেনের ঘটনা তালেবানকে একা করে ফেলে। সৌদি আরবের সঙ্গে সংযুক্ত আরব আমিরাতও তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন করে। তালেবান ইসলামের অমর্যাদা করছে বলে অভিযোগ করে সৌদি আরব। তবে এরপরও উভয় পক্ষে সরকার, ধর্মীয় এবং ব্যক্তিগত পর্যায়ে সম্পর্ক চলমান রয়েছে বলে জানাচ্ছেন বিশ্লেষকেরা। ২০১৩ সালে প্রকাশিত জার্মান ইনস্টিটিউট ফর ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড সিকিউরিটি অ্যাফেয়ার্সের (এসডব্লিউপি) একটি গবেষণাপত্রে এমনটিই দাবি করা হয়েছে।

তাহলে আফগানিস্তানে তালেবান সরকারের সঙ্গে সৌদি আরবও কি আগের ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে? বিশ্লেষকেরা বলছেন, সৌদিকে এখন আনুষ্ঠানিকভাবে দূরবর্তী মিত্র বলা যেতে পারে। তালেবান ও গনি সরকারের সমঝোতায় প্রথমে সৌদি আরবকে সম্ভাব্য মধ্যস্থতাকারী ভাবা হলেও সে ভূমিকায় এগিয়ে এসেছে মধ্যপ্রাচ্যের ছোট দেশ কাতার। তালেবানের কাবুল দখলের পর থেকে তত্ত্বাবধায়ক সরকার গঠন পর্যন্ত সৌদি আরব আফগানিস্তান ইস্যুতে কোনোভাবেই নাক গলানোর চেষ্টা করেনি। বিশেষজ্ঞেরা বলছেন, ঐতিহাসিক সম্পর্ক থাকলেও নতুন তালেবান সরকারে সৌদি প্রভাব থাকার সম্ভাবনা কম।

এর একটা বড় কারণ হতে পারে সৌদি-মার্কিন সম্পর্কের গুরুত্ব এখনো কমেনি। যুবরাজের স্বপ্নের সৌদি আরবের চেহারা কেমন হবে, সেটি ক্রমেই প্রকাশ্য হচ্ছে। কট্টর ইসলামি শরিয়াভিত্তিক একটি রাষ্ট্রের উদারপন্থার দিকে অগ্রসর হওয়ার প্রয়াস এখন প্রকাশ্য। এই সাংস্কৃতিক পরিবর্তন প্রচেষ্টার পেছনে রয়েছে মূলত অর্থনীতি। বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য এমন ভাবমূর্তির বিকল্প নেই। যেখানে পেট্রোলিয়ামনির্ভর অর্থনীতি থেকে বেরিয়ে বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রোজেন প্ল্যান্ট, অত্যাধুনিক শহর নির্মাণের পাশাপাশি বহির্বিশ্বে বিনিয়োগের দিকে নজর দিয়েছেন যুবরাজ সালমান।

ভারতভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অবজারভার রিসার্চ ফাউন্ডেশনের ফেলো কবির তানেজা গত জুলাইয়ে এক ব্রিফিংয়ে বলেন, আফগানিস্তান সংকট সৌদি আরবের জন্য ঘরে-বাইরে একটা চ্যালেঞ্জ। আসন্ন বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে হলে রিয়াদকে প্রমাণ করতে হবে যে, তারা আর কোনোভাবেই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে সাহায্য বা সমর্থন দেয় না।

বাস্তবতা হলো, আফগানিস্তানে এখন তালেবানের কাছাকাছি অবস্থান করছে সৌদি আরবের দীর্ঘদিনের শত্রু ইরান। যদিও সুন্নি তালেবানের সঙ্গে শিয়া ইরানের সম্পর্ক কিছুটা অসংলগ্ন বলে মনে হতে পারে।

ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মিডল ইস্ট ইনস্টিটিউটের অনাবাসিক ফেলো বিনয় কাউর গত বছর এক নিবন্ধে লিখেছিলেন, তালেবান ও তেহরানের মধ্যে কৌশলগত সম্পর্কের অনেক খবর আছে। এটা তালেবান ক্ষমতায় থাকাকালীন পরিস্থিতির সম্পূর্ণ বিপরীত। তখন তালেবান ঘনিষ্ঠ ছিল সৌদি আরবের, আর এখন তাদের খবর নেই। সেখানে উঁকিঝুঁকি মারছে ইরান।

টেক্সাসভিত্তিক রাইস ইউনিভার্সিটির বেকার ইনস্টিটিউট ফর পাবলিক পলিসির মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক ফেলো ক্রিশ্চিয়ান কোটস আলরিচেন বলেন, আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের সঙ্গে সম্পর্কের প্রিজম দিয়েই আফগানিস্তানকে দেখছে সৌদি নেতৃত্ব। উভয় দেশই আফগানিস্তানে পরস্পরের অবস্থানের ওপর কড়া নজর রাখছে। ক্রিশ্চিয়ান বলেন, সম্ভবত উভয় পক্ষেরই সেখানে অনানুষ্ঠানিক একটা যোগাযোগ আছে। বিশেষ করে সৌদি ধর্মবেত্তা, ধর্মীয় অন্যান্য নেটওয়ার্ক এবং সর্বোপরি ধর্মীয় মতাদর্শিক প্রভাব থাকার সম্ভাবনা প্রবল। কিন্তু আগের মতো এবার আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি হয়তো দেবে না সৌদি আরব।

এরই মধ্যে গত জুনে মক্কায় অনুষ্ঠিত মুসলিম ওয়ার্ল্ড লিগের বৈঠকে সৌদি, আফগান ও পাকিস্তানের আলেমেরা সেই সময় আফগানিস্তানে চলমান সহিংসতাকে ‘অন্যায্য’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। তালেবানের কর্মকাণ্ড ইসলামের পরিভাষায় কোনোভাবেই জিহাদ নয় বলে মন্তব্য করেন তাঁরা। এ বৈঠকের আগে ওআইসি মহাসচিব ইউসুফ আল ওথাইমিন তালেবানের নেতৃত্বে সহিংসতাকে ‘মুসলিমদের বিরুদ্ধে গণহত্যা’ বলে আখ্যায়িত করেন। সৌদি আরবের নেতৃত্বে আলেমদের এমন অবস্থান আফগানিস্তান ইস্যুতে দেশটির অবস্থানের অনেকখানি ইঙ্গিত দেয়।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    করোনার টিকা কি বাধ্যতামূলক হওয়া উচিত

    কেমন হবে ভবিষ্যৎ পৃথিবী

    জার্মানিতে ক্ষমতায় আসছে কে

    আফগানিস্তানে কী অর্জন করতে চায় ক্ষুদ্র দুর্বল আইএস

    যুদ্ধ ও টিকা হাত ধরেই চলেছে

    সিদ্ধিরগঞ্জে 'ভুয়া' চিকিৎসক আটক

    মাধবপুরে ভিমরুলের কামড়ে ১০ দিন পর মৃত্যু

    ধর্মান্ধ রাজনীতির বলি হচ্ছে সংখ্যালঘুরা: জাফরউল্লাহ চৌধুরী

    সাম্প্রদায়িক অপশক্তির বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী

    গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানালেন সেই ইকবালের মা

    সুপার টুয়েলভসের টিকিট পেল শ্রীলঙ্কা