বৃহস্পতিবার, ৩০ মে ২০২৪

সেকশন

 

ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার ভোট শুক্রবার

আপডেট : ১৮ এপ্রিল ২০২৪, ১৮:৩১

জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার জন্য বহু বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে ফিলিস্তিন। ছবি: এএফপি জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার জন্য ফিলিস্তিনের অনুরোধের ভিত্তিতে নিরাপত্তা পরিষদে আগামী শুক্রবার ভোট অনুষ্ঠিত হবে। কূটনীতিকেরা বলছেন, ফিলিস্তিনের পূর্ণ সদস্য হওয়ার আশা আটকে দেবে ইসরায়েলের মিত্র যুক্তরাষ্ট্র। বার্তা সংস্থা রয়টার্স এক প্রতিবেদনে খবরটি দিয়েছে।

১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদে খসড়া প্রস্তাবের ওপর স্থানীয় সময় শুক্রবার বেলা ৩টায় ভোট হওয়ার কথা। এই প্রস্তাবে ফিলিস্তিন রাষ্ট্রকে জাতিসংঘের সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে নেওয়ার জন্য ১৯৩ সদস্যের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের কাছে সুপারিশ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা পরিষদে ফিলিস্তিনের প্রস্তাবটি পাস হওয়ার জন্য অন্তত ৯টি দেশের ভোট দরকার। তবে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, রাশিয়া ও চীন—এই পাঁচ দেশের কেউ ভেটো দিলে প্রস্তাবটি পাস হবে না। কূটনীতিকেরা মনে করছেন, ফিলিস্তিনকে জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য করার পক্ষে সমর্থন জানাতে পারে নিরাপত্তা পরিষদের ১৩ সদস্য। আর ফিলিস্তিনের সদস্য হওয়া ঠেকাতে ভেটো দেবে যুক্তরাষ্ট্র।

নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য আলজেরিয়া ফিলিস্তিনকে পূর্ণ সদস্যপদ দেওয়ার ব্যাপারে খসড়া প্রস্তাবটি উত্থাপন করে আজ বৃহস্পতিবার বিকেলে ভোটের অনুরোধ জানায়। কিন্তু একই সময় মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে নিরাপত্তা পরিষদে আরেকটি বৈঠকের সূচি নির্ধারিত থাকায় তা একদিন পর শুক্রবার অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

তবে জাতিসংঘের মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ব্যাপারে আপত্তি জানিয়ে যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ‘এই আলোচনা সরাসরি হওয়া উচিত সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে। জাতিসংঘে যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত লিন্ডা থমাস গ্রিনফিল্ড বলেছেন, নিরাপত্তা পরিষদে একটি প্রস্তাব পাস করেই দ্বিরাষ্ট্র সমাধানের পথে এগোনোর মতো একটি অবস্থানে পৌঁছতে পারব বলে আশা করছি না।’

ফিলিস্তিন ২০১২ সালে জাতিসংঘে পর্যবেক্ষকের মর্যাদা পেয়েছে। জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্যপদ পাওয়ার জন্য দেশটি বহু বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে আসছে। জাতিসংঘের পূর্ণ সদস্য হওয়ার জন্য তাদের আবেদন প্রথমে নিরাপত্তা পরিষদে অনুমোদিত হতে হবে। এরপর সাধারণ পরিষদের সদস্য রাষ্ট্রগুলোর কমপক্ষে দুই-তৃতীয়াংশ সমর্থন লাগবে।

জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদ দীর্ঘদিন ধরে নিরাপদ ও স্বীকৃত সীমান্তের মধ্যে পাশাপাশি বসবাসকারী ফিলিস্তিন ও ইসরায়েল রাষ্ট্রের দৃষ্টিভঙ্গি সমর্থন করে। ফিলিস্তিনিরা পশ্চিম তীর, পূর্ব জেরুজালেম ও গাজা উপত্যকায় একটি রাষ্ট্র চায়। ১৯৬৭ সালে ইসরায়েল এ অঞ্চলগুলো দখল করেছিল।

১৯৯০-এর দশকের গোড়ার দিকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষের মধ্যে অসলো চুক্তি স্বাক্ষরের পর থেকে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র অর্জনে তেমন কোনো অগ্রগতি হয়নি।

মন্তব্য

আপনার পরিচয় গোপন রাখতে
আমি নীতিমালা মেনে মন্তব্য করছি।
Show
 
    সব মন্তব্য

    ইহাতে মন্তব্য প্রদান বন্ধ রয়েছে

    পঠিতসর্বশেষ

    এলাকার খবর

     

    লাইভে মাছি গিলে প্রশংসায় ভাসছেন উপস্থাপিকা

    ইসরায়েল থেকে ব্রাজিলের রাষ্ট্রদূত প্রত্যাহার

    সামাজিক মাধ্যমে গাজাবাসীর পক্ষে ‘অল আইজ অন রাফাহ’ প্রতিবাদ, সরব তারকারা

    নেতানিয়াহু রক্তখেকো ভ্যাম্পায়ার, মন্তব্য এরদোয়ানের

    গাজার দিকে তাক করা ক্ষেপণাস্ত্রে নিকি হ্যালি লিখলেন, ‘ওদের শেষ করে দাও’

    গেটস ফাউন্ডেশন থেকে পদত্যাগের কারণ জানালেন মেলিন্ডা

    বিচিত্র

    কিসের লোভে চুরি করে মানুষের ঘরে ঢুকে এ ভালুকটি

    ব্যাংক এশিয়ার প্রশিক্ষণে অংশ নেওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে সনদ বিতরণ

    হামলার হুমকি পাওয়ায় ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে নিরাপত্তা জোরদার

    তিন খানকে টেক্কা, আইএমডিবির ভারতীয় তারকার তালিকার শীর্ষে দীপিকা

    উপায়ের আয়োজনে ময়মনসিংহে ‘ফ্রিল্যান্সার মিটআপ’

    সব প্রস্তুতি সম্পন্ন, প্রধানমন্ত্রীর আগমনে কলাপাড়ার মানুষের মধ্যে উচ্ছ্বাস