সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

সেকশন

 

রবীন্দ্রনাথের জন্মজয়ন্তীর মঞ্চে ড. ইউনূসকে একহাত নিলেন হানিফ

আপডেট : ০৮ মে ২০২৪, ১৮:১৪

শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে দুই দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন হানিফ। ছবি: আজকের পত্রিকা নোবেলজয়ী বাঙালি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মজয়ন্তীর অনুষ্ঠানে শান্তিতে নোবেল জয়ী অর্থনীতিবিদ ড. ইউনূসকে একহাত নিলেন আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুবউল আলম হানিফ। তাঁর ভাষায়, দুজনেই নোবেল বিজয়ী হলেও একজন সমাজসেবক, আর আরেকজন শোষক।

আজ বুধবার দুপুরে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৩ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে কুষ্টিয়ার কুমারখালীর শিলাইদহ রবীন্দ্র কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গণে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে এমন মন্তব্য করেন হানিফ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও কুষ্টিয়া সদর আসনের এমপি মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘দুজনই ছিলেন নোবেল পুরস্কার বিজয়ী। একজন ছিলেন বাংলা সাহিত্যের ওপর কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। আরেকজন হচ্ছেন আমাদের মাইক্রো ক্রেডিটের কারবারি, ব্যবসায়ী, যদিও তিনি শান্তির জন্য নোবেল পুরস্কার পেয়েছেন, ড. ইউনূস সাহেব। তবে পার্থক্য ছিল এটাই—একজন সমাজসেবক, আরেকজন শোষক।’

ড. ইউনূসের ক্ষুদ্র ঋণের ধারণার সমালোচনা করে হানিফ বলেন, ‘ঠাকুর (রবীন্দ্রনাথ) ঋণ দিয়ে ফেরত না পেয়ে কারও ঘরের চাল খুলে নেননি, গরু খুলে নিয়ে আসেননি। অন্যায়–অত্যাচার করেননি ঋণের টাকার জন্য সুদের টাকার জন্য। অনেককেই মওকুফ করে দিয়েছিলেন। কিন্তু যাঁরা আমাদের আধুনিক ক্ষুদ্র ঋণের ধারক–বাহক। তাঁরা এই সুদের টাকা উদ্ধার নামে বহু মানুষের ওপর নির্যাতন–নিপীড়ন করেছেন।’

ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পরিসংখ্যান তুলে ধরে হানিফ বলেন, ‘ঢাকা শহরের অন্তত পাঁচ থেকে দশ হাজার রিকশাচালক সর্বস্ব হারিয়েছে এই গ্রামীণ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে। আমাদের পার্শ্ববর্তী জেলা ঝিনাইদহের একটি ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৩৬ জন মহিলা আত্মহত্যা করেছিল সুদের টাকা ঋণের টাকা শোধ দিতে না পারে।’

জেলা প্রশাসক মো. এহেতেশাম রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন কুষ্টিয়া–৪ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রউফ, পুলিশ সুপার এ এইচ এম আবদুর রকিব, কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর শিশির কুমার রায়। স্বাগত বক্তব্য দেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এস এম মিকাইল ইসলাম।

এদিকে কবির জন্মোৎসব উপলক্ষে কুঠিবাড়িতে প্রাণ ফিরেছে। কবির নানা বাণী ও লেখনীর ফেস্টুন, চিত্রাঙ্কনসহ কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গণ সাজানো হয়েছে নানা রঙে ও ঢঙে। দূর–দুরান্ত মানুষ এসেছেন কুঠিবাড়ি প্রাঙ্গণে। কুঠিবাড়ির সামনে উন্মুক্ত মঞ্চে পরিবেশিত হচ্ছে রবীন্দ্র সংগীত ও নৃত্য। দুই দিনব্যাপী জন্মোৎসব শেষ হবে আগামীকাল বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    জীবননগরে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় মুসল্লি নিহত

    বিশ্ব ঐতিহ্য ষাটগম্বুজ মসজিদে ঈদের নামাজ অনুষ্ঠিত

    শেখ হাসিনার কারণে এ জাতি বিশ্বে মর্যাদার সঙ্গে টিকে আছে: তাজুল ইসলাম 

    মাদক কারবারে জড়িত থাকার অভিযোগ, আ.লীগ নেতাকে বহিষ্কার

    যুবকের জিহ্বা কামড়ে বিচ্ছিন্ন করলেন স্ত্রী

    মনিরামপুরে ১০ কেজির পরিবর্তে ৭ কেজি চাল বিতরণের অভিযোগ

    সাবধানে মাংস কাটাকাটি করতে অনুরোধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    ‘বাড়ি বদলেছি ২১ বার, ভাঙন দেখতে দেখতে চুল সাদা হয়ে গেল’

    আগামীকালের মধ্যে কোরবানি শেষ করার আহ্বান মেয়র আতিকের

    খাবারে ব্লেড পাওয়া যাত্রীকে অফার দিয়ে শান্ত করতে চাইল এয়ার ইন্ডিয়া

    পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত