মঙ্গলবার, ২৫ জুন ২০২৪

সেকশন

 

৪৫ ডিগ্রি ছাড়িয়েছে দিল্লির তাপমাত্রা, পুড়ছে উত্তর ভারত

আপডেট : ২০ মে ২০২৪, ১৬:৪৩

রোববার দিল্লির নাজাফগড়ের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ছবি: সংগৃহীত ভারতের রাজধানী দিল্লিসহ উত্তর ভারতে সপ্তাহান্তে তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়িয়ে গেছে। তীব্র তাপপ্রবাহে এই অঞ্চলের জনজীবন প্রায় স্থবির হয়ে গেছে।

গতকাল রোববার দিল্লির নাজাফগড় জেলায় তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৭ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। চলতি মরসুমে এটিই ভারতের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

চলতি সপ্তাহে তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকতে পারে বলে জানিয়েছে দেশটির আবহাওয়া অধিদপ্তর।

এদিকে ভারতের সাধারণ নির্বাচন চলছে। এর মধ্যে এই তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি নিয়েও শঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগামী ৪ জুন ভোটের ফলাফল ঘোষণা করা হবে।

ভারতে গ্রীষ্মকাল মার্চ থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বিস্তৃত। এই সময়ে আবহাওয়া সাধারণত গরম এবং আর্দ্র থাকে।

ভারতীয় আবহাওয়া অধিদপ্তর (আইএমডি) বলেছে, এ বছর দীর্ঘতর এবং আরও তীব্র তাপপ্রবাহ অনুভব করতে পারে ভারত।

গত শনিবার ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়নের (এনসিআর) ১০টি জায়গায় তাপমাত্রা ৪৫ ডিগ্রি অতিক্রম করেছে। দিল্লি এবং উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা এবং রাজস্থানের প্রতিবেশী রাজ্যগুলোর কিছু জেলায় তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

আইএমডি পূর্বাভাস দিয়েছে, আজ সোমবার এবং আগামীকাল মঙ্গলবার দিল্লি এবং উত্তরের শহরগুলোতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৪৫–৪৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি থাকতে পারে।

আগামী কয়েক দিনের মধ্যে পশ্চিম ও মধ্য ভারতের কিছু অংশে নতুন করে তাপপ্রবাহ শুরু হওয়ার পূর্বাভাস দিয়েছে আইএমডি।

তীব্র তাপপ্রবাহের মধ্যে থাকা ভারতের অনেক রাজ্যে চলতি সপ্তাহে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। আজ মহারাষ্ট্র, উত্তর প্রদেশ এবং বিহারে লক্ষাধিক ভোটার তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। আর দিল্লিতে ভোটগ্রহণ হবে ২৫ মে।

গত ১৯ এপ্রিল থেকে ১ জুন পর্যন্ত সাত ধাপে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে ভারতের লোকসভা নির্বাচন।

প্রচণ্ড গরমে বাইরে বের হতে অস্বস্তি প্রকাশ করেছেন অনেক ভোটার। তাঁরা বলছেন, লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা কঠিন। বিশেষ করে প্রবীণ নাগরিকদের জন্য ভোট দেওয়া প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছে।

এই পরিস্থিতিতে ভারতের নির্বাচন কমিশন ভোটগ্রহণের সময় বাড়িয়েছে। ভোট দিতে যাওয়ার সময় জনগণকে গরম থেকে নিজেদের রক্ষা করতে নানা ব্যবস্থা নেওয়ারও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

ভারতের অনেক অংশে গ্রীষ্মকাল সর্বদাই বেশ বৈরী থাকে। বিশেষ করে উত্তর ও মধ্য অঞ্চলে বেশি গরম পড়ে।

সামর্থ্যবানেরা এই সময় এয়ার–কন্ডিশনার (এসি) এবং ওয়াটার কুলার ব্যবহার করেন। কিন্তু বিশেষ প্রত্যন্ত শহর ও গ্রামের মানুষের হাতে অত ব্যয়বহুল বিকল্প থাকে না। তাঁরা সাধারণত হিট স্ট্রোক থেকে বাঁচতে মাটির কলসিতে ঠান্ডা পানি রাখেন এবং কাঁচা আমের শরবতের মতো কিছু পানীয় পান করেন।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    রাসেলস ভাইপার কি আসলেই ভয়ংকর, ছড়ানো তথ্যের কতটা সত্যি

    যে ২ বিভাগের ওপর দিয়ে বয়ে যেতে পারে ঝোড়ো হাওয়া

    ২৫ জুনের পর থেকে টানা বৃষ্টি হতে পারে

    রাসেলস ভাইপারের ছোবল থেকে রক্ষায় করণীয় জানাল পরিবেশ মন্ত্রণালয়

    মেছো বিড়ালকে বাঘের বাচ্চা ভেবে খাঁচাবন্দী

    পাঁচজনের মধ্যে ৪ জনই জলবায়ু মোকাবিলায় পদক্ষেপ চায়: জাতিসংঘ

    জামিনে মুক্তি পেলেন যুব মহিলা লীগের বহিষ্কৃত নেত্রী পাপিয়া

    অস্ট্রেলিয়াকে অপেক্ষায় রেখে সেমিতে ভারত

    পাসপোর্ট অফিসের কর্মচারী ও তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

    যুক্তরাষ্ট্রের মানবপাচার প্রতিবেদনে বাংলাদেশ আগের অবস্থানেই, বেড়েছে প্রচেষ্টা

    ভিসামুক্ত প্রবেশাধিকার দিয়ে মালদ্বীপে ১৮ লাখ নতুন পর্যটক, পেছনে পড়ল সেশেলস 

    শরীফার গল্প: জেন্ডার বিশেষজ্ঞদের মত নিয়ে নতুন গল্প যুক্ত করার নির্দেশ