বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪

সেকশন

 

সাক্ষীর অভাবে মাদক মামলার বিচার করা যাচ্ছে না, সংসদীয় কমিটিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ২৯ মে ২০২৪, ২১:৪৫

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ফাইল ছবি দেশে মাদক চক্রের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের গ্রেপ্তার করা হলেও সাক্ষীর অভাবে তাদের বিচার মুখোমুখি করা যাচ্ছে না। এ কারণে জামিনে বেরিয়ে চক্রটি আবার মাদক বেচাকেনায় জড়িয়ে যাচ্ছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এ ধরনের কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় বৈঠকের কার্যবিবরণী থেকে এ তথ্য জানা গেছে। কমিটির আগের বৈঠকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। আজকের বৈঠকে ওই কার্যবিবরণী অনুমোদন দেওয়া হয়।

এদিকে আজকের বৈঠকে আলোচিত সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার ‘হত্যা’ ও পুলিশের সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের দুর্নীতির অভিযোগ বিষয়ে কোনো আলোচনা হয়নি বলে একাধিক সূত্র নিশ্চিত করেছে।

বৈঠকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, মাদক আইনে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকলেও অপরাধী ধরা পড়ার পর সাক্ষীর অভাবে সঠিক বিচার করা যাচ্ছে না। ফলে ছাড়া পাওয়ার কিছুদিনের মধ্যে নতুন উদ্যমে পুনরায় অপরাধে জড়িয়ে যাচ্ছে।

এর আগে বৈঠকে টাঙ্গাইলের স্বতন্ত্র এমপি সানোয়ার হোসেন অভিযোগ করে বলেন, লাইসেন্স ছাড়া মদ বিক্রির নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তাঁর এলাকায় শত শত লোকের কাছে মদ বিক্রি হয়। জেলখানার তথ্য নিলে দেখা যাবে অর্ধেকের বেশি কয়েদি মাদক মামলায় জড়িত। এ কার্যক্রম বন্ধে বড় চিহ্নিত গোষ্ঠী/সিন্ডিকেটকে ধ্বংস করতে হবে।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বর্তমানে মাদক পরিবহনের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিস। এটাতে স্ক্যানিংয়ের আওতায় আনতে হবে।

এদিকে বৈঠকে মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, সারা দেশে লাইসেন্সপ্রাপ্ত ২১৭টি দেশি মদের দোকান, ৩৯টি বিদেশি মদের দোকান, ২৩৫টি বার রয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল থেকে ২১ মে পর্যন্ত ৩২৮টি দোকান/বার পরিদর্শন করা হয়েছে। আরও জানানো হয়, দেশে ১৮টি সিসা বার আছে। তবে কোনো সিসা কারখানা নেই।

বৈঠকের কার্যবিবরণী সূত্রে জানা গেছে, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুস্তাকীম বিল্লাহ মাদক নিয়ন্ত্রণ পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন,  মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর থেকে সিভিল পোশাকে অভিযান পরিচালনা করা হয়। এতে অনেক সময় সাধারণ মানুষের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হয়। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটেছিল বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যৌথ টাস্কফোর্সের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করে থাকে। ক্রেডিট নেওয়ার জন্য সোর্সের তথ্য একপক্ষ অন্যপক্ষকে সরবরাহ করা থেকে বিরত থাকে। সোর্সকে একটিটি প্ল্যাটফর্মে আনার প্রচেষ্টা চলছে বলেও তিনি জানান।

উল্লেখ্য, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে মাদক নিয়ন্ত্রণের স্থানীয় কর্মকর্তা, পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে যৌথ টাস্কফোর্স বিভিন্ন সময়ে মাদক বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে থাকে।

কমিটির সভাপতি বেনজীর আহমদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আরও অংশ নেন সামছুল হক দুদু, ময়েজ উদ্দিন শরীফ, চয়ন ইসলাম, মো. সাদ্দাম হোসেন (পাভেল) এবং হাছিনা বারী চৌধুরী।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    ঈদের ছুটির পর অফিস খুলল, নতুন সময়সূচি ৯টা-৫টা

    সেক্টর কমান্ডার কে এম সফিউল্লাহ গুরুতর অসুস্থ

    দক্ষিণ এশিয়ার দ্বিতীয় ব্যয়বহুল শহর ঢাকা

    সারা দেশে ঈদুল আজহায় কোরবানি ১ কোটি ৪ লাখের বেশি

    নিষিদ্ধ হেলোসিন পাওয়া গেলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ঈদযাত্রা

    বাস টার্মিনালগুলোতে বাড়ছে ভিড়, বিক্রি হচ্ছে সুপারভাইজারের সিটও 

    ম্যাচসেরা

    ইংলিশ সল্টের ঝাঁজ ভালোই টের পেল ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    দুদিনেও উইকেটের দেখা পাননি শান্তরা

    কোটিপতি কমলেও ক্ষুদ্র হিসাব বেড়েছে

    শুধু শান্ত নয়, অন্য দলের টপ অর্ডারও ভুগছে: হাথুরু

    সিলেটসহ পাঁচ জেলায় পানিবন্দী ১৪ লাখ মানুষ