সোমবার, ১৭ জুন ২০২৪

সেকশন

 

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে ১৫০ চিকিৎসকের বিবৃতি

আপডেট : ০৪ মে ২০২৪, ১৭:৪৫

তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণে ১৫০ চিকিৎসকের বিবৃতি জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণ এবং তামাকজাত দ্রব্যের মূল্য ও কর বৃদ্ধির জন্য সরকারকে অনুরোধ করেছেন দেশের প্রখ্যাত ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকসহ আহ্ছানিয়া মিশন ক্যানসার ও জেনারেল হাসপাতালের ১৫০ জন চিকিৎসক।

আজ শনিবার ১৫০ চিকিৎসক গণমাধ্যমে যৌথ বিবৃতি পাঠান।  

ঢাকা আহ্ছানিয়া মিশনের উদ্যোগে এক যৌথ বিবৃতিতে ক্যানসার বিশেষজ্ঞরা বলেন, বিশ্বজুড়ে প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর প্রধান আটটি কারণের ছয়টির সঙ্গেই তামাক জড়িত। তামাক ব্যবহারের কারণে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি যেমন ক্যানসার, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, শ্বাসকষ্ট ও পায়ে পচন এবং খাদ্যনালিতে ক্যানসারসহ নানা শারীরিক জটিলতা সম্পর্কে এখন আর কারও অজানা নয়। 

গ্লোবাল এডাল্ট টোব্যাকো সার্ভের (গ্যাটস) রিপোর্ট অনুযায়ী, বাংলাদেশে এখনো ৩৫ দশমিক ৩ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ (৩ কোটি ৭৮ লাখ) তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার করেন, ধূমপান না করেও প্রায় ৩ কোটি ৮৪ লাখ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ বিভিন্ন পাবলিক প্লেস, কর্মক্ষেত্র ও পাবলিক পরিবহনে পরোক্ষ ধূমপানের শিকার হন। তামাক ব্যবহারের ফলে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক, সিওপিডি বা ফুসফুসের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি ৫৭ শতাংশ এবং অন্য ধরনের ক্যানসার হওয়ার ঝুঁকি ১০৯ শতাংশ বেড়ে যায়। এ কারণে বাংলাদেশে প্রতিবছর ১ লাখ ৬১ হাজারের অধিক মানুষ অকালে মৃত্যুবরণ করে। এ অবস্থায় তামাকের ব্যবহার কমিয়ে আনতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইন শক্তিশালীকরণের পাশাপাশি তামাকজাত দ্রব্যের ওপর কার্যকরভাবে করারোপের মাধ্যমে মূল্য বাড়িয়ে তামাকের ব্যবহার হ্রাসে উদ্যোগ গ্রহণ করা উচিত। এতে জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত হবে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ গঠনেও তা সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। 

তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহারে ধূমপায়ীদের নিরুৎসাহিত করতে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনটি আরও শক্তিশালী করে প্রণয়ন এবং কার্যকরভাবে কর বৃদ্ধির মাধ্যমে তামাক পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি করা আশু জরুরি বলে তাঁরা অভিমত দেন। ‘২০৪০ সালের মধ্যে তামাকমুক্ত বাংলাদেশ’ গড়ার প্রধানমন্ত্রীর প্রত্যয়কে বাস্তবে রূপ দিতে হলে তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনকে আরও কঠোর করা এবং বিদ্যমান তামাকজাত দ্রব্যের কর কাঠামোর সংস্কারের কোনো বিকল্প নেই বলেও তাঁরা বিবৃতিতে জানান।

বিবৃতি প্রদানকারী উল্লেখযোগ্য ক্যানসার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরা হলেন অধ্যাপক ডা. এম এ হাই, পরিচালক, বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটি হাসপাতাল ও ওয়েলফেয়ার হোম; অধ্যাপক ডা. গোলাম মহিউদ্দিন ফারুক, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ ক্যানসার সোসাইটি; অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আকরাম হোসেন, সিনিয়র কনসালট্যান্ট, ক্লিনিক্যাল অনকোলজি এবং রেডিওথেরাপি, স্কয়ার হাসপাতাল; অধ্যাপক ডা. এ এম এম শরিফুল আলম, সিনিয়র কনসালট্যান্ট ও বিভাগীয় প্রধান ক্লিনিক্যাল অনকোলজি, আহ্ছানিয়া মিশন ক্যানসার ও জেনারেল হাসপাতাল প্রমুখ।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    আগামীকালের মধ্যে কোরবানি শেষ করার আহ্বান মেয়র আতিকের

    অন্তত একবার আবেদনের সুযোগের দাবিতে ঈদের দিন নিবন্ধনধারীদের মানববন্ধন

    রাজধানীতে কোরবানি দিতে গিয়ে আহত হয়ে ঢামেকে ৯৪ জন 

    ঈদে বাড়ি ফেরা হলো না কারা কর্মকর্তার, মরদেহ মিলল সেতুর নিচে 

    রাজধানীজুড়ে ১২ লাখ পশু কোরবানি

    গৃহবধূকে ভরণপোষণ না দেওয়ায় দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ১৫ 

    সাবধানে মাংস কাটাকাটি করতে অনুরোধ স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

    ‘বাড়ি বদলেছি ২১ বার, ভাঙন দেখতে দেখতে চুল সাদা হয়ে গেল’

    আগামীকালের মধ্যে কোরবানি শেষ করার আহ্বান মেয়র আতিকের

    খাবারে ব্লেড পাওয়া যাত্রীকে অফার দিয়ে শান্ত করতে চাইল এয়ার ইন্ডিয়া

    পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিতে সিলেটের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত