বুধবার, ২৭ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

স্বাস্থ্যের সেই মালেকের ১৫ বছরের কারাদণ্ড

আপডেট : ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫০

আদালত চত্বরে গাড়িচালক আবদুল মালেক। ছবি: আজকের পত্রিকা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বরখাস্ত সেই গাড়িচালক আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে করা অস্ত্র মামলায় ১৫ বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক রবিউল আলম এ রায় ঘোষণা করেন। 

অবৈধভাবে অস্ত্র ও গুলি রাখার দায়ে মোট ৩০ বছর কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অস্ত্র রাখার দায়ে ১৫ বছর এবং গুলি রাখার দায়ে ১৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। তবে দুটি সাজা একসঙ্গে চলবে এ কারণে তাঁকে ১৫ বছরের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

আদালত রায়ে উল্লেখ করেছেন, আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে।

এর আগে, আবদুল মালেকের বিরুদ্ধে করা অস্ত্র মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ২০ সেপ্টেম্বর দিন ধার্য করে ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ রবিউল আলম রায়। 

আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) সালাহউদ্দিন হাওলাদার আজকের পত্রিকাকে বলেন, এ মামলায় সোমবার (১৩ সেপ্টেম্বর) রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষের যুক্তিতর্ক শুনানি শেষ হয়েছে। আদালত রায়ের জন্য ২০ সেপ্টেম্বর তারিখ ধার্য করেছেন। 

গত ৬ সেপ্টেম্বর মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়। ১৩ সাক্ষীর সবাই আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। 

গত বছরের ২০ সেপ্টেম্বর রাজধানীর তুরাগ এলাকা থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, একটি ম্যাগাজিন, পাঁচ রাউন্ড গুলি, জাল টাকাসহ র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার হন মালেক। তাঁর বিরুদ্ধে তুরাগ থানায় অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আইন ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা হয়। 

অস্ত্র মামলায় মালেকের বিরুদ্ধে গত জানুয়ারিতে আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়। আদালত অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ১১ মার্চ অভিযোগ গঠন করেন। মালেক স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের গাড়িচালক ছিলেন। 

অষ্টম শ্রেণি পাস মালেক ১৯৮২ সালে প্রথমে সাভার স্বাস্থ্য প্রকল্পের গাড়িচালক হিসেবে যোগ দেন। বছর চারেক পর তিনি অধিদপ্তরের পরিবহন পুলে যোগ দেন। গ্রেপ্তারের আগপর্যন্ত তিনি প্রেষণে স্বাস্থ্যশিক্ষা অধিদপ্তরের পরিবহন পুলের গাড়িচালক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। 

মালেককে গ্রেপ্তারের পর জানা যায়, তাঁর স্ত্রী দুজন। প্রথম স্ত্রী নার্গিস আক্তারের নামে তুরাগ এলাকার দক্ষিণ বামনারপাড়া রমজান মার্কেটের উত্তর পাশে ৬ কাঠা জায়গার ওপর সাততলা দুটি আবাসিক ভবন আছে, এতে ফ্ল্যাট রয়েছে ২৪ টি। ওই ভবনের সামনে আছে ১০ থেকে ১২ কাঠার আরেকটি প্লট। ভবনের তৃতীয় তলায় তিনি সপরিবার থাকতেন, বাকি ফ্ল্যাটগুলো ভাড়া দেওয়া। বড় মেয়ে বেবির নামে দক্ষিণ কামারপাড়ায় ১৫ কাঠার ওপর ইমন ডেইরি ফার্ম নামের গরুর খামার আছে। এর বাইরে হাতিরপুলে পৈতৃক সূত্রে পাওয়া সাড়ে ৪ কাঠার ওপর ১০ তলা ভবন নির্মাণাধীন। শত কোটি টাকার সম্পদ রয়েছে মালিকের। এ নিয়ে দুদক তদন্ত করছে। 

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    বাসেত মজুমদার আর নেই

    নাসিক কাউন্সিলর আলী হোসেন আলা আর নেই

    ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে অটোমেশন সফটওয়্যার উদ্বোধন

    মিথ্যা সংবাদ প্রকাশের প্রতিবাদে ইউপি চেয়ারম্যানের সংবাদ সম্মেলন

    বাসেত মজুমদার আর নেই

    জেতার জন্য চাই আন্দোলন ও সংগঠন

    সঙ্গে থাকুক ভ্রমণ স্মৃতি

    বিলুপ্তপ্রায় ১৭ প্রজাতির মাছ

    ক্ষমতার দাপট