শনিবার, ২২ জুন ২০২৪

সেকশন

 

কাপ্তাইয়ে শুকিয়ে গেছে শতাধিক ছড়া

আপডেট : ৩০ এপ্রিল ২০২৪, ০৯:১৩

রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলায় শুকিয়ে যাওয়া একটি পাহাড়ি ছড়া। গতকাল বেলা ১১টার দিকে উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের শিলছড়ির মহাজনপাড়া এলাকায়। ছবি: আজকের পত্রিকা দাবদাহ ও অনাবৃষ্টির ফলে রাঙামাটির কাপ্তাই উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নের শতাধিক ছড়া শুকিয়ে গেছে। এতে সুপেয় পানির সংকটে পড়েছে হাজারো বাসিন্দা। কিছু কিছু এলাকায় গভীর নলকূপ থাকলেও পানির স্তর নিচে নেমে যাওয়ায় পানি পাচ্ছে না এলাকাবাসী। দূরবর্তী নদী থেকে তাদের পানি সংগ্রহ করে প্রয়োজন মেটাতে হচ্ছে।

গতকাল সোমবার উপজেলার ওয়াগ্গা ইউনিয়নের শিলছড়ি ছড়া, ভেলাপ্পা পাড়া ছড়া ও চিৎমরম ইউনিয়নের জামাইছড়ি এলাকায় দেখা গেছে, ছড়াগুলো শুকিয়ে গেছে। পানির সংকটে হা-হুতাশ করছে এলাকাবাসী। লোকালয় থেকে কয়েক কিলোমিটার দূরের কর্ণফুলী নদী থেকে কলসি ভরে পানি আনতে দেখা যায় স্থানীয়দের।

এ সময় কথা হয় শিলছড়ির মহাজনপাড়ার বাসিন্দা তপন মারমা, খুকি ইসলাম এবং শিলছড়ি বাজারের শাহ আলমের সঙ্গে। তাঁরা এই প্রতিবেদককে জানান, সাধারণত মার্চ থেকে জুনের আগপর্যন্ত ছড়াগুলোতে পানি থাকে না; থাকলেও অল্প। তবে চলতি বছরের অবস্থা ভয়াবহ। দাবদাহে ছড়াগুলো পুরোপুরি শুকিয়ে গেছে। এতে এলাকার শত শত পরিবার সুপেয় পানির সংকটে ভুগছে। কয়েক কিলোমিটার পথ হেঁটে কর্ণফুলী নদী থেকে পানি সংগ্রহ করতে হচ্ছে। বৃষ্টি না হওয়া পর্যন্ত এই সংকট দূর হবে না।

চিৎমরম ইউনিয়নের জামাইছড়ি এলাকার বাসিন্দা ক্যাংমং মারমা ও অথুই মারমা জানান, ছড়ায় এখন  পানি নেই। কর্ণফুলী নদীতে জোয়ার এলে ছড়া দিয়ে একটু পানি আসে, আবার ভাটা পড়লে তা নদীতে নেমে যায়। পানির জন্য তাঁদের খুব কষ্ট করতে হচ্ছে।

উপজেলার ওয়াগ্গা মৌজার হেডম্যান অরুণ তালুকদার জানান, শুধু ওয়াগ্গা মৌজায় ১৫টির বেশি ছড়া আছে। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে ছড়ার মোট সংখ্যা শতাধিক। দাবদাহ ও অনাবৃষ্টির ফলে ছড়াগুলো শুকিয়ে গেছে।

চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের ১, ২ ও ৩ নম্বর ওয়ার্ডের সংরক্ষিত মহিলা সদস্য আথুই তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, ‘আমার এলাকার রেশমবাগান ছড়ায় এক ফোঁটা পানি নাই। এলাকাবাসী ছড়ায় গভীর গর্ত খুঁড়েও পানি পাচ্ছে না।’

রাইখালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মংক্য মারমা বলেন, ইউনিয়নের সব কটি ছড়া পানিশূন্য। তীব্র পানিসংকটে ভুগছে এলাকাবাসী।

কাপ্তাই জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের উপসহকারী প্রকৌশলী লিমন চন্দ বর্মন বলেন, ‘সাধারণত মার্চ, এপ্রিল মাসে ছড়া ও ঝরনাগুলোর পানি শুকিয়ে যায়। বৃষ্টি হলে পানির সংকট নিরসন হবে।’

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    আটপাড়ায় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে সুপারভাইজারকে জরিমানা

    ট্রেনের ছাদে উঠে ভ্রমণ, মাথায় আঘাত পেয়ে তরুণের মৃত্যু

    পরকীয়া প্রেমিকের সঙ্গে স্ত্রীকে ঘুরতে দেখে যুবকের ‘আত্মহত্যা’

    সিলেটে চিনি ছিনতাই কাণ্ডে এবার পৌর ছাত্রলীগ সভাপতি গ্রেপ্তার

    রোহিঙ্গা তরুণকে জন্মসনদ দেওয়ার অভিযোগে ইউপি সচিব গ্রেপ্তার

    ‘পাঁচ টাকা কমে ধুন্দল বিক্রি’, চাচাকে পিটিয়ে হত্যা করল ভাতিজা

    যুক্তরাষ্ট্রকে উড়িয়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ, দুশ্চিন্তা বাড়ল ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকারও

    আটপাড়ায় বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের দায়ে সুপারভাইজারকে জরিমানা