মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১

সেকশন

 

ব্যস্ত প্রতিমা কারিগরেরা

আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১৮:৩১

বিরলে প্রতিমা তৈরি করছেন কারিগর। ছবি: আজকের পত্রিকা আগামী ৬ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ১১ অক্টোবর মহা ষষ্টির মাধ্যমে শুরু হয়ে ১৫ অক্টোবর মহা দশমীর মধ্য দিয়ে সমাপ্তি হবে। তাই এখন চলছে প্রতিমা তৈরির কাজ। অনেক ব্যস্ততার মধ্যে প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কারিগরেরা।

দুর্গাপূজা বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় উৎসব। তাই দুর্গাকে বরণ করে নেওয়ার জন্য এখন থেকেই দিনক্ষণ গোনার পালা শুরু করেছে সনাতন হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা। তবে এ বছরেও করোনার প্রভাবে সীমিত আকারে পূজা-অর্চনা করবে বলে জানান আয়োজকেরা।

এবার দিনাজপুর জেলায় মোট ১ হাজার ২৮৬টি পূজা মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে বাংলাদেশ পূজা উদ্‌যাপন পরিষদ দিনাজপুর জেলা নেতারা জানান। তাঁরা জানান, সংখ্যাটা এখনো ঠিক হয়নি। এ সপ্তাহের মধ্যে জানা যাবে।

এদিকে, দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই মানুষের মাঝে দেখা দিচ্ছে পূজার প্রস্তুতি। তৈরি হচ্ছে গেট, আর মণ্ডপে মণ্ডপে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ। প্রতিমা তৈরির কাজও চলছে জোরেশোরে। কয়েক দিনের মধ্যেই শুরু হবে তুলির আঁচড়ের কাজ।

দিনাজপুরের বিরল উপজেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক সুবল চন্দ্র রায় বলেন, এবারে বিরল উপজেলায় ৯৪টি দুর্গামণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে প্রত্যেকটি মণ্ডপে প্রতিমা তৈরির কাজ শুরু হয়েছে। আগামী ৬ অক্টোবর মহালয়ার মধ্য দিয়ে দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিক কর্মযোগ্য শুরু হবে।

প্রতিমা তৈরির ব্যস্ততা জানিয়ে বিরল কেন্দ্রীয় দুর্গা মন্দিরের মালাকর প্রদীপ কুমার পাল বলেন, দুর্গাপূজা এলে আমাদের ব্যস্ততা বেড়ে যায়। টানা ২০ থেকে ৪৫ দিন পর্যন্ত সময় লাগে একটা প্রতিমা তৈরি করতে। বর্তমানে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষের দিকে। এখন প্রতিমাগুলো ফিনিশিং দেওয়ার পালা।

দিনাজপুর জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক উত্তম কুমার রায় বলেন, এবার পূজামণ্ডপগুলো সাজানো হচ্ছে অপূর্ব সাজে। ভিন্নতা আছে গতবারের চেয়ে। ইতিমধ্যে ৮০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। বাকি কাজগুলো খুব দ্রুত সম্পন্ন করা হচ্ছে। জেলা দুর্গাপূজা উদ্‌যাপন কমিটির পক্ষ থেকে বিভিন্ন উপজেলায় পূজা উদ্‌যাপন কমিটিগুলোকে বিভিন্ন দিক-নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, করোনা সংক্রমণ কমে গেলেও পূজায় স্বাস্থ্যবিধি মানার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন জেলা সিভিল সার্জন ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুছ। তিনি বলেন, যদিও করোনার সংক্রমণ নিম্নমুখী, তারপরেও স্বাস্থ্যবিধি মানা না হলে সংক্রমণ বাড়তে পারে। বিশেষ করে বাইরে সব সময় মাস্ক পরিধানের ওপর জোর দেন তিনি।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

    জেলায় শনাক্ত ও মৃত্যুহীন একদিন

    মাসে অর্ধকোটি টাকা কেনাবেচা

    ফেরেনি ৩ হাজার শিক্ষার্থী

    অভিনয়ের নেশা

    স্থাপনাটি পুকুরের মাঝখানে

    ১৫ বছর ধরে দাঁড়িয়ে আছে সেতুর পিলার

    চিকেন বল যখন গোল্ডফিশ

    হজরত আলীর বিস্ময়কর সাফল্য

    কুমিল্লার ঘটনা ছড়ায় ৪ মহানগর ও ২৮ জেলায়