বৃহস্পতিবার, ২৩ মে ২০২৪

সেকশন

 

স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ২৩:৫৭

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ৫৩ তম বার্ষিকী উপলক্ষে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র: স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের সৃষ্টিতত্ত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভা। ছবি: সংগৃহীত ঐতিহাসিক ১০ এপ্রিলকে গণপ্রজাতন্ত্র দিবস ঘোষণা এবং স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি জানিয়েছেন বিশিষ্ট নাগরিকেরা। একই সঙ্গে দিনটির তাৎপর্য নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানানো হয়েছে। 

আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের ৫৩ তম বার্ষিকী উপলক্ষে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি আয়োজিত ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র: স্বাধীন বাংলাদেশের সংবিধানের সৃষ্টিতত্ত্ব’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়। 

সভায় বক্তারা বলেন, নির্বাচিত প্রতিনিধিরা বঙ্গবন্ধুর নামে স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র প্রণয়ন করেছেন। স্বাধীনতার ঘোষণাপত্রের আলোকেই দেশ স্বাধীন হয়েছে। এ ঘোষণাপত্রই বাংলাদেশের সংবিধান। ১৭ এপ্রিলের চেয়ে ১০ এপ্রিল গুরুত্বপূর্ণ। জাতীয়ভাবে দিবসটি পালনের জন্য সরকারের কাছে দাবি জানিয়ে আসলেও রাষ্ট্রীয়ভাবে অগুরুত্বপূর্ণ রয়ে গেছে। 

তাঁরা আরও বলেন, মুক্তিযুদ্ধে পাকিস্তানি হানাদারবাহিনীর প্রধান দোসর জামায়াতে ইসলামি এবং তাঁদের প্রধান রাজনৈতিক মিত্র বিএনপি যুক্তিসংগত কারণে বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র মানে না। এ ঘোষণাপত্র অস্বীকার করা মানে বাংলাদেশকে অস্বীকার করা। তাঁরা বাংলাদেশকে পাকিস্তান বানাতে চায়। 

আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সিমিন হোসেন রিমি বলেন, নতুন প্রজন্মকে ইতিহাস জানানোয় কোথাও একটা ঘাটতি থেকে গেছে। একটা মানুষ ১৪ থেকে ১৫ বছর পর্যন্ত শিখতে পারে। তারপর তার স্কুল কলেজ মিলিয়ে একটা আলাদা সমাজ তৈরি হয়। তাই এই প্রজন্মকে ইতিহাস জানানোর জন্য শিশু বয়স থেকে শুরু করতে হবে। 

সম্প্রতি শিক্ষক নিয়োগের ভাইভাতে পরীক্ষার্থীর স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে না জানার কথা জানিয়ে তাজউদ্দীন আহমদ কন্যা বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করা শিক্ষার্থী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় স্বাধীনতা দিবস সম্পর্কে জানে না—এটা দুঃখজনক। খুব ক্ষুদ্র ভগ্নাংশ মানুষ আমাদের মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস জানে। তার মানে কোথাও কোনো ঘাটতি আছে। এখানে আমাদের কাজ করতে হবে।’ 

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে সংস্কৃতি বলতে মানুষ নাচ, গান-কবিতাকে বোঝে। কিন্তু সংস্কৃতি মানে কি এটাও বোঝাতে হবে সবাইকে।’

দালাল নির্মূল কমিটির সভাপতি শাহরিয়ার কবীরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মাহবুব উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক, অধ্যাপক মুনতাসির মামুন, অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী। অনুষ্ঠানে উপস্থাপনা করেন সংগঠনের আইটি সেলের সভাপতি ও শহীদ সন্তান আসিফ মুনির।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    এলাকার খবর

     

    ডাসারে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

    নদীখেকোদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা দরকার: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

    পি কে হালদারের ২ সহযোগীকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ 

    শাহজালাল বিমানবন্দরে সাড়ে ৫ কেজি সোনাসহ দুই চীনা নাগরিক আটক

    কিশোরগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা আবদুস সাত্তারকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন

    মঠবাড়িয়ার রিয়াজের প্রার্থিতা বাতিল করল ইসি

    ডাসারে পানিতে ডুবে দুই বোনের মৃত্যু

    অর্ধকোটি টাকা আত্মসাৎ: স্বাস্থ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ইউএনওর কাছে অভিযোগ 

    মিয়ানমার থেকে ছোড়া গুলিতে বাংলাদেশি জেলে আহত 

    এইচএসসির ফরম পূরণের সময় ফের বাড়ল

    এমপি আনোয়ারুল হত্যা তদন্তে কলকাতা পুলিশের দুই সদস্য ঢাকায়

    এনজিওর ঋণের চাপে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে হত্যা করেন আলী: পুলিশ