বৃহস্পতিবার, ২৮ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

চার লেনের কাজে ধীরগতি

আপডেট : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:৫৬

মিঠাপুকুরে আন্ডারপাসের অবকাঠামো দৃশ্যমান হলেও মহাসড়কের কাজ চলছে ধীরগতিতে। ছবি: আজকের পত্রিকা মিঠাপুকুর উপজেলা সদরে রংপুর-ঢাকা মহাসড়কে দৃশ্যমান হলো আন্ডারপাসের মূল অবকাঠামো। কিন্তু ধীরগতিতে চলছে চার লেনের কাজ।

সাউথ এশিয়ান সাব রিজিওনাল ইকোনমিক কো-অপারেশন (সাসেক-২) প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইলের এলেঙ্গা থেকে সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হয়ে রংপুরের মডার্ন পর্যন্ত ১৯০ কিলোমিটার মহাসড়ক চার লেনে উন্নীতকরণের কাজ চলছে। এই প্রকল্পের অধীনে মিঠাপুকুর উপজেলায় তিনটি আন্ডারপাস নির্মাণ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে উপজেলা সদরে একটি আন্ডারপাসের মূল অবকাঠামো দৃশ্যমান হয়েছে। শঠিবাড়ীহাট ও জায়গীরহাটে বাকি দুটির নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।

তবে মূল সড়কের কাজ চলছে ধীরগতিতে। চাহিদা অনুযায়ী পাথর না পাওয়ায় কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে একজন পাথর সরবরাহকারী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছেন।

সাসেক-২ প্রকল্প সূত্রে জানা যায়, মহাসড়কটি চার লেনে উন্নীতকরণের প্রকল্প নেওয়া হয় ২০১৬ সালে। ওই সময় ব্যয় ধরা হয়েছিল ১১ হাজার ৮৯৯ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ ছিল ২০২১ সাল পর্যন্ত। কিন্তু নির্দিষ্ট সময়ে কাজের অগ্রগতি না হওয়ায় ২০২০ সালের অক্টোবরে একনেকের সভায় প্রকল্প ব্যয় ৪ হাজার ৭৬৩ কোটি টাকা বৃদ্ধি এবং সময় তিন বছর বাড়িয়ে দেওয়া হয়।

প্রকল্পের নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা জানান, ইতিমধ্যে এলেঙ্গা থেকে হাটিকুমরুল পর্যন্ত কাজ শেষ হয়েছে। ২০২৪ সালের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

এদিকে প্রকল্পে ১৬ হাজার ৬৬২ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হলেও এখনো অধিকাংশ ক্ষতিগ্রস্ত মানুষ ক্ষতিপূরণের টাকা পাননি। মহাসড়ক উন্নয়নের কারণে তাঁদের বসতবাড়ি, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও অন্যান্য স্থাপনার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে রংপুরের জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, ‘আমি অধিগ্রহণকৃত জমি ও জমির ওপর স্থাপনা থাকলে তার ক্ষতিপূরণ দেব। অন্য জমি বা জমির ওপর স্থাপনার ক্ষতিপূরণ আমার পক্ষে দেওয়া সম্ভব নয়। ওই সব দেখবে সাসেক-২ প্রকল্প।’

এ নিয়ে সাসেক-২-এর কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে বলা হয়, তাঁরা হিসাব-নিকাশ করে সব টাকা জেলা প্রশাসককে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।

মিঠাপুকুর প্রেসক্লাবের সভাপতি শেখ সাদি সরকার জানান, তাঁরা নিজ অর্থে ভবন ভাঙলেও এখনো ক্ষতিপূরণ পাননি। আর শাপলা মার্কেটের ব্যবসায়ী অশোক চন্দ্র বলেন, সবার কাছে ধরনা দিচ্ছেন, কিন্তু কেউ সঠিক কিছু বলছেন না। তাঁরা ক্ষতিপূরণের অর্থ দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করেছেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    সেগুনবাগিচায় আবাসিক হোটেল থেকে ঢাবি ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

    জানার পরও সময়মতো ব্যবস্থা নেয়নি প্রশাসন

    পীরগঞ্জে প্রতিবন্ধী আরিফ মেম্বার পদপ্রার্থী

    স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী সম্মাননা পুরস্কার পেলেন সাংবাদিক শ্যামা

    মুন্সিগঞ্জে ইউপি সদস্য প্রার্থীর দোকান ভাঙচুর

    বিএনপির পদ বঞ্চিতদের প্রতিবাদ সভা

    রায়পুরায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে নিহত ২, আহত ৪০ 

    বাংলাদেশ ম্যাচের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলে হোল্ডার

    ‘আমাদের দিয়ে হচ্ছে না’

    বহিষ্কারের শঙ্কা উড়িয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় বিদ্রোহীরা

    শুল্ক কমানোর পরও চিনির বাজারে অস্থিরতা

    বিশেষ ক্যাম্পেইনের দ্বিতীয় ডোজ আজ